আন্তর্জাতিক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
প্রতিবেদনকারীর নাম : বিডিএস বুলবুল আহমেদ
নটবরলাল, যিনি ভারতের ইতিহাসের সেরা প্রতারক হিসেবে পরিচিত, তার জীবন একটি অবিশ্বাস্য কাহিনী। মিথিলেশ কুমার শ্রীবাস্তক নামের এই প্রতারক ব্যক্তিত্বের কুকীর্তির মধ্যে অন্যতম ছিল ভারতের সবচেয়ে ঐতিহাসিক স্থাপনা, তাজমহল তিনবার বিক্রি করা। শুধু তাজমহলই নয়, লাল কেল্লা, রাষ্ট্রপতি ভবন, এমনকি ভারতীয় সংসদ ভবনও বিক্রি করে দেন এই ব্যক্তি, আর সেগুলোর জন্য তিনি মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করেন।
নটবরলালের এই অপরাধী জীবনের কাহিনী ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে ব্যাপকভাবে স্থান পেয়েছে। ১৯৭৯ সালে “মি. নটবরলাল” নামক একটি চলচ্চিত্র মুক্তি পায়, যেখানে অমিতাব বচ্চন প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন। এই ছবিটি ভারতে সুপার হিট হয়ে ওঠে এবং নটবরলালের জীবনের প্রতারণার কাহিনী দেশজুড়ে পরিচিতি লাভ করে। এরপর ২০১৪ সালে আরও একটি চলচ্চিত্র নির্মিত হয়, “রাজা নটবরলাল”, যা একই নামে চরিত্র নিয়ে গল্প সাজায় এবং এই ছবিতেও নটবরলালের প্রতারণার কাহিনী তুলে ধরা হয়।
নটবরলালের প্রকৃত নাম ছিল মিথিলেশ কুমার শ্রীবাস্তক, তবে “নটবরলাল” নামটি তার চরিত্রের জন্য বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করে। তার হাজার হাজার কুকীর্তির মধ্যে, সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল বিহারের ১৪টি জালিয়াতি মামলা। এই প্রতারক ১১৩ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত হলেও, তাকে ১০ বার গ্রেফতার করা হলেও কখনও তাকে দীর্ঘ সময় ধরে আটক রাখা যায়নি। প্রতিবারই তিনি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন।
নটবরলাল একবার বিচারকের কাছে বলেছিলেন, “আমি কারো কাছ থেকে ছিনতাই করি না, আমি শুধুমাত্র তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছি যারা আমাকে অর্থ দিয়েছেন।” তিনি আরও বলেছিলেন, “এভাবেই আমি মানুষের কাছ থেকে টাকা পেয়ে যাই!” এমনকি একবার বিচারককে এক টাকা চেয়ে বসেছিলেন, এবং বিচারক তাকে এক টাকা দিয়েছিলেন!
নটবরলাল, যদিও প্রতারক হিসেবে পরিচিত, তার নিজ গ্রামে ‘রবিনহুড’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। গ্রামবাসীরা তাকে ভগবান মানতো এবং তাকে ‘মিস্টার নটবরলাল’ বলে সম্বোধন করত। তার একটি অভ্যাস ছিল, যাদের থেকে টাকা নিয়েছেন, সেই টাকা গরীবদের ফিরিয়ে দিতেন। আশির দশকে তিনটি গাড়ির কনভয়ে শেষবার তার গ্রামে গিয়ে বিশাল ভুরিভোজের আয়োজন করেছিলেন এবং খাওয়ার পর গ্রামবাসীকে একশো টাকা করে দিয়েছিলেন।
এমনকি পুলিশ জানতেই পারেনি, তার গ্রামে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চলছিল। নটবরলাল এক দিকে ফ্যাসিবাদী এবং অপর দিকে সমাজের জন্য মানবিক অবস্থান গ্রহণকারী একটি চরিত্র হয়ে উঠেছিল। তার জীবনী এবং কুকীর্তির কারণে আজও তাকে ভারতের ইতিহাসের সেরা প্রতারক হিসেবে স্মরণ করা হয়।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিষয়ঃ
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
বিভাগ: অপরাধ ও বিচার / চলচ্চিত্র অঙ্গন
প্রকাশের সময়: রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬ | রাত ০১:১৫ (বিএসটি)
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
