মডেল
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রভাবশালী পরিচালক হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায় আজও দর্শকদের মনের মণিকোঠায় আছেন। কেবল একজন সিনেমা মেকারই নয়, তিনি ছিলেন একজন অদ্বিতীয় স্টার মেকার, যার হাত ধরেই ভারতীয় চলচ্চিত্রে পরিচিতি লাভ করেছিলেন অনেক তারকা। অমিতাভ বচ্চন, রাজেশ খান্না, অমল পালেকর, জয়া ভাদুড়ির মতো তারকা অভিনেতাদের তিনি সিনেমা জগতে নিয়ে আসেন এবং তাঁদের প্রতিষ্ঠিত করেন।
হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়ের জীবনের প্রথম পাতা:
হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়ের জীবন শুরু হয়েছিল অন্য একটি দিক দিয়ে। তিনি বিএ পাশ করে স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেছিলেন, কিন্তু তাঁর মন একটানা সিনেমার জগতে ঘুরপাক খাচ্ছিল। স্কুলে শিক্ষকতা করতে করতে তিনি উপলব্ধি করেন যে তিনি যা করতে চাইছেন তা হলো সিনেমা। একদিন সেই সুযোগ তিনি পেয়ে যান। কলকাতার নিউথিয়েটার্স স্টুডিওতে যোগ দেন ক্যামেরাম্যান হিসেবে এবং সেখান থেকেই তাঁর সিনেমার জগতে প্রবেশ। শীঘ্রই তিনি ক্যামেরার কাজ ছেড়ে চলচ্চিত্র সম্পাদনা ও পরিচালনায় মনোনিবেশ করেন এবং বলিউডে নিজের পায়ের নিচে মাটি শক্ত করে দাঁড়ান।
পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রেরণা:
যুদ্ধের সময়, হৃষিকেশের পরিবার মুর্শিদাবাদে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে পারতো, কিন্তু তাঁরা পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন। পরিবারের বড় ছেলে রুমী মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন এবং মা জাহানারা ইমামও তার সন্তানকে অনুপ্রাণিত করতে পিছিয়ে যাননি। পরিবারের পুরো সদস্যই একযোগে দেশের মুক্তির জন্য আত্মত্যাগ করেন।
সূত্র:
- “জাহানারা ইমামের মুক্তিযুদ্ধের অবদান” – সংগ্রামী প্রতিবেদন
- “হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়ের সিনেমায় মুক্তিযুদ্ধের প্রভাব”
স্টার মেকিং ও হৃষিকেশের সিনেমার সাফল্য:
হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায় যে ক’টি ছবি বানিয়েছেন, তা ভারতের চলচ্চিত্র জগতে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ‘দো-বিঘা জামিন’, ‘দেবদাস’—এর মতো ছবির সম্পাদনায় কাজ করার পর, তিনি বোম্বাই সিনেমায় তারকা তৈরি করতে শুরু করেন। তিনি রাজেশ খান্না, অমিতাভ বচ্চন, জয়া ভাদুড়ি, অমল পালেকরের মতো তারকাদের পথপ্রদর্শক ছিলেন।
বহুল আলোচিত তাঁর ‘গুড্ডি’ ছবিতে জয়া ভাদুড়ির ক্যারিয়ার শুরু হয়। এর মাধ্যমে তিনি চলচ্চিত্রের জগতে প্রতিষ্ঠা পান এবং বিভিন্ন সফল ছবিতে কাজ করতে থাকেন। এছাড়া, হৃষিকেশের অন্যান্য ছবিগুলিও ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়, যেমন ‘আশীর্বাদ’, ‘সত্যকাম’, ‘চুপকে চুপকে’, ‘আনন্দ’ এবং আরও অনেক।
সূত্র:
- “হৃষিকেশের সৃষ্টি ও দর্শকপ্রিয়তা” – বিনোদন বিশেষ প্রতিবেদন
- “অমিতাভ বচ্চনের শিষ্যত্বে হৃষিকেশ”
ব্যতিক্রমী ছবি ও মানবিক গল্প:
হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়ের ছবি শুধু বাণিজ্যিকভাবে সফল ছিল না, তার গল্পের গভীরতা ও মানবিক দিকও সবার কাছে পৌঁছেছিল। ‘মুসাফির’ এবং ‘অনুরাধা’ ছবিতে তিনি সমাজের নানা সমস্যার ছবি তুলে ধরেছেন। তাঁর চলচ্চিত্রগুলোতে একদিকে যেমন সমাজের অবহেলিত জনগণের কথা ছিল, অন্যদিকে বিভিন্ন সম্পর্কের জটিলতা এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল।
‘গুড্ডি’ ছবির মাধ্যমে তিনি তরুণদের সিনেমার প্রতি অনুপ্রাণিত করেন এবং তাদের মধ্যে জীবনের আসল মূল্যবোধের সন্ধান দেন। ছবির সৃজনশীলতার মধ্যে ছিলেন এক অদ্ভুত মেলোড্রামা, যা প্রমাণ করে যে, তিনি শুধু একজন পরিচালক নন, একজন সৃজনশীল শিল্পী।
সূত্র:
- “সিনেমায় মানবিক দৃষ্টিকোণ: হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়” – চলচ্চিত্র বিশ্লেষণ
গল্প বলা ও মেলোড্রামার দক্ষতা:
হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়ের ছবি কখনোই একঘেয়ে ছিল না। ‘দো-বিঘা জামিন’ এবং ‘গুড্ডি’ এর মতো ছবি তৈরি করে তিনি অভিনয়, সুর, চিত্রনাট্য, এবং উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে এক নতুন দৃষ্টিকোণ তৈরি করেছিলেন। তার ছবির অদ্ভুত মেলোড্রামা এবং টানটান গল্প বলার পদ্ধতি তাকে এক বিশেষ জায়গায় নিয়ে গিয়েছিল, যেখানে দর্শকরা তাঁর ছবি দেখতে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছিলেন।
শেষকথা:
ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়ের অবদান অপরিসীম। তিনি শুধুমাত্র একটি প্রজন্মের সিনেমা পরিচালক ছিলেন না, বরং তিনি পুরো ইন্ডাস্ট্রির জন্য একজন স্টার মেকার, যিনি নিজের কাজে এক নতুন দিগন্তের সৃষ্টি করেছিলেন। তাঁর ছবির মাধ্যমে একটি প্রজন্মের চিত্রনাট্য এবং সামাজিক সত্যের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তিত হয়েছিল।
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।
বিষয়ঃ
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
বিভাগ: অপরাধ ও বিচার / চলচ্চিত্র অঙ্গন
প্রকাশের সময়: রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬ | রাত ০১:১৫ (বিএসটি)
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
বিশেষ আদালত ও অনুসন্ধান প্রতিবেদন: নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহর রহস্যজনক মৃত্যুর দীর্ঘ ৩০ বছর পর হত্যা মামলায় সবচেয়ে বড় অগ্রগতি দেখা গেছে। ২০২৬ সালের ৯ আগস্ট ভোররাতে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যাওয়ার সময় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মামলার ৪ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি খল অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডন-কে গ্রেফতার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ।

পরবর্তীতে তাঁকে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়। আদালতে জামিন নামঞ্জুর হওয়ার পর বর্তমানে তাঁকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি করছে সিআইডি।
১. মামলার চার্ট ও মূল আসামিদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ
দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ (পরিকল্পিত সংঘবদ্ধ হত্যা) ধারায় দায়ের করা এই হত্যা মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হক, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে।
[ সালমান শাহ হত্যা মামলার আসামিদের ভূমিকা ]
│
┌──────────────────────────────────┼──────────────────────────────────┐
▼ ▼ ▼
[ মূল পরিকল্পনাকারী (Masterminds) ] [ পেশাদার আঘাতকারী চক্র ] [ আলামত লোপাট ও সহায়তা ]
• সামিরা হক (স্ত্রী) • আশরাফুল হক ডন (৪ নম্বর আসামি) • লতিফা হক লুসি (শাশুড়ি/মধ্যস্থ)
• আজিজ মোহাম্মদ ভাই (ব্যবসায়ী) • ডেভিড, জাভেদ ও ফারুক • রাবেয়া সুলতানা রুবি (বিউটি পার্লার)
• রেজভি আহমেদ ফরহাদ • আব্দুস ছাত্তার ও সাজু
প্রধান প্রধান চাঞ্চল্যকর অভিযোগসমূহ:

- ১২ লাখ টাকার কিলিং কন্ট্রাক্ট: রাষ্ট্রপক্ষের দাবি ও অভিযোগ অনুযায়ী, সালমান শাহকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিতে আজিজ মোহাম্মদ ভাই এবং সামিরা হক যৌথভাবে ডন ও তার সহযোগীদের ১২ লাখ টাকার চুক্তি দিয়েছিলেন।
- আক্রোশ ও হোটেল সোনারগাঁও-এর ঘটনা: সামিরার সঙ্গে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের পরকীয়া সম্পর্কের অভিযোগের পাশাপাশি মৃত্যুর কিছুদিন আগে সোনারগাঁও হোটেলের এক পার্টিতে সামিরাকে আড়ালে নেওয়ার চেষ্টা করলে সালমান প্রকাশ্যে আজিজ মোহাম্মদ ভাইকে চড় মারেন। এর জেরেই তীব্র আক্রোশ তৈরি হয়।
- ক্লোরোফর্ম ও বিষাক্ত ইনজেকশন: ৬ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬ তারিখে সালমান শাহর বাসায় সশরীরে উপস্থিত হয়ে খুনিরা প্রথমে ক্লোরোফর্ম দিয়ে তাঁকে অচেতন করে এবং পরবর্তীতে বিশেষ বিষাক্ত ইনজেকশন পুশ করে মৃত্যু নিশ্চিত করে।
- আত্মহত্যার নাটক ও ফ্যানের সাথে ঝুলানো: মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর প্লাস্টিকের দড়ি দিয়ে সিলিং ফ্যানে মরদেহ ঝুলিয়ে আত্মহত্যার রূপ দেওয়া হয় এবং সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী ও পরিবারকে ঘরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়।
২. আসামিদের অপরাধভিত্তিক ভূমিকার তুলনামূলক তালিকা
| আসামি / পক্ষ | এজাহার অনুযায়ী ভূমিকা | বর্তমান আইনি অবস্থা |
| আশরাফুল হক ডন | শারীরিক শক্তি প্রয়োগ, হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ও আলামত নষ্ট | গ্রেফতার (৯ আগস্ট ২০২৬), জামিন না মঞ্জুর ও সিআইডি হেফাজতে |
| সামিরা হক ও আজিজ ভাই | প্রধান পরিকল্পনাকারী, চুক্তি প্রদান ও অনৈতিক আক্রোশ | দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, সিআইডির রেড অ্যালার্ট ও পলাতক |
| লতিফা হক লুসি | জামাতার প্রতি পারিবারিক আক্রোশ থেকে পেশাদার খুনিদের সাথে চুক্তি মধ্যস্থতা | পলাতক, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি |
| রাবেয়া সুলতানা রুবি | হত্যা সংঘটনে সহায়তা, ঘরের ভেতর থেকে আলামত দ্রুত সরিয়ে ফেলা | অভিযুক্ত আসামি (সাবেক লাইভ ভিডিওতে খুনের দাবি করেছিলেন) |
| রেজভি, ডেভিড ও ফারুক | জোরপূর্বক চেপে ধরা, বিষাক্ত ইনজেকশন পুশ ও পাহারা দেওয়া | ১৬৪ ধারায় পূর্বে স্বীকারোক্তি ও আসামি |
৩. সিআইডি (CID)-র বর্তমান তদন্ত প্রক্রিয়া ও সময়রেখা
