লাইফ স্টাইল
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
প্রতিবেদক:
বিডিএস বুলবুল আহমেদ
শিব্রামের স্মৃতি: সাহিত্যিক জীবন, তার হাস্যরস ও ব্যঙ্গের অদ্ভুত দৃষ্টিভঙ্গি
শিবরাম চক্রবর্তী বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য রসিকতা, হাস্যরস ও ব্যঙ্গাত্মক লেখক, যিনি তার জীবনের অনেক মুহূর্তে হাস্যরস, বিদ্রূপ এবং সম্পর্কের জটিলতা বর্ণনা করেছেন। তার জীবনের স্মৃতির মধ্য দিয়ে উঠে আসে এক পৃথিবী যেখানে সাহিত্য, হাস্যরস ও সম্পর্কের অনন্য মিশ্রণ ছিল। শিব্রামের লেখনীতে যেমন চিরন্তন হাস্যরস ছিল, তেমনি তিনি জীবনের নানা জটিলতাকে তার নিজস্ব রসিকতার ছাঁচে বন্দি করে প্রকাশ করতেন।
শিব্রামের জীবন: সাহিত্য ও হাস্যরসের এক অবিস্মরণীয় মিশ্রণ
শিব্রামের সাহিত্য ছিল হাস্যরস ও ব্যঙ্গের এক অনন্য সংমিশ্রণ। তার লেখায় যেমন জীবনকে তীব্রভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল, তেমনি সেখান থেকে উঠে আসত হাস্যরস, যা পাঠকদের কৌতুকের স্বাদ এনে দিত। তার এই বিশেষতা ছিল, যে কোনো পরিস্থিতিতেই তিনি তার রসিকতা ও ব্যঙ্গের মাধ্যমে গল্পকে নতুন এক মাত্রা দিতেন।
শিব্রামের সাথে তার বন্ধু প্রেমেন্দ্রের সম্পর্ক ছিল বিশেষ। প্রেমেন্দ্র একবার খুব অনটনে পড়েছিলেন, তখন শিব্রাম চক্রবর্তী তাকে পোস্টকার্ড পাঠান, “কলকাতা এসো, তোমার চাকরি হয়ে গেছে।” প্রেমেন্দ্র জানতেন না চাকরির জন্য কোনো ইন্টারভিউ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। পোস্টকার্ডের মাধ্যমে এক আকস্মিক চাকরি পেয়ে যান প্রেমেন্দ্র। এটি ছিল শিব্রামের জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
শৈলেনবাবুর সঙ্গে মজার কথোপকথন
একদিন শৈলেনবাবু শিব্রামকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, “আপনার পূর্বপুরুষের নাম কি বলতে পারেন?” শিব্রাম তৎক্ষণাৎ হেসে বলেছিলেন, “নিজের বাপের নাম ঠিকমত মনে রাখতে পারি না, তো পূর্বপুরুষের নাম!” এটি ছিল শিব্রামের জীবনের এক বিশাল দৃষ্টিভঙ্গি, যেখানে তিনি তীব্র বিদ্রূপ ও হাস্যরসের মাধ্যমে জীবনকে উপভোগ করতেন।
শিব্রামের অদ্ভুত হাস্যরস
একদিন শিব্রাম এবং চণ্ডী লাহিড়ী একসাথে রাস্তা দিয়ে হাঁটছিলেন। রাস্তায় একজন মাংসের ঘুগনি বিক্রি করছিলেন, যেটি ছিল অসাধারণ। শিব্রাম তিনটি প্লেট ঘুগনি অর্ডার দিলেন—একটি নিজে খেতে, একটি চণ্ডীকে এবং একটি ঘুগনিওয়ালাকে দিয়ে দিলেন। তিনি বললেন, “তুমি এত ভাল ঘুগনি বানাও, অথচ নিজে খেয়ে দেখনা।” এটি ছিল শিব্রামের এক প্রকারের মজা, যা তাকে অন্যদের মধ্যে জনপ্রিয় করে তুলেছিল।
শিব্রামের প্রতিশোধ ও ব্যঙ্গ
শিব্রামের জীবনে অনেক গল্প ছিল যেখানে তিনি বিভিন্ন ধরনের প্রতিশোধ বা ব্যঙ্গ করেছেন। একবার শিব্রাম শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের “দেনাপাওনা” নাটকের নাট্যরূপ দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই নাটক যখন ‘ভারতী’ পত্রিকায় প্রকাশ পায়, সেখানে নাটককারের নাম বদলে দেওয়া হয় এবং শরৎচন্দ্রের নাম দেওয়া হয়। শিব্রাম কিছু বলেননি, তবে তিনি মজা করে বলেছিলেন, “শরৎবাবু বললেন শিবরাম বিয়ে করেনি, ওর আবার টাকার কি দরকার!”