বিশেষ আদালত ও অনুসন্ধান প্রতিবেদন: নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহর রহস্যজনক মৃত্যুর দীর্ঘ ৩০ বছর পর হত্যা মামলায় সবচেয়ে বড় অগ্রগতি দেখা গেছে। ২০২৬ সালের ৯ আগস্ট ভোররাতে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যাওয়ার সময় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মামলার ৪ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি খল অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডন-কে গ্রেফতার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ।

পরবর্তীতে তাঁকে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়। আদালতে জামিন নামঞ্জুর হওয়ার পর বর্তমানে তাঁকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি করছে সিআইডি।
১. মামলার চার্ট ও মূল আসামিদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ
দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ (পরিকল্পিত সংঘবদ্ধ হত্যা) ধারায় দায়ের করা এই হত্যা মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হক, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে।
[ সালমান শাহ হত্যা মামলার আসামিদের ভূমিকা ]
│
┌──────────────────────────────────┼──────────────────────────────────┐
▼ ▼ ▼
[ মূল পরিকল্পনাকারী (Masterminds) ] [ পেশাদার আঘাতকারী চক্র ] [ আলামত লোপাট ও সহায়তা ]
• সামিরা হক (স্ত্রী) • আশরাফুল হক ডন (৪ নম্বর আসামি) • লতিফা হক লুসি (শাশুড়ি/মধ্যস্থ)
• আজিজ মোহাম্মদ ভাই (ব্যবসায়ী) • ডেভিড, জাভেদ ও ফারুক • রাবেয়া সুলতানা রুবি (বিউটি পার্লার)
• রেজভি আহমেদ ফরহাদ • আব্দুস ছাত্তার ও সাজু
প্রধান প্রধান চাঞ্চল্যকর অভিযোগসমূহ:

- ১২ লাখ টাকার কিলিং কন্ট্রাক্ট: রাষ্ট্রপক্ষের দাবি ও অভিযোগ অনুযায়ী, সালমান শাহকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিতে আজিজ মোহাম্মদ ভাই এবং সামিরা হক যৌথভাবে ডন ও তার সহযোগীদের ১২ লাখ টাকার চুক্তি দিয়েছিলেন।
- আক্রোশ ও হোটেল সোনারগাঁও-এর ঘটনা: সামিরার সঙ্গে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের পরকীয়া সম্পর্কের অভিযোগের পাশাপাশি মৃত্যুর কিছুদিন আগে সোনারগাঁও হোটেলের এক পার্টিতে সামিরাকে আড়ালে নেওয়ার চেষ্টা করলে সালমান প্রকাশ্যে আজিজ মোহাম্মদ ভাইকে চড় মারেন। এর জেরেই তীব্র আক্রোশ তৈরি হয়।
- ক্লোরোফর্ম ও বিষাক্ত ইনজেকশন: ৬ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬ তারিখে সালমান শাহর বাসায় সশরীরে উপস্থিত হয়ে খুনিরা প্রথমে ক্লোরোফর্ম দিয়ে তাঁকে অচেতন করে এবং পরবর্তীতে বিশেষ বিষাক্ত ইনজেকশন পুশ করে মৃত্যু নিশ্চিত করে।
- আত্মহত্যার নাটক ও ফ্যানের সাথে ঝুলানো: মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর প্লাস্টিকের দড়ি দিয়ে সিলিং ফ্যানে মরদেহ ঝুলিয়ে আত্মহত্যার রূপ দেওয়া হয় এবং সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী ও পরিবারকে ঘরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়।
২. আসামিদের অপরাধভিত্তিক ভূমিকার তুলনামূলক তালিকা
| আসামি / পক্ষ | এজাহার অনুযায়ী ভূমিকা | বর্তমান আইনি অবস্থা |
| আশরাফুল হক ডন | শারীরিক শক্তি প্রয়োগ, হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ও আলামত নষ্ট | গ্রেফতার (৯ আগস্ট ২০২৬), জামিন না মঞ্জুর ও সিআইডি হেফাজতে |
| সামিরা হক ও আজিজ ভাই | প্রধান পরিকল্পনাকারী, চুক্তি প্রদান ও অনৈতিক আক্রোশ | দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, সিআইডির রেড অ্যালার্ট ও পলাতক |
| লতিফা হক লুসি | জামাতার প্রতি পারিবারিক আক্রোশ থেকে পেশাদার খুনিদের সাথে চুক্তি মধ্যস্থতা | পলাতক, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি |
| রাবেয়া সুলতানা রুবি | হত্যা সংঘটনে সহায়তা, ঘরের ভেতর থেকে আলামত দ্রুত সরিয়ে ফেলা | অভিযুক্ত আসামি (সাবেক লাইভ ভিডিওতে খুনের দাবি করেছিলেন) |
| রেজভি, ডেভিড ও ফারুক | জোরপূর্বক চেপে ধরা, বিষাক্ত ইনজেকশন পুশ ও পাহারা দেওয়া | ১৬৪ ধারায় পূর্বে স্বীকারোক্তি ও আসামি |
৩. সিআইডি (CID)-র বর্তমান তদন্ত প্রক্রিয়া ও সময়রেখা
[ সিআইডির বর্তমান পদক্ষেপসমূহ ]
│
┌─────────────────────────────────┼─────────────────────────────────┐
▼ ▼ ▼
[ ডনকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ ] [ সীমান্তে রেড অ্যালার্ট ] [ ৩০ আগস্টের ডেডলাইন ]
• জামিন নামঞ্জুরের পর ডনকে • সামিরা ও আজিজ ভাইসহ বাকি • আদালতের নির্দেশে আগামী ৩০ আগস্টের
মুখোমুখি করে তথ্য যাচাই। ১০ জনের দেশত্যাগে কড়া নিষেধাজ্ঞা। মধ্যে পূর্ণাঙ্গ চার্জশিট পেশ।
৪. লন্ডন থেকে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর ক্ষোভ ও দাবি

অভিনেতা ডন গ্রেফতারের খবরে লন্ডন থেকে গভীর প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী:
- “প্রকৃতির নিয়মে ডন ধরা পড়েছে”: নীলা চৌধুরী বলেন, “সালমানকে আত্মহত্যা নয়, সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। ডন আমার ছেলের মৃত্যুর পর তার নামে অপবাদ দিয়ে আমাকে অপমান করেছিল, আজ স্রষ্টার বিচারে সে ধরা পড়েছে।”
- সরকারের প্রতি আলটিমেটাম: ১৫ আগস্ট লন্ডনে ভক্তদের মানববন্ধনে যুক্ত হয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, ডন গ্রেফতার কেবল শুরু; সামিরা হক বা আজিজ মোহাম্মদ ভাই যেন কোনোভাবেই দেশ ছেড়ে পালাতে না পারেন। তাঁরা পালালে তার পুরো দায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকেই নিতে হবে।
- ৩০ আগস্ট নিরপেক্ষ চার্জশিটের দাবি: তিনি আকুতি জানান, দীর্ঘ ২৯ বছর ধরে তিনি একমাত্র বিচারের আশায় বেঁচে আছেন। সিআইডি যেন কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে নিরপেক্ষ প্রতিবেদন পেশ করে।
শেষ কথা:
১৯৯৭ সালের সিআইডি রিপোর্ট, ২০১৪ সালের বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং ২০২০ সালের পিবিআই রিপোর্ট—তিনটি সংস্থাই পূর্বে যেটিকে ‘অপমৃত্যু’ বলে দাবি করেছিল, আদালত তা বাতিল করে মামলাটিকে ‘পরিকল্পিত হত্যা মামলা’ (৩০২ ধারা) হিসেবে চালুর নির্দেশ দেওয়ায় তদন্তে নতুন গতি এসেছে। ৩০ আগস্ট সিআইডি আদালতে কী রিপোর্ট পেশ করে, সেদিকেই এখন পুরো দেশের নজর।
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।
বিখ্যাত ঐতিহাসিক ব্যক্তি
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
বিভাগ: বিনোদন / বিশেষ ফিচার
সম্পাদকীয় প্যানেল: কালচার ও এন্টারটেইনমেন্ট ডেস্ক
প্রকাশের সময়: রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬ | রাত ০১:০২ (বিএসটি)
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
বিশেষ ফিচার: শূন্য হাতে শূন্য থেকে শুরু করে আজ বিশ্ব চলচ্চিত্রের অন্যতম ধনীতম তারকা—শাহরুখ খান শুধু একটি নাম নন, একটি বৈশ্বিক অনুভূতি। তবে ভারতের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায় তাঁর পপুলারিটি ও গ্রহণযোগ্যতা যেন এক ভিন্ন মাত্রায় বিরাজ করে।
আজ আমরা আলোচনা করব কলকাতায় তাঁর অতিরিক্ত চাহিদার কারণ, তাঁর সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প, মোট সম্পত্তি এবং আগামী ২৪ ডিসেম্বর ২০২৬ মুক্তি প্রতীক্ষিত মেগা প্রজেক্ট ‘কিং’ নিয়ে।
১. কলকাতায় অন্যান্য তারকার চেয়ে শাহরুখ কেন এত বেশি প্রিয়?