[ সিআইডির বর্তমান পদক্ষেপসমূহ ]
│
┌─────────────────────────────────┼─────────────────────────────────┐
▼ ▼ ▼
[ ডনকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ ] [ সীমান্তে রেড অ্যালার্ট ] [ ৩০ আগস্টের ডেডলাইন ]
• জামিন নামঞ্জুরের পর ডনকে • সামিরা ও আজিজ ভাইসহ বাকি • আদালতের নির্দেশে আগামী ৩০ আগস্টের
মুখোমুখি করে তথ্য যাচাই। ১০ জনের দেশত্যাগে কড়া নিষেধাজ্ঞা। মধ্যে পূর্ণাঙ্গ চার্জশিট পেশ।
৪. লন্ডন থেকে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর ক্ষোভ ও দাবি

অভিনেতা ডন গ্রেফতারের খবরে লন্ডন থেকে গভীর প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী:
- “প্রকৃতির নিয়মে ডন ধরা পড়েছে”: নীলা চৌধুরী বলেন, “সালমানকে আত্মহত্যা নয়, সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। ডন আমার ছেলের মৃত্যুর পর তার নামে অপবাদ দিয়ে আমাকে অপমান করেছিল, আজ স্রষ্টার বিচারে সে ধরা পড়েছে।”
- সরকারের প্রতি আলটিমেটাম: ১৫ আগস্ট লন্ডনে ভক্তদের মানববন্ধনে যুক্ত হয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, ডন গ্রেফতার কেবল শুরু; সামিরা হক বা আজিজ মোহাম্মদ ভাই যেন কোনোভাবেই দেশ ছেড়ে পালাতে না পারেন। তাঁরা পালালে তার পুরো দায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকেই নিতে হবে।
- ৩০ আগস্ট নিরপেক্ষ চার্জশিটের দাবি: তিনি আকুতি জানান, দীর্ঘ ২৯ বছর ধরে তিনি একমাত্র বিচারের আশায় বেঁচে আছেন। সিআইডি যেন কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে নিরপেক্ষ প্রতিবেদন পেশ করে।
শেষ কথা:
১৯৯৭ সালের সিআইডি রিপোর্ট, ২০১৪ সালের বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং ২০২০ সালের পিবিআই রিপোর্ট—তিনটি সংস্থাই পূর্বে যেটিকে ‘অপমৃত্যু’ বলে দাবি করেছিল, আদালত তা বাতিল করে মামলাটিকে ‘পরিকল্পিত হত্যা মামলা’ (৩০২ ধারা) হিসেবে চালুর নির্দেশ দেওয়ায় তদন্তে নতুন গতি এসেছে। ৩০ আগস্ট সিআইডি আদালতে কী রিপোর্ট পেশ করে, সেদিকেই এখন পুরো দেশের নজর।
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।
বিখ্যাত ঐতিহাসিক ব্যক্তি
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
বিভাগ: বিনোদন / বিশেষ ফিচার
সম্পাদকীয় প্যানেল: কালচার ও এন্টারটেইনমেন্ট ডেস্ক
প্রকাশের সময়: রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬ | রাত ০১:০২ (বিএসটি)
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
বিশেষ ফিচার: শূন্য হাতে শূন্য থেকে শুরু করে আজ বিশ্ব চলচ্চিত্রের অন্যতম ধনীতম তারকা—শাহরুখ খান শুধু একটি নাম নন, একটি বৈশ্বিক অনুভূতি। তবে ভারতের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায় তাঁর পপুলারিটি ও গ্রহণযোগ্যতা যেন এক ভিন্ন মাত্রায় বিরাজ করে।
আজ আমরা আলোচনা করব কলকাতায় তাঁর অতিরিক্ত চাহিদার কারণ, তাঁর সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প, মোট সম্পত্তি এবং আগামী ২৪ ডিসেম্বর ২০২৬ মুক্তি প্রতীক্ষিত মেগা প্রজেক্ট ‘কিং’ নিয়ে।
১. কলকাতায় অন্যান্য তারকার চেয়ে শাহরুখ কেন এত বেশি প্রিয়?