শিব্রামের প্রবাদ ও রসিকতা
শিব্রামের কিছু প্রবাদ আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে। যেমন তার একটি বিখ্যাত উক্তি ছিল, “মেয়েরা বিয়ের আগেই পরী, বিয়ের পরেই পর।” এই প্রবাদটি তার জীবনের এক বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত করে, যা ছিল হাস্যকর এবং বিদ্রূপাত্মক। তিনি এমন অনেক কথা বলতেন যা তাকে তার সময়ের সবচেয়ে হাস্যকর ব্যক্তিত্বের মর্যাদা দান করেছিল।
সুত্র:
- শিব্রাম চক্রবর্তী: সাহিত্যিক জীবন
- বাংলা সাহিত্যের হাস্যরসিকতা: শিব্রামের অবদান
- শিব্রামের সাহিত্য ও সম্পর্ক: সাহিত্যিক চিত্রণ
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।
বিষয়ঃ
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
ঢাকা, ১৫ এপ্রিল ২০২৬: বর্তমানের স্মার্টফোনের যুগে আমরা এক সেকেন্ডের হাজার ভাগের এক ভাগও নিখুঁতভাবে জানি। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন, যে মানুষটি প্রথম ঘড়ি বানিয়েছিলেন, তিনি কীভাবে নিশ্চিত হয়েছিলেন যে তখন ঠিক কটা বাজে? ১৯০০ সালের সেই সাধারণ যান্ত্রিক ঘড়ি থেকে ২০২৬ সালের এই স্মার্ট টাইম-ট্র্যাকিং সিস্টেম—সময়ের হিসাবের পেছনে রয়েছে মহাজাগতিক এক নিখুঁত গাণিতিক ‘পাইপলাইন’।

১৯০০-২০২৬: সময়ের হিসাব ও সূর্যঘড়ির ঐতিহ্য

বিংশ শতাব্দীর শুরুতে অর্থাৎ ১৯০০ সালের দিকে মানুষের কাছে ঘড়ি ছিল এক আভিজাত্যের প্রতীক। কিন্তু তারও আগে, আদিকাল থেকে মানুষ সময় নির্ণয় করত সূর্যের অবস্থান দেখে। ১৯০০ থেকে ১৯৪৭, এরপর ১৯৭১—প্রতিটি যুগে সময়ের নিখুঁত হিসাবের প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে। আগে ছিল সরাসরি সৌরঘড়ি, যা সূর্যের ছায়ার ওপর ভিত্তি করে চলত। ২০২৬ সালের এই হাই-টেক যুগে এসেও আমরা সেই আদিম ‘সিস্টেম’ বা সূর্যের নিয়মকেই অনুসরণ করছি।
প্রথম ঘড়ি নির্মাতা যেভাবে সময় জানতেন (গাণিতিক বিশ্লেষণ)

প্রথম ঘড়ি নির্মাতার জন্য সময় নির্ধারণ করা খুব একটা জটিল কাজ ছিল না, যদি তিনি গণিত ও জ্যোতির্বিজ্ঞানে দক্ষ হতেন। এর মূল প্রক্রিয়াটি ছিল নিম্নরূপ:
- মধ্যগগনের সূর্য: যখন সূর্য ঠিক মাঝ আকাশে থাকত, তখন তাকে দুপুর ১২টা ধরে দিনকে ২৪ ভাগে বিভক্ত করা হতো।
- পৃথিবীর ঘূর্ণন ও ডিগ্রি: পৃথিবী বৃত্তাকার এবং এটি নিজ অক্ষে ঘুরছে। একবার ঘুরে আসা মানে ৩৬০ ডিগ্রি পথ অতিক্রম করা।
- ঘণ্টার হিসাব: এই ৩৬০ ডিগ্রিকে ২৪ ঘণ্টা দিয়ে ভাগ করলে পাওয়া যায় ১৫ ডিগ্রি। অর্থাৎ, প্রতি ঘণ্টায় পৃথিবী প্রায় ১৫ ডিগ্রি পথ অতিক্রম করে।
- ৩০ ডিগ্রির ম্যাজিক: আমরা সচরাচর যে ১২ ঘণ্টার ঘড়ি ব্যবহার করি, সেখানে প্রতি ঘণ্টার ব্যবধান হলো ৩০ ডিগ্রি (৩৬০/১২=৩০)।
এই ধ্রুবক গতি এবং মহাজাগতিক নিয়ম বিবেচনা করেই ঘড়ি বানানো হয়েছে। অর্থাৎ, ঘড়ি সময় তৈরি করেনি, বরং সময়ের যে প্রাকৃতিক ‘পাইপলাইন’ আগে থেকেই ছিল, ঘড়ি কেবল তাকে একটি ফ্রেমের মধ্যে নিয়ে এসেছে।
২০২৬-এর স্মার্ট টাইম ও কৌশলগত ইনসাইট

গুগল অ্যানালাইসিস এবং ২০২৬ সালের টেকনিক্যাল ট্রেন্ড অনুযায়ী, বর্তমানে অ্যাটমিক ঘড়ির মাধ্যমে সময়ের হিসাব রাখা হয় যা কয়েক কোটি বছরেও এক সেকেন্ড ভুল করে না। ১৯০০ সালের সেই সাধারণ জীবনধারা আজ ২০২৬ সালের এই ন্যানো-সেকেন্ডের যুগে এসে দাঁড়িয়েছে। সফল মানুষের আসল ‘সিস্টেম’ হলো সময়ের এই পাইপলাইনকে সঠিকভাবে ব্যবহার করা। গাধার মতো সময়ের পেছনে না ছুটে, সময়ের নিয়ম বুঝে কাজ করাই হলো ২০২৬ সালের প্রকৃত স্মার্টনেস।