বাঙালির আবেগ ও সংস্কৃতির সাথে শাহরুখ খানের সম্পর্ক কেবল একজন হিন্দি সিনেমার নায়কের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
[ কলকাতায় শাহরুখের রাজত্ব ]
│
┌────────────────────────────────────┼────────────────────────────────────┐
▼ ▼ ▼
[ KKR ও ফুটবলের শহর ] [ সাংস্কৃতিক দূত ] [ আবেগীয় বন্ধন ]
• কেকেআর-এর মাধ্যমে 'ঘরের ছেলে' • পশ্চিমবঙ্গের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর • বাংলায় কথা বলার আন্তরিক প্রচেষ্টা
• ইডেন গার্ডেন্সে তাঁর উপস্থিতি • কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবের (KIFF) মুখ • দেবদাস চরিত্রে বাঙালি হৃদয়ে স্থান
- আইপিএল ও কেকেআর (KKR): ২০০৮ সালে Kolkata Knight Riders-এর মালিকানা নেওয়ার পর থেকে শাহরুখ নিজেকে কলকাতার ব্র্যান্ডের সাথে একাত্ম করে ফেলেছেন।
- সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নিয়মিত মুখ: পশ্চিমবঙ্গের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে এবং প্রতিবছর কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে (KIFF) তাঁর উপস্থিতি বাঙালিদের কাছে পরম ভালোবাসার।
- শ্রদ্ধা ও বিনয়: মঞ্চে প্রবীণ বাঙালি শিল্পীদের (যেমন অমিতাভ বচ্চন, রাখী গুলজার বা শর্মিলা ঠাকুর) পা ছুঁয়ে প্রণাম করা এবং ভাঙা ভাঙা বাংলায় ভালোবাসা ব্যক্ত করা তাঁকে সাধারণ মানুষের আপন করে তুলেছে।

২. শূন্য থেকে আন্তর্জাতিক বাদশা: অনুপ্রেরণামূলক জীবনসংগ্রাম
- স্বজন হারানোর ট্র্যাজেডি: মাত্র ১৫ বছর বয়সে ক্যানসারে বাবাকে হারান এবং এর কিছুকাল পর মা লতিফ ফাতেমাকেও হারান।
- ১,৫০০ টাকা নিয়ে মুম্বাই আগমন: পকেটে মাত্র ১৫০০ টাকা নিয়ে ভাগ্য অন্বেষণে মুম্বাই এসে পৌঁছান শাহরুখ। বন্ধুরা ও মুম্বাইয়ের সৈকতই ছিল তাঁর রাতের আশ্রয়।
- অ্যান্টি-হিরো ঝুঁকি: নব্বইয়ের দশকে অন্য নায়কেরা যখন চকোলেট বয় ইমেজ ধরে রাখতে ব্যস্ত, শাহরুখ তখন ‘ডর’ ও ‘বাজিগর’-এর মতো অ্যান্টি-হিরো চরিত্রে অভিনয় করে বিশ্ব মাতান।
৩. একনজরে ক্যারিয়ারের সেরা সিনেমা ও বক্স অফিস রেকর্ড
| সিনেমা | ধরণ / ক্যাটাগরি | বৈশ্বিক কালেকশন | রোমাঞ্চকর অজানা তথ্য |
| দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে (DDLJ) | সর্বকালের সেরা ব্লকবাস্টার | ~৬১ কোটি রুপি (১৯৯৫) | শাহরুখ প্রথমে ছবিতে রোমান্টিক হিরো হতে চাননি, ডিরেক্টর জোর করে মানিয়েছিলেন। |
