অর্থনীতি

উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদিত ২০২৫–২৬ অর্থবছরের ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বাজেট
বাজেট অনুমোদন

নিউজ ডেস্ক

June 22, 2025

শেয়ার করুন

আজ আনুষ্ঠানিক অনুমোদন, ১ জুলাই থেকে কার্যকর হচ্ছে বাজেট

২০২৫–২৬ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট আজ রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদন পেয়েছে। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে আয়োজিত এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস

আগে থেকেই ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী আজ রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমেই বাজেটটি পাস করা হবে এবং ১ জুলাই ২০২৫ থেকে এটি কার্যকর হবে

মূল তথ্য এক নজরে: ২০২৫–২৬ অর্থবছরের বাজেট

বিষয়ের নামবিবরণ
মোট বাজেট৭,৯০,০০০ কোটি টাকা
বাজেট পাসের পদ্ধতিঅধ্যাদেশের মাধ্যমে
বাজেট অনুমোদনউপদেষ্টা পরিষদে
সভাপতিত্ব করেছেনপ্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
কার্যকর তারিখ১ জুলাই ২০২৫
রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরআজই অর্থবিলে স্বাক্ষর করবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

জনমত গ্রহণ: অনলাইনে বাজেট নিয়ে মতামত দেওয়ার সুযোগ

সরকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণার পর সাধারণ নাগরিকদের অনলাইনে মতামত দেওয়ার সুযোগ দেয়, যা আগের বছরের চেয়ে নতুন ও বেশি অংশগ্রহণমূলক একটি পদক্ষেপ বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

অংশ নিয়েছে:

  • অর্থনীতিবিদ
  • গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  • বেসরকারি সংস্থা
  • নাগরিক সমাজ

তবে কিছু প্রস্তাবনায় আপত্তি এলেও, বাজেট কাঠামোয় তেমন বড় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি, জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বাজেটের মূল লক্ষ্য ও কাঠামো (সামগ্রিক আলোচনা)

এই বাজেটের মূল লক্ষ্য—

  • মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা
  • কর্মসংস্থান তৈরি
  • সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার
  • রাজস্ব ঘাটতি হ্রাস
  • অবকাঠামো উন্নয়ন

অর্থনীতি বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতিতে এই বাজেট দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে

বিশেষ দৃষ্টিকোণ: কেন অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাজেট পাস হচ্ছে?

বর্তমানে নির্বাচিত সংসদ না থাকায় এবং অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় থাকায়, সংবিধানের আলোকে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমেই বাজেট অনুমোদন ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ ধরনের প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ইতিহাসে দ্বিতীয়বার ঘটল।

FAQs (প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন):

Q1: বাজেটের মোট পরিমাণ কত?
→ ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা

Q2: বাজেট অনুমোদন কোথায় হয়েছে?
→ উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে

Q3: বাজেট কবে থেকে কার্যকর হবে?
→ ১ জুলাই ২০২৫

Q4: বাজেট পাসের পদ্ধতি কী?
→ রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে

Q5: জনগণের মতামতের ভিত্তিতে কি কোনো পরিবর্তন আনা হয়েছে?
→ উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি, তবে মতামত নেওয়া হয়েছে

প্রতিবেদক: BDS Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ

বিষয়ঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

মাসে ৫০ হাজার টাকা আয়

নিউজ ডেস্ক

March 13, 2026

শেয়ার করুন

বিশ্লেষক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ

ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ‘মাসে ৫০,০০০ টাকা আয়’—এটি আর কোনো স্বপ্ন নয়, বরং অনেকের কাছেই একটি বাস্তবসম্মত লক্ষ্য। তবে রাতারাতি এই আয় নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। প্রয়োজন সঠিক দিকনির্দেশনা, ধৈর্য এবং একটি নির্দিষ্ট দক্ষতায় (Skill) বিশেষত্ব অর্জন। বর্তমানে বাংলাদেশে যারা এই আয়ের মাইলফলক অতিক্রম করছেন, তাদের কৌশলগুলো বিশ্লেষণ করে ৪টি কার্যকর ও প্রমাণিত উপায় নিচে তুলে ধরা হলো:

