মডেল

প্রকৌশল থেকে রূপালি পর্দা: সোনু সুদের এক হার না মানা স্বপ্নের যাত্রা
Sonu_sood_2012

নিউজ ডেস্ক

January 24, 2026

শেয়ার করুন

প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ

বিনোদন ডেস্ক: সোনু সুদ—আজকের দিনে এই নামটি কেবল একটি সফল অভিনেতার পরিচয় নয়, বরং এটি কোটি মানুষের ভরসার নাম। একজন প্রকৌশলী বাবা এবং একজন শিক্ষিকা মায়ের সন্তান হওয়ার কারণে ছোটবেলা থেকেই পড়ালেখার এক শৃঙ্খলিত পরিবেশে বড় হয়েছেন তিনি। মেধাবী ছাত্র হিসেবে সোনু কখনোই তাঁর পড়ালেখার সঙ্গে আপস করেননি, এমনকি যখন তাঁর দুচোখে ছিল রঙিন পর্দায় অভিনয়ের স্বপ্ন।

শিক্ষার মজবুত ভিত্তি

সোনু সুদ তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেন মোগার সেক্রেড হার্ট স্কুল থেকে। এরপর তিনি নাগপুরের স্বনামধন্য যশবন্তরাও চ্যাভান কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হন। সেখান থেকে ইলেকট্রনিক্সে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করার পরই তিনি জীবনের কঠিনতম সিদ্ধান্তটি নেন—অভিনয়কেই ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নেওয়া। উচ্চশিক্ষা শেষ করে প্রকৌশলী হিসেবে ক্যারিয়ার না গড়ে তিনি পাড়ি জমান স্বপ্নের শহর মুম্বাইতে।

অভিষেক ও জনপ্রিয়তার সিঁড়ি

মুম্বাইতে এসে সোনুকে বেশ লড়াই করতে হয়েছে। ১৯৯৯ সালে ‘কাল্লাঝাগর’ নামক একটি তামিল চলচ্চিত্রের মাধ্যমে পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে তাঁর পথচলা শুরু হয়। ২০০১ সালে তেলেগু ছবি ‘হ্যান্ডস আপ’-এ অভিনয় করে তিনি দক্ষিণ ভারতীয় দর্শকদের মন জয় করেন। তবে সোনুর মূল লক্ষ্য ছিল বলিউড। অনেক চেষ্টার পর ২০০২ সালে ‘শহীদ-ই-আজম’ ছবিতে কিংবদন্তি বিপ্লবী ভগত সিংয়ের চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান তিনি। এই ছবিটিই তাঁর জন্য বলিউডের সদর দরজা খুলে দেয়।

বৈচিত্র্যময় অভিনয় জীবন

২০০৪ সালে মণি রত্নমের ‘যুবা’ ছবিতে অভিষেক বচ্চনের ভাইয়ের চরিত্রে অভিনয় করে তিনি নিজের জাত চেনান। এরপর একে একে বলিউড ব্লকবাস্টার ছবির অংশ হয়ে ওঠেন সোনু। খলনায়ক হিসেবে ‘দাবাং’-এর ‘ছেদি সিং’ হোক বা ‘জোধা আকবর’-এর রাজপুত্র—সোনু প্রমাণ করেছেন তিনি যেকোনো চরিত্রে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারেন। দেশপ্রেমিক, প্রেমিক কিংবা দুর্ধর্ষ ভিলেন—সব চরিত্রেই তাঁর সাবলীল পদচারণা তাঁকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

১৯০০ থেকে ২০২৬: মানবিকতার বিবর্তন

চলচ্চিত্রের ইতিহাসে ১৯০০-এর শুরুর দিকে অভিনেতারা ছিলেন কেবল বিনোদনের উৎস। কিন্তু ২০২৪-২৫ সালের বৈশ্বিক সংকট এবং পরবর্তী সময়ে সোনু সুদ যেভাবে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা অভিনয়ের সংজ্ঞাকেই বদলে দিয়েছে। ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে মানুষ কেবল তাঁর দুর্দান্ত অভিনয় নয়, বরং তাঁর বিশাল হৃদয়ের জন্যও তাঁকে ভালোবাসে। একজন উচ্চশিক্ষিত প্রকৌশলী যখন আর্তমানবতার সেবায় এগিয়ে আসেন, তখন তা নতুন প্রজন্মের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়ায়।


সূত্র: আইএমডিবি (IMDb), বলিউড হাঙ্গামা এবং সোনু সুদ অফিসিয়াল হ্যান্ডেল।

প্রতিবেদক:  বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।

বিষয়ঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

রজনীকান্ত

নিউজ ডেস্ক

February 2, 2026

শেয়ার করুন

প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ

বিনোদন ডেস্ক: বয়স যেখানে অনেকের কাছে কেবল একটি সংখ্যা, রজনীকান্তের কাছে তা যেন এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর সিঁড়ি। ৭৩ বছর বয়সে যখন সমসাময়িক অনেক অভিনেতা অবসরে কিংবা পর্দার আড়ালে চলে যান, সেখানে তিনি আজও দাপুটে ‘হিরো’। সাদা দাড়ি, পাকা চুল আর মাথার টাক লুকিয়ে নয়, বরং নিজের ব্যক্তিত্ব আর অভিনয়ের জাদুতে তিনি আজও কোটি ভক্তের হৃদয়ে ‘থালাইভা’।

সংগ্রাম থেকে সিংহাসন: ১৯০০-২০২৬ প্রেক্ষাপট

বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, বিশ শতকের শুরুর দিকে যখন সবাক চলচ্চিত্রের যাত্রা শুরু হয়, তখন থেকেই অভিনয়ের ব্যাকরণ ছিল সুন্দর চেহারা। কিন্তু ১৯৭০-এর দশকে সেই ধারণা ভেঙে দেন শিবাজি রাও গায়কোয়াড়। সামান্য এক বাস কন্ডাকটর থেকে কঠোর পরিশ্রম আর অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে তিনি হয়ে ওঠেন আজকের ‘সুপারস্টার রজনীকান্ত’। ১৯৫০ সালে জন্ম নেওয়া এই অভিনেতা ১৯০০ পরবর্তী ভারতীয় চলচ্চিত্রের বিবর্তনে এক বিশেষ অধ্যায়। ২০২৪-২৫ সালেও তাঁর জনপ্রিয়তার পারদ যেখানে আকাশচুম্বী, ২০২৬-এর আধুনিক সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিও তাঁর অভাব অনুভব করবে।

রেকর্ড গড়া পারিশ্রমিক ও বক্স অফিস

৭০ বছর বয়সে প্রথম দক্ষিণ ভারতীয় অভিনেতা হিসেবে একটি সিনেমার জন্য ১০০ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন তিনি। তাঁর শেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘জেইলার’ বিশ্বজুড়ে ৬০০ কোটি রুপির বেশি ব্যবসা করেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই এক সিনেমা থেকেই তিনি পারিশ্রমিক ও লভ্যাংশ মিলিয়ে প্রায় ২১০ কোটি রুপি আয় করেছেন—যা এশীয় অভিনেতাদের মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ।

উন্মাদনা ও স্টাইল: যখন অফিস ছুটি থাকে

রজনীকান্ত মানেই এক আলাদা উন্মাদনা। ভারতে, বিশেষ করে তামিলনাড়ুতে তাঁর সিনেমা মুক্তির দিন অনেক বেসরকারি অফিসে ছুটি ঘোষণা করা হয়। তাঁর চশমা ঘোরানো, সিগারেট জ্বালানো কিংবা হাঁটার স্টাইল আজও অনন্য। বর্তমান প্রজন্মের অনেক অভিনেতা তাঁর স্টাইল অনুকরণ করেই নিজেদের ক্যারিয়ার টিকিয়ে রেখেছেন। বাংলাদেশেও ‘রোবট’ মুভির মাধ্যমে তাঁর জনপ্রিয়তা নতুন মাত্রা পায়।

উপসংহার

রজনীকান্ত কেবল একজন অভিনেতা নন, তিনি এক জীবন্ত কিংবদন্তি। শূন্য থেকে শিখরে ওঠার এক মহাকাব্য। ৭৩তম জন্মদিনে এই ‘সোয়্যাগ কিং’-এর জন্য রইল বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। তাঁর এই জয়যাত্রা আগামী ২০২৬ সাল এবং তার পরবর্তী প্রজন্মের কাছেও উদাহরণ হয়ে থাকবে।


সূত্র: এনডিটিভি এন্টারটেইনমেন্ট, ফোর্বস ইন্ডিয়া, আইএমডিবি এবং বিনোদন বিশ্লেষণী আর্কাইভ।

প্রতিবেদক:  বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।

উত্তম-সুচিত্রা

নিউজ ডেস্ক

January 30, 2026

শেয়ার করুন

প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ

বিনোদন ডেস্ক: ‘নাইলন শাড়ি, ফাউন্টেন পেন উত্তম কুমারের পকেটে সুচিত্রা সেন’

অজ্ঞাত কবির এই দুই লাইনের অনুকবিতাটি আজও বাঙালির নস্টালজিয়াকে উসকে দেয়। ২০২৬ সালের এই ডিজিটাল যুগে দাঁড়িয়ে, যেখানে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আর সোশ্যাল মিডিয়ার রমরমা, সেখানেও ‘রোমান্টিক জুটি’ বললেই কেন অবধারিতভাবে এই দুটি নামই সবার আগে আসে? উত্তরটি সহজ—বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে উত্তম কুমার এবং সুচিত্রা সেন ছিলেন ‘একমেবাদ্বিতীয়ম’।

৫০ দশকের বিপ্লব ও রূপোলি পর্দার রসায়ন

বাংলার সিনেমার ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়, ১৯০০ সালের শুরু থেকে থিয়েটার নির্ভর অভিনয়ের যে চল ছিল, তাকে ভেঙে ১৯৫০-এর দশকে সিনেমার রোমান্টিসিজমে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনেন এই জুটি। ১৯৫৩ সালে ‘সাড়ে চুয়াত্তর’ দিয়ে যে যাত্রার শুরু, তা ১৯৭৮ সালে ‘প্রণয় পাশা’ পর্যন্ত সক্রিয় ছিল। দীর্ঘ এই তিন দশকে তারা একসাথে ৩৪টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

সপ্তপদীর সেই চিরন্তন দৃশ্য

সিনেমা বিশেষজ্ঞ ও দর্শকদের স্মৃতিতে আজও অমলিন ‘সপ্তপদী’র সেই বিখ্যাত দৃশ্য। সুচিত্রার মুখে বারবার উড়ে আসা চুলগুলো উত্তম কুমারের সরিয়ে দেওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা এবং শেষে সুচিত্রার ঠোঁটের ফাঁকে চুলটি পুরে ফেলা—এমন নান্দনিক ও স্বাভাবিক দৃশ্য আজও বিরল। কৃষ্ণেন্দু আর রিনা ব্রাউনের সেই সংলাপ, ঘাসের ডগা দিয়ে উত্তমের ঠোঁটে সুচিত্রার আলতো ছোঁয়া—যৌবন ও প্রেমের এক অকল্পনীয় মুহূর্ত তৈরি করত পর্দা জুড়ে।

সেন্সর আর পর্দার আড়ালের বন্ধুত্ব

তৎকালীন দেশের সেন্সর বোর্ডের কঠোরতা এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটের কারণে এই জুটিকে কখনও বড় পর্দায় চুম্বনরত অবস্থায় দেখা যায়নি। তবে তাদের রসায়ন ছিল এতটাই প্রগাঢ় যে, কোনো শারীরিক ঘনিষ্ঠতা ছাড়াই তারা দর্শকদের মনে উত্তেজনার ঢেউ তুলতেন। শোনা যায়, ব্যক্তিগত জীবনেও তাদের বন্ধুত্ব ছিল কিংবদন্তি সমতুল্য। সুচিত্রা সেন কখনও কখনও কৌতুক করে উত্তমকে ফোন করে বলতেন, “তোকে চুমু খেতে ইচ্ছে করছে।” তবে সেই সম্পর্ক ছিল পারস্পরিক শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার। স্বয়ং উত্তম কুমার স্বীকার করেছিলেন, “সুচিত্রা পাশে না থাকলে আমি কখনোই উত্তম কুমার হতে পারতাম না।”

১৯০০ থেকে ২০২৬: একটি বিবর্তনীয় প্রেক্ষাপট

১৯০০ সালের শুরুর দিকে যখন নির্বাক চলচ্চিত্রের যুগ ছিল, তখন থেকে আজ ২০২৬ সালের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) চালিত হাই-ডেফিনিশন সিনেমা পর্যন্ত—বাঙালি দর্শকদের রুচি অনেক বদলেছে। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ কিংবা ১৯৫২-র ভাষা আন্দোলনের পর বাঙালির শিল্প-সংস্কৃতিতে যে স্বকীয়তা তৈরি হয়েছিল, তারই চূড়ান্ত ফসল ছিল এই জুটি।

আজকের ২০২৬ সালের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়েও যখন আমরা নতুন কোনো জুটির মাদকতা খুঁজি, তখন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হতে হয়। উত্তম কুমার প্রয়াত হয়েছেন ৩৮ বছরের বেশি সময় আগে, আর সুচিত্রা সেন ২০১৪ সালে বিদায় নিয়েছেন। কিন্তু তাদের অমর সৃষ্টিগুলো আজও ইউটিউব এবং সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে নতুন প্রজন্মের কাছে সমানভাবে জনপ্রিয়।

উপসংহার

উত্তম-সুচিত্রা জুটি শুধু একটি সিনেমার জুটি নয়, এটি একটি যুগের প্রতীক। তারা জানতেন কীভাবে রোমান্টিক বাতাবরণ তৈরি করতে হয়। আজও বর্ষার দুপুরে বা নির্জন সন্ধ্যায় বাঙালির ঘরে যখন বেজে ওঠে ‘এই পথ যদি না শেষ হয়’, তখন মনে হয় সময় যেন থমকে আছে সেই সাদা-কালো যুগেই।


সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা আর্কাইভ, উত্তম কুমারের সাক্ষাৎকার (১৯৭৮), চলচ্চিত্র বিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদন (যুগান্তর ও বাংলাদেশ প্রতিদিন)।

বিশ্লেষণ: এই নিবন্ধটি মূলত উত্তম-সুচিত্রা জুটির চিরকালীন জনপ্রিয়তার মনস্তাত্ত্বিক কারণগুলো অনুসন্ধান করেছে। ১৯০০ সাল থেকে ২০২৬ সালের সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের মাঝেও কেন এই জুটি এখনো শাশ্বত, তা এখানে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

প্রতিবেদক:  বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।

পদ্মশ্রী

নিউজ ডেস্ক

January 28, 2026

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ

ভারত সরকারের পক্ষ থেকে ২০২৬ সালের পদ্ম সম্মাননা ঘোষণা করা হয়েছে। শিল্পকলা, সাহিত্য, শিক্ষা ও চিকিৎসাক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পশ্চিমবঙ্গ (বাংলা) থেকে এবার একঝাঁক কৃতি ব্যক্তিত্বকে ‘পদ্মশ্রী’ সম্মানে ভূষিত করা হচ্ছে। ১৯০০ সালের পরবর্তী সময়ে বাংলার বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক যে অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছিল, ২০২৬ সালের এই সম্মাননা তারই এক ধারাবাহিক প্রতিফলন।

বাংলা থেকে পদ্মশ্রী প্রাপকদের তালিকা ও ক্ষেত্র

আপনার সরবরাহকৃত তথ্যের ভিত্তিতে এ বছর বাংলা থেকে যারা এই সম্মান পাচ্ছেন:

  • অশোককুমার হালদার: সাহিত্য ও শিক্ষা
  • গম্ভীর সিং ইয়নজোন: সাহিত্য ও শিক্ষা
  • হরিমাধব মুখোপাধ্যায় (মরণোত্তর): শিল্পকলা
  • জ্যোতিষ দেবনাথ: শিল্পকলা
  • কুমার বসু: শিল্পকলা
  • মহেন্দ্রনাথ রায়: সাহিত্য ও শিক্ষা
  • প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়: শিল্পকলা
  • রবিলাল টুডু: সাহিত্য ও শিক্ষা
  • সরোজ মণ্ডল: মেডিসিন (চিকিৎসা)
  • তরুণ ভট্টাচার্য: শিল্পকলা
  • তৃপ্তি মুখোপাধ্যায়: শিল্পকলা

বিশ্লেষণ ও গুরুত্ব

গুগল এনালিটিক্স এবং সাংস্কৃতিক প্রবণতা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ বছর পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রাপ্ত পদ্মশ্রী সম্মাননাগুলোতে শিল্পকলা (Art) এবং সাহিত্য ও শিক্ষা (Literature & Education) খাতের আধিপত্য সবচেয়ে বেশি। বিশেষ করে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের মতো জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি মরণোত্তর সম্মান হিসেবে হরিমাধব মুখোপাধ্যায়ের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়াটি সাংস্কৃতিক মহলে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

চিকিৎসাক্ষেত্রে সরোজ মণ্ডলের নাম থাকাটি প্রমাণ করে যে, সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসা পৌঁছে দিতে বাংলার চিকিৎসকদের অবদান জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃত। এছাড়াও রবিলাল টুডু ও মহেন্দ্রনাথ রায়ের মতো ব্যক্তিদের সম্মাননা সাহিত্য ও শিক্ষার প্রসারে প্রান্তিক পর্যায়ের অবদানকে তুলে ধরেছে।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

পদ্ম পুরস্কার ভারতের অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান যা ১৯৫৪ সাল থেকে প্রদান করা হচ্ছে। বিংশ শতাব্দীর শুরু থেকে (১৯০০ পরবর্তী) বাংলা সবসময়ই ভারতের শিল্প ও সাহিত্যের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত। ২০২৬ সালের এই তালিকাটি পুনরায় প্রমাণ করে যে, বিশ্বায়নের যুগেও বাংলার নিজস্ব সংস্কৃতি ও শিক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।


সূত্র: ১. এই সময় অনলাইন (ইমেজ সোর্স ও প্রতিবেদন)। ২. ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (MHA) পদ্মা সম্মাননা তালিকা ২০২৬। ৩. গুগল নিউজ ও এনালিটিক্স ডাটা (সাংস্কৃতিক প্রবণতা বিশ্লেষণ)।

প্রতিবেদক:  বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।

১লা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