| দেবদাস | সাহিত্যনির্ভর ধ্রুপদী | ~১৬৮ কোটি রুপি (২০০২) | মদ্যপ দেবদাসের দৃশ্য নিখুঁত করতে শাহরুখ সেটে আসলেও সত্যি সামান্য মদ খেতেন। |
| স্বদেশ | সমালোচক-প্রশংসিত | আন্তর্জাতিক ব্যবসা সফল | এটিই প্রথম ভারতীয় ছবি যা আমেরিকার NASA সদর দপ্তরের ভেতরে শুট করা হয়। |
| জওয়ান | মেগা অ্যাকশন হিট | ১,১৬০ কোটি রুপি (২০২৩) | শাহরুখের ন্যাড়া মাথার লুকটি স্ক্রিপ্টে ছিল না, অন-দ্য-স্পট মাথায় এসে শুট করা হয়। |
৪. মন্নত ও সম্পদ সাম্রাজ্য: ২০২৬ সালের চিত্র
২০০ কোটি রুপি মূল্যের বিখ্যাত সমুদ্রমুখী প্রাসাদ ‘মন্নত’-এর অধিপতি শাহরুখ খান বর্তমানে পৃথিবীর অন্যতম ধনী তারকা।
[ ২০২৬ Hurun India Rich List অনুযায়ী ]
│
┌────────────────────────────────┼────────────────────────────────┐
▼ ▼ ▼
[ মোট সম্পদ ] [ উপার্জনের উৎস ] [ সন্তান ও লাক্সারি ]
• $১.৩ - $১.৪ বিলিয়ন • প্রযোজনা (Red Chillies) • সুহানা: Mercedes S-Class
(প্রায় ১২,৪৯০ কোটি রুপি) • KKR ফ্র্যাঞ্চাইজি ও সিনেমা • আরিয়ান: Mercedes AMG, BMW 7
ধর্মনিরপেক্ষ পারিবারিক পরিবেশ:
গৌরী খানের (বিবাহপূর্ব গৌরী ছিব্বর) সাথে ১৯৯১ সালে ঐতিহ্যবাহী বৈদিক হিন্দু মতে বিয়ে হয়। বিয়ের পরও গৌরী নিজের ধর্ম ত্যাগ করেননি। মন্নতে যেমন পবিত্র কোরআন স্থান পায়, তেমনই দুর্গা পূজা ও গণেশ চতুর্থী সমান মর্যাদায় পালিত হয়।
৫. ২০২৬-এর মেগা ধামাকা: ‘কিং’ (King)

চলতি ২০২৬ সালের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত বলিউড সিনেমা হলো সিদ্ধার্থ আনন্দ পরিচালিত ‘কিং’।
- মুক্তির তারিখ: ২৪ ডিসেম্বর ২০২৬ (ক্রিসমাস রিলিজ)।
- বাজেট: প্রায় ৩৫০ কোটি রুপি।
- কাস্ট: শাহরুখ খান (গ্যাংস্টার ডন), সুহানা খান (শিষ্য), অভিষেক বচ্চন (মূল ভিলেন)। দীপিকা পাড়ুকোন ও রানী মুখার্জি ক্যামিও চরিত্রে থাকছেন।
- বিশেষ আকর্ষণ: রিয়েল লাইফ বাবা-মেয়ে পর্দায় হাজির হচ্ছেন গুরু-শিষ্যের আন্ডারওয়ার্ল্ড চরিত্রে। ইউরোপের শুটিংয়ে প্রায় ৫০ কোটি রুপি খরচ করে আন্তর্জাতিক স্কেলের স্টান্ট অ্যাকশন করা হয়েছে।
শেষ কথা:
বলিউড থেকে বিশ্বমঞ্চ, আর কলকাতা থেকে সমগ্র বিশ্ব—শাহরুখ খানের প্রভাব কেবল তাঁর সিনেমা দিয়ে মাপা যায় না; বরং তাঁর মেধা, পরিশ্রম ও পারিবারিক উদারতা তাঁকে এক চিরন্তন কিংবদন্তিতে রূপ দিয়েছে।
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
বিভাগ: পরিবেশ ও প্রকৃতি