বাঙালির আবেগ ও সংস্কৃতির সাথে শাহরুখ খানের সম্পর্ক কেবল একজন হিন্দি সিনেমার নায়কের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
[ কলকাতায় শাহরুখের রাজত্ব ]
│
┌────────────────────────────────────┼────────────────────────────────────┐
▼ ▼ ▼
[ KKR ও ফুটবলের শহর ] [ সাংস্কৃতিক দূত ] [ আবেগীয় বন্ধন ]
• কেকেআর-এর মাধ্যমে 'ঘরের ছেলে' • পশ্চিমবঙ্গের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর • বাংলায় কথা বলার আন্তরিক প্রচেষ্টা
• ইডেন গার্ডেন্সে তাঁর উপস্থিতি • কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবের (KIFF) মুখ • দেবদাস চরিত্রে বাঙালি হৃদয়ে স্থান
- আইপিএল ও কেকেআর (KKR): ২০০৮ সালে Kolkata Knight Riders-এর মালিকানা নেওয়ার পর থেকে শাহরুখ নিজেকে কলকাতার ব্র্যান্ডের সাথে একাত্ম করে ফেলেছেন।
- সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নিয়মিত মুখ: পশ্চিমবঙ্গের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে এবং প্রতিবছর কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে (KIFF) তাঁর উপস্থিতি বাঙালিদের কাছে পরম ভালোবাসার।
- শ্রদ্ধা ও বিনয়: মঞ্চে প্রবীণ বাঙালি শিল্পীদের (যেমন অমিতাভ বচ্চন, রাখী গুলজার বা শর্মিলা ঠাকুর) পা ছুঁয়ে প্রণাম করা এবং ভাঙা ভাঙা বাংলায় ভালোবাসা ব্যক্ত করা তাঁকে সাধারণ মানুষের আপন করে তুলেছে।

২. শূন্য থেকে আন্তর্জাতিক বাদশা: অনুপ্রেরণামূলক জীবনসংগ্রাম
- স্বজন হারানোর ট্র্যাজেডি: মাত্র ১৫ বছর বয়সে ক্যানসারে বাবাকে হারান এবং এর কিছুকাল পর মা লতিফ ফাতেমাকেও হারান।
- ১,৫০০ টাকা নিয়ে মুম্বাই আগমন: পকেটে মাত্র ১৫০০ টাকা নিয়ে ভাগ্য অন্বেষণে মুম্বাই এসে পৌঁছান শাহরুখ। বন্ধুরা ও মুম্বাইয়ের সৈকতই ছিল তাঁর রাতের আশ্রয়।
- অ্যান্টি-হিরো ঝুঁকি: নব্বইয়ের দশকে অন্য নায়কেরা যখন চকোলেট বয় ইমেজ ধরে রাখতে ব্যস্ত, শাহরুখ তখন ‘ডর’ ও ‘বাজিগর’-এর মতো অ্যান্টি-হিরো চরিত্রে অভিনয় করে বিশ্ব মাতান।
৩. একনজরে ক্যারিয়ারের সেরা সিনেমা ও বক্স অফিস রেকর্ড
| সিনেমা | ধরণ / ক্যাটাগরি | বৈশ্বিক কালেকশন | রোমাঞ্চকর অজানা তথ্য |
| দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে (DDLJ) | সর্বকালের সেরা ব্লকবাস্টার | ~৬১ কোটি রুপি (১৯৯৫) | শাহরুখ প্রথমে ছবিতে রোমান্টিক হিরো হতে চাননি, ডিরেক্টর জোর করে মানিয়েছিলেন। |
| দেবদাস | সাহিত্যনির্ভর ধ্রুপদী | ~১৬৮ কোটি রুপি (২০০২) | মদ্যপ দেবদাসের দৃশ্য নিখুঁত করতে শাহরুখ সেটে আসলেও সত্যি সামান্য মদ খেতেন। |
| স্বদেশ | সমালোচক-প্রশংসিত | আন্তর্জাতিক ব্যবসা সফল | এটিই প্রথম ভারতীয় ছবি যা আমেরিকার NASA সদর দপ্তরের ভেতরে শুট করা হয়। |