১. ফ্রিল্যান্সিং: দক্ষতার সঠিক ব্যবহার

যেকোনো ডিজিটাল স্কিল আয়ত্ত করে আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেসগুলোতে (যেমন- Upwork, Fiverr) কাজ করা বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায়।

  • পেশা নির্বাচন: গ্রাফিক ডিজাইন, এসইও (SEO), কন্টেন্ট রাইটিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং।
  • সফলতার সূত্র: শুধু কাজ জানা যথেষ্ট নয়, ক্লায়েন্টের সাথে যোগাযোগ ও প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টের দক্ষতা ৫০ হাজার টাকা আয়ের পথকে সুগম করে। একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার একাধিক ক্লায়েন্টের সাথে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে কাজ করে সহজেই এই লক্ষ্য পূরণ করতে পারেন।

২. ব্লগিং ও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং: প্যাসিভ আয়ের উৎস

আপনি যদি লিখতে ভালোবাসেন, তবে একটি নিস-বেজড (Niche-based) ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন।

  • আয়ের প্রক্রিয়া: গুগল অ্যাডসেন্স (Google AdSense), অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এবং স্পন্সরড কন্টেন্ট।
  • কৌশল: প্রথমে ট্রাফিক বা ভিজিটর তৈরি করতে ৩-৬ মাস সময় বিনিয়োগ করতে হয়। একবার সাইটটি র‍্যাংক করলে নিয়মিত আর্টিকেল লেখার মাধ্যমে এখান থেকে একটি বড় অংকের প্যাসিভ ইনকাম তৈরি করা সম্ভব।

৩. সোশ্যাল মিডিয়া ও ভিডিও কনটেন্ট ক্রিয়েশন

ইউটিউব বা ফেসবুক মনিটাইজেশন এখন বাংলাদেশে আয়ের একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম।

  • বিষয়বস্তু: শিক্ষা, টেক টিপস, ফুড রিভিউ, ভ্রমণ বা শিক্ষামূলক ভিডিও।
  • আয়ের উৎস: মনিটাইজেশন থেকে বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ড কোলাবরেশন এবং নিজস্ব পণ্যের প্রচারণা। ধারাবাহিকতা বজায় রাখলে কন্টেন্ট ক্রিয়েশন থেকে ৫০ হাজার টাকা আয় করা সময়ের ব্যাপার মাত্র।

৪. ই-কমার্স ও ছোট অনলাইন ব্যবসা

ফেসবুক পেজ বা নিজস্ব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সরাসরি পণ্য বিক্রি বর্তমান তরুণ প্রজন্মের আয়ের বড় উৎস।

  • সোর্সিং: সরাসরি পাইকারি বাজার বা চীন থেকে প্রয়োজনীয় পণ্য (যেমন- গ্যাজেট, লাইফস্টাইল পণ্য) আমদানি করে স্থানীয় মার্কেটে বিক্রি।
  • কৌশল: ফেসবুক বিজ্ঞাপন (FB Ads) ব্যবহার করে টার্গেট অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছানো এবং দ্রুত ডেলিভারি নিশ্চিত করা। এটি একটি বাস্তব ব্যবসা, যেখানে মুনাফার হার অনেক বেশি।

বিডিএস বুলবুল আহমেদ-এর চূড়ান্ত পর্যবেক্ষণ:

৫০ হাজার টাকা আয়ের লক্ষ্যপূরণে সবচেয়ে বড় বাধা হলো ‘শর্টকাট খোঁজা’। যারা দ্রুত ধনী হওয়ার পথ খোঁজেন, তারা সাধারণত ব্যর্থ হন। আমার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, যে কোনো একটি স্কিলকে প্রফেশনাল পর্যায়ে নিতে ৩ থেকে ৬ মাস নিবিড় পড়াশোনা ও চর্চা প্রয়োজন। ডিজিটাল দুনিয়ায় কাজের অভাব নেই, অভাব আছে দক্ষ কর্মীর। আপনি যদি আজ থেকেই ধৈর্য ধরে কোনো একটি ডিজিটাল স্কিল শিখতে শুরু করেন, তবে অদূর ভবিষ্যতে শুধু ৫০ হাজার কেন, লাখ টাকা আয় করাও অসম্ভব নয়।


বিশ্লেষক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ

দেশের অর্থনৈতিক ও ডিজিটাল ব্যবসার সমসাময়িক বিশ্লেষণ পেতে নিয়মিত চোখ রাখুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।

সূত্র: ১. বর্তমান বাংলাদেশের অনলাইন কর্মসংস্থানের বাজারের চাহিদা ও প্রবণতা। ২. সফল ফ্রিল্যান্সার ও অনলাইন উদ্যোক্তাদের অভিজ্ঞতালব্ধ ডেটা বিশ্লেষণ।

জ্বালানি নিরাপত্তা ২০২৬ বাংলাদেশ - পালস বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক

March 11, 2026

শেয়ার করুন

জ্বালানি নিরাপত্তা ২০২৬: ভারত থেকে ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনে ডিজেল সরবরাহ শুরু, কাটবে সংকট

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | ১১ মার্চ, ২০২৬

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যেও দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ২০২৬ নিশ্চিত করতে এক বড় মাইলফলক স্পর্শ করেছে বাংলাদেশ। আজ বুধবার থেকে ‘ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন’-এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ডিজেল আমদানি ও সরবরাহ শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলেও, এই পাইপলাইনের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি প্রাপ্তি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই পাইপলাইনের মাধ্যমে বছরে প্রায় ১.৮ লাখ টন ডিজেল সরাসরি বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের ডিপোগুলোতে পৌঁছাবে। এতে পরিবহন খরচ কমার পাশাপাশি সময়ও সাশ্রয় হবে।

জ্বালানি সংকট ও বিকল্প ব্যবস্থা

জ্বালানি নিরাপত্তা ২০২৬ পরিকল্পনার অধীনে সরকার অভ্যন্তরীণ মজুদ বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে। বিশেষ করে কৃষি ও শিল্প উৎপাদন সচল রাখতে ডিজেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারি থেকে আসা এই ডিজেল উচ্চমানের এবং পরিবেশবান্ধব।

বর্তমানে লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে সমস্যার কারণে আন্তর্জাতিক রুটে তেলবাহী ট্যাংকার আসতে দেরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে স্থলপথে পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি আসা বাংলাদেশের জন্য একটি কৌশলগত বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সাশ্রয়ী মূল্যে ডিজেল ও অর্থনৈতিক প্রভাব

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পাইপলাইনের সুফল সরাসরি পাবেন দেশের কৃষক ও পরিবহন মালিকরা। নৌপথ বা রেলপথে তেল পরিবহনে যে সিস্টেম লস এবং অতিরিক্ত খরচ হতো, পাইপলাইনে তা শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে। এর ফলে ভবিষ্যতে ডিজেলের দাম অভ্যন্তরীণ বাজারে আরও সমন্বয় করা সম্ভব হতে পারে, যা সরাসরি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে সাহায্য করবে।

বিশেষ বিশ্লেষণ ও মন্তব্য

বিশ্লেষক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ এই জ্বালানি নীতি নিয়ে বিশ্লেষক বিডিএস বুলবুল আহমেদ জানান, “জ্বালানি নিরাপত্তা ২০২৬ অর্জনে আঞ্চলিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ কেবল অর্থনীতির চাকা সচল রাখে না, এটি নাগরিকের মানবাধিকার ও উন্নয়ন নিশ্চিত করে। সামাজিক সমতা বজায় রাখতে হলে জ্বালানির ন্যায্য মূল্য এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা জরুরি। এই পাইপলাইন প্রকল্পটি দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি ঝুঁকি হ্রাসে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।”