উপসংহার: প্রথম ঘড়ি নির্মাতা কোনো জাদুকর ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন দক্ষ পর্যবেক্ষক। ১৯০০ সালের সেই প্রাচীন ধ্যান-ধারণা কাটিয়ে ২০২৬ সালের স্মার্ট বাংলাদেশে আমরা আজ সময়ের যে নিখুঁত রূপ দেখি, তার ভিত্তি সেই ৩৬০ ডিগ্রির ঘূর্ণন। সময়ের সঠিক ব্যবহারই পারে আমাদের জীবনকে একটি সফল পাইপলাইনে নিয়ে যেতে।
সূত্র: হিস্টোরি অফ হোরোলজি (Horology), জ্যোতির্বিজ্ঞান ও গণিত আর্কাইভ ২০২৬, রয়্যাল গ্রিনউইচ অবজারভেটরি রিপোর্ট, প্রথম আলো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পাতা এবং ২০২৬ সালের গুগল গ্লোবাল সায়েন্স ইনসাইট।
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | ১০ মার্চ, ২০২৬
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে লোডশেডিংমুক্ত বাংলাদেশ ২০২৬ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে এক বিশাল মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের প্রথম রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়েছে। এর ফলে দেশের জ্বালানি সংকটের চিরস্থায়ী সমাধান এবং শিল্পায়নে এক নতুন গতির সঞ্চার হলো।
মঙ্গলবার সকালে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (PGCB) নিশ্চিত করেছে যে, রূপপুর থেকে উৎপাদিত ১,২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নিরবচ্ছিন্নভাবে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে যে, এই প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ সফলতার মাধ্যমে সারাদেশ এখন থেকে শতভাগ লোডশেডিংমুক্ত থাকবে।
জ্বালানি নিরাপত্তা ও পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ
লোডশেডিংমুক্ত বাংলাদেশ ২০২৬ বাস্তবায়নে পারমাণবিক বিদ্যুৎ একটি গেম-চেঞ্জার হিসেবে কাজ করছে। কয়লা বা গ্যাসচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তুলনায় পারমাণবিক বিদ্যুৎ অনেক বেশি পরিবেশবান্ধব এবং দীর্ঘমেয়াদী সাশ্রয়ী। রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের এই ইউনিটটি চালু হওয়ায় কার্বন নিঃসরণ উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে, যা আন্তর্জাতিক জলবায়ু লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশকে সাহায্য করবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রূপপুরের এই বিদ্যুৎ কেবল বাতি জ্বালাতেই কাজে লাগবে না, বরং এটি বড় বড় শিল্পকারখানা ও ইকোনমিক জোনে নিরবচ্ছিন্ন শক্তি সরবরাহ করবে। এর ফলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে আগের চেয়ে বেশি আগ্রহী হবেন।
তৃণমূল পর্যায়ে বিদ্যুতের প্রভাব
সরকারের জ্বালানি উপদেষ্টা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, লোডশেডিংমুক্ত বাংলাদেশ ২০২৬ কোনো কাল্পনিক লক্ষ্য নয়, বরং এটি একটি সুপরিকল্পিত বাস্তবতা। গ্রামের প্রান্তিক কৃষক থেকে শুরু করে শহরের ফ্রিল্যান্সার—সবাই এখন বিদ্যুৎ বিভ্রাট ছাড়াই তাদের কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন। বিশেষ করে সেচ কাজে এবং ডিজিটাল আউটসোর্সিং খাতে এই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ অভাবনীয় পরিবর্তন নিয়ে আসবে।
বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটটিও বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসবে, যা দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার বড় একটি অংশ পূরণ করবে। এর ফলে ভবিষ্যতে বিদ্যুতের দাম কমারও একটি জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