প্রতিবেদন: আন্তর্জাতিক ও পরিবেশ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ দল
প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬ | বিকেল ০৪:১৬ (বিএসটি)
বিশেষ প্রতিবেদন: আন্তর্জাতিক নদীর বহমান স্রোত কোনো নির্দিষ্ট দেশের একক সম্পদ নয়—আন্তর্জাতিক নদী আইনে এটি স্বীকৃত নীতি। তবে দীর্ঘ ৫ দশকেরও বেশি সময় ধরে ভারতের একতরফা ফারাক্কা বাঁধের পরিচালনা বাংলাদেশের উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য নদী মরুময়তা, খরা, লবণাক্ততা এবং আকস্মিক বন্যার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

চলমান ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে ১৯৯৬ সালের ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গা পানি চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে ফারাক্কা বাঁধের সৃষ্টি, এর ক্ষতিকর প্রভাব এবং ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্লেষণ করা অত্যন্ত জরুরি।
১. ফারাক্কা বাঁধ কী এবং কেন এটি নির্মাণ করা হয়েছিল?
ফারাক্কা বাঁধ হলো গঙ্গা নদীর ওপর ভারত কর্তৃক নির্মিত ২,২৪০ মিটার (প্রায় ২.২৪ কিমি) দীর্ঘ একটি ব্যারেজ। এটি বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে মাত্র ১৮ কিলোমিটার উজানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুর্শিদাবাদ ও মালদা জেলায় অবস্থিত। ১৯৬১ সালে কাজ শুরু হয়ে ১৯৭৫ সালে এটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়।
ভারতের ঘোষিত উদ্দেশ্য:
- কলকাতা বন্দরের নাব্য রক্ষা: ভারতের প্রধান যুক্তি ছিল গঙ্গার শাখা নদী হুগলী-ভাগীরথীতে পলি জমে কলকাতা বন্দরের নাব্যতা কমে যাচ্ছে। গঙ্গা নদী থেকে ফিডার ক্যানেলের (Feeder Canal) মাধ্যমে পানি সরিয়ে হুগলী নদীতে ফেলে পলি পরিষ্কার করা এবং সেখানে সমুদ্রগামী বড় জাহাজ ভেড়ানোর পথ সুগম করাই ছিল এর প্রধান লক্ষ্য।
- নগরীর পানি সরবরাহ ও যোগাযোগ: কলকাতা মহানগরীর সুপেয় পানির চাহিদা পূরণ এবং উত্তর ও দক্ষিণ পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে রেল ও সড়ক যোগাযোগ সহজ করা।
২. ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশে সৃষ্ট বহুমুখী ক্ষতি

উজানে একতরফা পানি প্রত্যাহারের ফলে বাংলাদেশের পরিবেশ, অর্থনীতি ও বাস্তুতন্ত্রে যে মহাবিপর্যয় নেমে এসেছে, তা নিচে তুলে ধরা হলো:
[ ফারাক্কা বাঁধের ক্ষতিকর প্রভাব ]
│
┌────────────────────────────────────────┼────────────────────────────────────────┐
▼ ▼ ▼
[ নদী ও ভৌগোলিক খরা ] [ সুন্দরবন ও বাস্তুতন্ত্র ] [ কৃষি ও মৎস্য সম্পদ ]
• শুষ্ক মৌসুমে গঙ্গার পানি হ্রাস ও মরুময়তা • মিষ্টি পানি কমে সমুদ্রের লোনা পানি প্রবেশ • ১০ লাখ হেক্টরের বেশি জমি লবণাক্ত
• বর্ষায় একযোগে গেট খুলে আকস্মিক বন্যা • সুন্দরী গাছের 'শীর্ষ মরণ' রোগ বৃদ্ধি • ইলিশ ও গাঙ্গেয় ডলফিনের বিনাশ
ক) মরুময়তা ও বর্ষায় কৃত্রিম বন্যা
- শুষ্ক মৌসুমে খরা: জানুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে বাংলাদেশে পদ্মার পানিপ্রবাহ মারাত্মকভাবে কমে যায়। ফলে পদ্মা এবং এর শাখা নদীগুলো (গড়াই, মধুমতি, মাথাভাঙা) শুকিয়ে বালুচরে পরিণত হয়।
- বর্ষায় বন্যা ও নদীভাঙন: বর্ষাকালে উজানে পানি অতিরিক্ত বেড়ে গেলে ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজ্য বাঁচাতে ফারাক্কার সবগুলো গেট একসাথে খুলে দেওয়া হয়, যা বাংলাদেশে আকস্মিক বন্যা ও ভয়াবহ নদীভাঙন তৈরি করে।
খ) সুন্দরবনের ওপর মারাত্মক আঘাত
- লবণাক্ততার মাত্রা বৃদ্ধি: গড়াই ও মধুমতি নদীর মাধ্যমে সুন্দরবনে মিষ্টি পানির প্রবেশ কমে যাওয়ায় বঙ্গোপসাগরের লোনা পানি সুন্দরবনের গভীরে ঢুকে পড়ে।
- সুন্দরী গাছের ‘শীর্ষ মরণ’ (Top Dying Disease): মাত্রাতিরিক্ত লোনা পানির কারণে বনের প্রধান প্রজাতি সুন্দরী গাছ ওপর থেকে শুকিয়ে মারা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বনের প্রায় ২৮-৩০% সুন্দরী গাছ এই রোগে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
- বন্যপ্রাণীর পানীয় জলের সংকট: মিষ্টি পানির জলাধার শুকিয়ে যাওয়ায় রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণসহ অন্যান্য প্রাণীর পানের পানির তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে।
গ) কৃষি ও মৎস্য সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি
- আবাদি জমিতে লোনা পানি: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০ লাখ হেক্টরের বেশি কৃষি জমি লোনা পানির আগ্রাসনে পড়ে অনুর্বর হয়ে পড়েছে।
- ইলিশের পরিযায়ন পথ অবরুদ্ধ: ইলিশ মাছ ডিম ছাড়ার জন্য সাগর থেকে নদীর গভীর ও মিষ্টি পানির উজান স্রোতে উঠে আসে। ফারাক্কার কারণে পানির গভীরতা কমে মোহনায় চর জাগায় ইলিশের এই ঐতিহ্যবাহী পরিযায়ন পথ ধ্বংস হয়ে গেছে।
৩. ফারাক্কা বাঁধ ইস্যুতে ভারত কেন অনমনীয় ও আগ্রাসী অবস্থান নেয়?

আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে গঙ্গা পানি বণ্টন ও ফারাক্কা ইস্যুতে ভারতের অনমনীয় কৌশলের পেছনে প্রধান ৪টি ভূরাজনৈতিক ও অভ্যন্তরীণ কারণ কাজ করে:
১. ‘আপার রিপারিয়ান’ বা উজানের দেশের সুবিধাজনক অবস্থান
ভৌগোলিক কারণে ভারত গঙ্গার উজান অঞ্চলে অবস্থিত। আন্তর্জাতিক জলনীতিতে ভারত এই ‘উজান রাষ্ট্রের অবস্থান’-কে একটি কৌশলগত ভূরাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে, যাতে ভাটির দেশ বাংলাদেশের ওপর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাব বজায় রাখা যায়।
২. ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও অঙ্গরাজ্যগুলোর বিরোধিতা
ফারাক্কা ইস্যুটি শুধু দুই দেশের সীমান্তেই সীমাবদ্ধ নয়, ভারতের নিজস্ব রাজ্যগুলোর অভ্যন্তরীণ রাজনীতির সাথে যুক্ত:
- বিহারের আপত্তি: বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছেন যে, ফারাক্কা বাঁধের কারণে উজানে (বিহারে) গঙ্গা নদীতে অস্বাভাবিক পলি জমছে এবং প্রতি বছর রেকর্ড বন্যা হচ্ছে। তাই বিহার চায় বাঁধটি হয় ভেঙে ফেলা হোক, না হয় পানির পুনর্মূল্যায়ন করা হোক।
- পশ্চিমবঙ্গের অনমনীয়তা: পশ্চিমবঙ্গ সরকার নিজেদের কৃষি ও কলকাতা বন্দরের দোহাই দিয়ে গঙ্গার প্রবাহের একটি ফোঁটাও বাংলাদেশকে দিতে সম্মত হতে চায় না।
৩. দ্বিপাক্ষিক বনাম অববাহিকাভিত্তিক (Basin-wide) আলোচনা
গঙ্গার পানির বড় অংশ আসে নেপালের নদীগুলো থেকে। আন্তর্জাতিক নদী বিশেষজ্ঞরা বহুপাক্ষিক বা অববাহিকাভিত্তিক (বাংলাদেশ-ভারত-নেপাল) চুক্তির পরামর্শ দিলেও ভারত বিষয়টি শুধুমাত্র ‘দ্বিপাক্ষিক’ আলোচনার মধ্যে আটকে রাখতে চায়, যাতে তারা দরকষাকষিতে সুবিধাজনক অবস্থায় থাকে।
৪. ২০২৬ সালের চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ এড়ানোর চেষ্টা
১৯৯৬ সালের ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গা চুক্তিতে কোনো ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ (শুষ্ক মৌসুমে নদীপ্রবাহ যাই থাক না কেন বাংলাদেশকে আইনগতভাবে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি দেওয়ার গ্যারান্টি) ছিল না। ২০২৬ সালের নতুন চুক্তি নবায়নে বাংলাদেশ যাতে এই গ্যারান্টি ক্লজ জোরালোভাবে অন্তর্ভুক্ত করতে না পারে, সেজন্য ভারত কূটনৈতিক চাপ বজায় রাখার চেষ্টা করে।
৪. সংক্ষেপে: বাংলাদেশ ও ভারতের বর্তমান প্রেক্ষাপট
| বিষয় | চ্যালেঞ্জ / সমস্যা | বাংলাদেশের সম্ভাব্য সমাধান |
| ২০২৬ গঙ্গা চুক্তি নবায়ন | ১৯৯৬ সালের চুক্তিতে আইনি নিশ্চয়তা না থাকা | নতুন চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ ও রিয়েল-টাইম ডিজিটাল ডেটা শেয়ারিং যুক্ত করা। |
| একমুখী পানির নির্ভরতা | উজান থেকে পানি না পেলে নদী শুকিয়ে যাওয়া | নিজস্ব ‘পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প’ বাস্তবায়ন করে বর্ষার উদ্বৃত্ত পানি সঞ্চয় রাখা। |
| আন্তর্জাতিক আইনি প্রয়োগ | দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়া | ১৯৯৭ সালের জাতিসংঘের ‘আন্তর্জাতিক নদী ব্যবহার কনভেনশন’ অনুযায়ী বৈশ্বিক চাপ সৃষ্টি করা। |
তথ্যসূত্র ও রেফারেন্স:
- বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (BWDB): গঙ্গা পানিপ্রবাহ ও ফারাক্কা পয়েন্টের ঐতিহাসিক সমীক্ষা ফাইল।
- আন্তর্জাতিক নদী কনভেনশন (UN 1997 Convention): আঞ্চলিক ও অববাহিকাভিত্তিক পানি ব্যবহারের নীতিমালা।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI): উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি ও কৃষি বিপর্যয় সম্পর্কিত রিপোর্ট।
- পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় (MOEFCC): সুন্দরবনের সুন্দরী গাছের টপ-ডাইং ও ইকোসিস্টেম ক্ষয়ক্ষতি সমীক্ষা।
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।