| জওয়ান | মেগা অ্যাকশন হিট | ১,১৬০ কোটি রুপি (২০২৩) | শাহরুখের ন্যাড়া মাথার লুকটি স্ক্রিপ্টে ছিল না, অন-দ্য-স্পট মাথায় এসে শুট করা হয়। |
৪. মন্নত ও সম্পদ সাম্রাজ্য: ২০২৬ সালের চিত্র
২০০ কোটি রুপি মূল্যের বিখ্যাত সমুদ্রমুখী প্রাসাদ ‘মন্নত’-এর অধিপতি শাহরুখ খান বর্তমানে পৃথিবীর অন্যতম ধনী তারকা।
[ ২০২৬ Hurun India Rich List অনুযায়ী ]
│
┌────────────────────────────────┼────────────────────────────────┐
▼ ▼ ▼
[ মোট সম্পদ ] [ উপার্জনের উৎস ] [ সন্তান ও লাক্সারি ]
• $১.৩ - $১.৪ বিলিয়ন • প্রযোজনা (Red Chillies) • সুহানা: Mercedes S-Class
(প্রায় ১২,৪৯০ কোটি রুপি) • KKR ফ্র্যাঞ্চাইজি ও সিনেমা • আরিয়ান: Mercedes AMG, BMW 7
ধর্মনিরপেক্ষ পারিবারিক পরিবেশ:
গৌরী খানের (বিবাহপূর্ব গৌরী ছিব্বর) সাথে ১৯৯১ সালে ঐতিহ্যবাহী বৈদিক হিন্দু মতে বিয়ে হয়। বিয়ের পরও গৌরী নিজের ধর্ম ত্যাগ করেননি। মন্নতে যেমন পবিত্র কোরআন স্থান পায়, তেমনই দুর্গা পূজা ও গণেশ চতুর্থী সমান মর্যাদায় পালিত হয়।
৫. ২০২৬-এর মেগা ধামাকা: ‘কিং’ (King)

চলতি ২০২৬ সালের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত বলিউড সিনেমা হলো সিদ্ধার্থ আনন্দ পরিচালিত ‘কিং’।
- মুক্তির তারিখ: ২৪ ডিসেম্বর ২০২৬ (ক্রিসমাস রিলিজ)।
- বাজেট: প্রায় ৩৫০ কোটি রুপি।
- কাস্ট: শাহরুখ খান (গ্যাংস্টার ডন), সুহানা খান (শিষ্য), অভিষেক বচ্চন (মূল ভিলেন)। দীপিকা পাড়ুকোন ও রানী মুখার্জি ক্যামিও চরিত্রে থাকছেন।
- বিশেষ আকর্ষণ: রিয়েল লাইফ বাবা-মেয়ে পর্দায় হাজির হচ্ছেন গুরু-শিষ্যের আন্ডারওয়ার্ল্ড চরিত্রে। ইউরোপের শুটিংয়ে প্রায় ৫০ কোটি রুপি খরচ করে আন্তর্জাতিক স্কেলের স্টান্ট অ্যাকশন করা হয়েছে।
শেষ কথা:
বলিউড থেকে বিশ্বমঞ্চ, আর কলকাতা থেকে সমগ্র বিশ্ব—শাহরুখ খানের প্রভাব কেবল তাঁর সিনেমা দিয়ে মাপা যায় না; বরং তাঁর মেধা, পরিশ্রম ও পারিবারিক উদারতা তাঁকে এক চিরন্তন কিংবদন্তিতে রূপ দিয়েছে।
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
বিশেষ প্রতিনিধি | ঢাক
“বিদ্রোহী” কিংবা “সাম্যবাদী” পরিচয়ের বাইরে কাজী নজরুল ইসলামের জীবন এতটাই বর্ণিল ও বৈচিত্র্যময় যে, সাধারণ কোনো ফ্রেমে তাঁকে বন্দি করা অসম্ভব। আমরা তাঁকে চিনি আমাদের ‘জাতীয় কবি’ হিসেবে, অনুধাবন করি তাঁর অগ্নিঝরা কবিতার শক্তি। কিন্তু পর্দার নেপথ্যে নারদমুনির বেশে তাঁর দুর্দান্ত অভিনয়, ফুটবল মাঠে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের হয়ে উল্লাস কিংবা সপ্তাহের নির্দিষ্ট একদিনের নীরব মৌনব্রতের কথা কজনই বা জানেন?