বিস্তারিত বিশ্লেষণ পেতে নিয়মিত চোখ রাখুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।

স্বর্ণের দাম ২০২৬ বাংলাদেশ - পালস বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক

March 11, 2026

শেয়ার করুন

স্বর্ণের দাম ২০২৬: বাংলাদেশে প্রতি ভরিতে কমলো ৫০০০ টাকা, স্বস্তি ক্রেতাদের মাঝে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | ১১ মার্চ, ২০২৬

আন্তর্জাতিক বাজারে দরপতন এবং ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল হওয়ায় স্বর্ণের দাম ২০২৬ এর ইতিহাসে আজ সবথেকে বড় পতন ঘটেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (BAJUS) আজ সকালে এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) স্বর্ণের দাম প্রতি ভরিতে ৫,০০০ টাকা কমানো হয়েছে। নতুন এই দাম আজ বুধবার বিকেল থেকেই সারাদেশে কার্যকর হচ্ছে।

বাজুস জানিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে স্বর্ণের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ায় মূল্যবান এই ধাতুর দাম বিশ্ববাজারে কমতে শুরু করেছে। এর সুফল সরাসরি পাচ্ছেন বাংলাদেশের সাধারণ ক্রেতারা।

নতুন মূল্য তালিকা ও বাজুসের সিদ্ধান্ত

স্বর্ণের দাম ২০২৬ এর নতুন সংশোধিত তালিকা অনুযায়ী: ১. ২২ ক্যারেট: প্রতি ভরি বিক্রি হবে ১,০৫,০০০ টাকায় (পূর্বের দাম থেকে ৫,০০০ টাকা কম)। ২. ২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি বিক্রি হবে ১,০০,০০০ টাকায়। ৩. ১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি বিক্রি হবে ৮৬,০০০ টাকায়।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক জানিয়েছেন, “আমরা চাই বাজার স্থিতিশীল থাকুক। ক্রেতারা যাতে ন্যায্য মূল্যে স্বর্ণ অলঙ্কার কিনতে পারেন, সেজন্যই আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সমন্বয় করে দাম কমানো হয়েছে।” বিশেষ করে সামনে বিয়ের মৌসুম হওয়ায় এই দরপতন সাধারণ মানুষের জন্য বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছে।

বাজার পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, স্বর্ণের দাম ২০২৬ এর এই পতন বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি বড় সুযোগ হতে পারে। দেশের বড় বড় জুয়েলারি শোরুমগুলোতে খবর নিয়ে জানা গেছে, দাম কমার ঘোষণার পর থেকেই ক্রেতাদের আনাগোনা বহুগুণ বেড়ে গেছে। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে আগামীতে দাম আরও বাড়তে বা কমতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষ বিশ্লেষণ ও মন্তব্য

বিশ্লেষক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ এই বাজার দর পরিবর্তন নিয়ে বিশ্লেষক বিডিএস বুলবুল আহমেদ জানান, “স্বর্ণের দাম ২০২৬ এর এই পতন মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য একটি বড় সুযোগ। স্বর্ণ কেবল বিলাসিতার বস্তু নয়, এটি একটি আপদকালীন সম্পদ। বাজার নিয়ন্ত্রণে স্বচ্ছতা থাকলে সাধারণ মানুষ তাদের কষ্টের আয়ের সঠিক বিনিয়োগ করতে পারে। এটি সামাজিক সমতা ও মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি অংশ।”

সামাজিক সমতা, মানবাধিকার ও শ্রমের মর্যাদা নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ পেতে নিয়মিত চোখ রাখুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।

বিষয়ঃ

১লা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