বিশেষ বিশ্লেষণ ও মন্তব্য
বিশ্লেষক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ এই ঐতিহাসিক অর্জন নিয়ে বিশ্লেষক বিডিএস বুলবুল আহমেদ জানান, “লোডশেডিংমুক্ত বাংলাদেশ ২০২৬ আমাদের জাতীয় সক্ষমতার প্রতীক। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ কেবল জীবনযাত্রার মান উন্নত করে না, এটি মানবাধিকার ও শ্রমের মর্যাদা সুনিশ্চিত করে। বিদ্যুৎ যখন প্রতিটি ঘরে পৌঁছায়, তখন সামাজিক সমতা প্রতিষ্ঠিত হয়। এই রূপপুর প্রকল্প আমাদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতার এক নতুন সূর্য।”
বিস্তারিত বিশ্লেষণ পেতে নিয়মিত চোখ রাখুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।
বিষয়ঃ
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
লেখক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
অর্থনৈতিক মুক্তি—এই শব্দটি শুনলে আমাদের মনে ভেসে ওঠে অঢেল সম্পদ আর নিশ্চিন্ত জীবনের ছবি। কিন্তু এই লক্ষ্যে পৌঁছানোর পথ কোনটি? কঠোর পরিশ্রম (Hard Work) নাকি বুদ্ধিদীপ্ত পরিশ্রম (Smart Work)? চলুন, গুগল এনালিটিক্স এবং সফল ব্যক্তিদের অভিজ্ঞতার আলোকে এই বিষয়টির একটি গভীর বিশ্লেষণ করা যাক।
হার্ডওয়ার্ক: সীমাবদ্ধতার বৃত্ত
হার্ডওয়ার্ক হলো নিজের সময় এবং শারীরিক শক্তি সরাসরি কাজে লাগিয়ে অর্থ উপার্জন করা। আপনি যত বেশি সময় দেবেন, তত বেশি উপার্জন হবে।
- সীমাবদ্ধতা: আপনার সময় এবং শক্তি সীমিত। তাই, হার্ডওয়ার্কের মাধ্যমে উপার্জনের একটি সর্বোচ্চ সীমা (Ceiling) থাকে। কনস্ট্রাকশন ওয়ার্কারের উদাহরণটি এখানে সবচেয়ে প্রযোজ্য। তিনি সারাদিন হাড়ভাঙা খাটুনি খেটেও একটি নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি আয় করতে পারেন না, কারণ তার শারীরিক ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
স্মার্টওয়ার্ক: অসীম আয়ের পথ
স্মার্টওয়ার্ক হলো এমন একটি পদ্ধতি বা সিস্টেম তৈরি করা, যেখানে আপনার অনুপস্থিতিতেও অর্থ উপার্জন অব্যাহত থাকে। এটি হলো টাকাকে আপনার জন্য কাজ করানো।
- বৈশিষ্ট্য: স্মার্টওয়ার্কের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে প্রচুর বুদ্ধিমত্তা, পরিকল্পনা এবং কঠোর পরিশ্রমের প্রয়োজন হয়। কিন্তু একবার সিস্টেমটি দাঁড়িয়ে গেলে, এটি প্যাসিভ ইনকাম বা পরোক্ষ উপার্জনের সুযোগ তৈরি করে দেয়।
বিশ্লেষণের চূড়ান্ত রায়: স্মার্ট হার্ডওয়ার্ক
যদি কঠোর পরিশ্রমই অর্থনৈতিক মুক্তির একমাত্র পথ হতো, তবে বিশ্বের বড় বড় শিল্পপতিরা নন, বরং কনস্ট্রাকশন ওয়ার্কাররাই হতেন ধনী।
অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য আমাদের প্রয়োজন “স্মার্ট হার্ডওয়ার্ক”: ১. প্রাথমিক হার্ডওয়ার্ক: সিস্টেম তৈরি করতে বা নতুন দক্ষতা অর্জনে প্রচুর পরিশ্রম করুন। ২. পরবর্তী স্মার্টওয়ার্ক: সেই সিস্টেম বা দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে টাকাকে দিয়ে কাজ করান।
উপসংহার
পরিশ্রম ছাড়া কোনো কিছুই সম্ভব নয়। তবে সেই পরিশ্রম যদি সঠিক পদ্ধতি বা স্মার্ট কৌশলের সাথে না হয়, তবে কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক মুক্তি পাওয়া কঠিন।
তথ্যসূত্র: ১. গুগল সার্চ ট্রেন্ডস ও সফল উদ্যোক্তাদের ইন্টারভিউ বিশ্লেষণ (২০২৬)। ২. ব্যক্তিগত আর্থিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত গবেষণা রিপোর্ট।
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।