ইতিহাসের পাতা ও নজরুল গবেষকদের অনুসন্ধানে বিদ্রোহী কবির জীবনের এমন কিছু চাঞ্চল্যকর ও চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে, যা সাধারণ পাঠকের চোখের আড়ালেই রয়ে গেছে।
১. আইনি জটিলতার অবসান: এখন তিনি দাপ্তরিকভাবেও ‘জাতীয় কবি’
দীর্ঘ ৫২ বছর ধরে গণমানুষের হৃদয়ে ও পাঠ্যপুস্তকে ‘জাতীয় কবি’ হিসেবে পরিচিত থাকলেও দীর্ঘকাল ধরে কোনো আনুষ্ঠানিক সরকারি প্রজ্ঞাপন বা গেজেট ছিল না। অবশেষে ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় একটি ঐতিহাসিক গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলামকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের ‘জাতীয় কবি’ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
উক্ত গেজেটে উল্লেখ করা হয়, ১৯৭২ সালের ২৪ মে (কবির সপরিবারে প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশে আগমনের দিন) থেকেই এই রাষ্ট্রীয় মর্যাদাটি ভূতাপেক্ষভাবে (Retroactively) কার্যকর হবে। এর মাধ্যমে নজরুলের জাতীয় কবির খেতাব সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের দাপ্তরিক অস্পষ্টতার চিরসংগ্রাম শেষ হয়।
২. রূপালি পর্দায় অল-রাউন্ডার নজরুল: পরিচালক, অভিনেতা ও ‘সুর ভাণ্ডারি’

১৯৩১ থেকে ১৯৪২ সাল পর্যন্ত কলকাতার চলচ্চিত্রে নজরুল একাধারে সফল অভিনেতা, পরিচালক, চিত্রনাট্যকার এবং সংগীত পরিচালক হিসেবে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন:
[ নজরুল: টকি সিনেমার স্বর্ণযুগ (১৯৩১-১৯৪২) ]
│
┌─────────────────────────────────┼─────────────────────────────────┐
▼ ▼ ▼
[ অভিনয় ] [ পরিচালনা ] [ সংগীত ]
• 'ধ্রুব' (১৯৩৪): নারদ চরিত্র • সত্যেন্দ্রনাথের সাথে যৌথভাবে • 'জামাই ষষ্ঠী'-তে সুর ভাণ্ডারি
• 'পাতালপুরী': খনি শ্রমিক 'ধ্রুব' চলচ্চিত্র পরিচালনা • 'গোরা', 'বিদ্যাপতি', 'সাপুড়ে'
• 'হাল বাংলা': রসাত্মক চরিত্র • 'বেঙ্গল টাইগার পিকচার্স'-এর প্রধান ছবিতে বিখ্যাত কালজয়ী সুর
- দেবর্ষি নারদ চরিত্রে আত্মপ্রকাশ: ১৯৩৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ধ্রুব’ চলচ্চিত্রে নজরুল স্বয়ং ‘নারদ’ চরিত্রে অভিনয় করেন। কেবল অভিনয়ই নয়, এই ছবির ১৮টির মধ্যে ১৭টি গান তাঁর লেখা ছিল এবং তিনি নিজে ৪টি গানে কণ্ঠ দিয়েছিলেন।
- সুর ভাণ্ডারি: ১৯৩১ সালে নির্মিত প্রথম বাংলা সবাক ছবি ‘জামাই ষষ্ঠী’-তে সুরকার ও গায়কদের উচ্চারণ শুধরে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করায় তাঁকে সেসময় চলচ্চিত্র পাড়ায় ‘সুর ভাণ্ডারি’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি ‘গোরা’ (১৯৩৮) সিনেমার সংগীতেও তাঁর সুরের জাদুকরী ছোঁয়া ছিল।
৩. লাল-হলুদ ব্রিগেডের ইস্টবেঙ্গল সমর্থক
আজকের ফুটবল উন্মাদনার বহু আগেই কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ‘ইস্টবেঙ্গল ক্লাব’-এর অন্ধ ভক্ত। মাঠে গিয়ে খেলা দেখার পাশাপাশি ১৯৩৪ সালে ইস্টবেঙ্গল দল যখন আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে ওঠে, তখন প্রিয় ক্লাবের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের উৎসাহ দিতে তিনি একটি উদ্দীপনামূলক গানও রচনা করেছিলেন।
৪. সুস্থ অবস্থাতেও বৃহস্পতিবারের ‘মৌনব্রত’
জীবনের শেষ ৩৪টি বছর নজরুল ‘পিকস ডিজিজ’ (Pick’s Disease) নামের স্নায়বিক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে নির্বাক কাটিয়েছেন। তবে প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী মোস্তফা জামান আব্বাসী ও কবি পরিবারের স্মৃতি থেকে জানা যায়—নজরুল যখন শতভাগ সুস্থ ও চঞ্চল ছিলেন, তখনও তিনি আধ্যাত্মিক চর্চার অংশ হিসেবে সপ্তাহে একদিন (বৃহস্পতিবার) সম্পূর্ণ নীরব বা মৌনব্রত পালন করতেন। এই দিনটিতে তিনি কারো সাথে কথা বলতেন না।
৫. আসানসোলের রুটির দোকান থেকে ময়মনসিংহের স্কুল

আমাদের জাতীয় কবির প্রতিভা বিকাশের নেপথ্যে অন্যতম অবদান ছিল এক পুলিশ অফিসারের। আসানসোলের রুটির দোকানে কাজ করা কিশোর নজরুলের অসাধারণ মেধা লক্ষ্য করে দারোগা কাজী রফিজ উদ্দিন তাঁকে নিজ দায়িত্বে ময়মনসিংহের ত্রিশালের দরিরামপুর স্কুলে এনে ভর্তি করিয়ে দেন।
পরবর্তীতে ১৯১৭ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে নজরুল ‘৪৯তম বাঙালি ব্যাটালিয়ন’-এর সৈনিক হিসেবে করাচি সেনানিবাসে যোগ দেন এবং পদোন্নতি পেয়ে ‘হাবিলেদার’ পদে উন্নীত হন।
৬. রবীন্দ্রনাথের সেই ঐতিহাসিক অনশন ভাঙার বার্তা
১৯২৩ সালে রাজনৈতিক কারণে হুগলি জেলে বন্দী থাকাকালীন ব্রিটিশদের অন্যায়ের প্রতিবাদে নজরুল টানা ৩৯ দিন আমরণ অনশন করেন। কবির সংকটাপন্ন অবস্থা দেখে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শিলং থেকে টেলিগ্রাম পাঠিয়েছিলেন:
“GIVE UP HUNGER STRIKE. OUR LITERATURE CLAIMS YOU.”
ব্রিটিশ জেল কর্তৃপক্ষ চরম হীনম্মন্যতার পরিচয় দিয়ে টেলিগ্রামটির গায়ে “Addressee not found” লিখে ফেরত পাঠায়। পরবর্তীতে মাতৃসম বিরজাসুন্দরী দেবী জেলে গিয়ে লেবুর রস খাইয়ে কবির অনশন ভাঙান।
৭. অসাম্প্রদায়িক চেতনার মূর্ত প্রতীক
১৯২৮ সালে রচিত তাঁর ‘চল চল চল’ গানটি স্বাধীন বাংলাদেশে সামরিক বাহিনীর অফিশিয়াল রণসঙ্গীত (National Marching Song) হিসেবে সংরক্ষিত। তিনি একদিকে যেমন লিখেছিলেন ‘ও মন রমজানের ওই রোজার শেষে’, তেমনি অন্য হাতে সৃষ্টি করেছিলেন ৫০০-র বেশি কালজয়ী ‘শ্যামাসঙ্গীত’ ও ভজন। অসাম্প্রদায়িক চেতনার লালন করতেই তিনি নিজের সন্তানদের নাম রেখেছিলেন দুই ধর্মের সংস্কৃতির সমন্বয়ে—’কাজী কৃষ্ণ মোহাম্মদ’ এবং ‘কাজী অনিরুদ্ধ’।
সংগৃহীত তথ্যসূত্র ও রেফারেন্স:
- সরকারি প্রজ্ঞাপন দাপ্তরিক কপি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় গেজেট (২৪ ডিসেম্বর ২০২৪)।
- জাতীয় আর্কাইভ ও নজরুল ইনস্টিটিউট: কাজী নজরুল ইসলামের জীবন ও সাহিত্য কর্মসংকলন।
- চলচ্চিত্র ইতিহাস গ্রন্থ: বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিবৃত্ত ও কাজী নজরুল ইসলাম (বাংলা একাডেমি প্রকাশনা)।
- স্মৃতিগ্রন্থ: মোস্তফা জামান আব্বাসী লিখিত নজরুলের স্মৃতিকথা।
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।


