টেক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
তথ্যপ্রযুক্তির এই দ্রুতগতির যুগে আমরা যখন এখন টেরাবাইট (TB) স্টোরেজ নিয়ে কথা বলি, তখন ২০১০ সালের একটি ৮ জিবি পেনড্রাইভের স্মৃতি আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যায় এক নস্টালজিক সময়ে। একজন প্রযুক্তিপ্রেমী জানান, তাঁর প্রথম পেনড্রাইভটি ছিল ৮ জিবির, যা তিনি ২০১০ সালে ১০০০ টাকায় কিনেছিলেন। সেই সময়ের সেই ১০০০ টাকা এবং ৮ জিবি স্টোরেজ ছিল আজকের তুলনায় অনেক বেশি মূল্যবান।
প্রযুক্তির বিবর্তন: ১৯০০ থেকে ২০২৬
বাংলাদেশের মানুষ তথ্যের আদান-প্রদান এবং সংরক্ষণের ক্ষেত্রে গত এক শতাব্দীতে এক অভাবনীয় পরিবর্তন দেখেছে।
- ১৯০০ – ১৯৪৭: ব্রিটিশ শাসনামলে তথ্য সংরক্ষণের একমাত্র মাধ্যম ছিল কাগজ এবং নথিপত্র। ১৯০৬ সালে যখন মুসলিম লীগ গঠিত হয়, তখন সব তথ্য হাতে লিখে বা টাইপরাইটারে সংরক্ষণ করা হতো।
- ১৯৫২ – ১৯৭১: ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সময় তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যম ছিল রেডিও এবং ছাপাখানা। ডিজিটাল স্টোরেজের কোনো অস্তিত্ব তখন ছিল না।
- ১৯৯০ – ২০০৮: নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে বাংলাদেশে ফ্লপি ডিস্কের (Floppy Disk) প্রচলন শুরু হয়, যার ক্যাপাসিটি ছিল মাত্র ১.৪৪ মেগাবাইট। এরপর আসে সিডি (CD), যার ধারণক্ষমতা ছিল ৭০০ মেগাবাইট।
- ২০১০ – ২০২৪: ২০১০ সালের দিকে ইউএসবি পেনড্রাইভ সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আসতে শুরু করে। তখন ১০০০ টাকায় ৮ জিবি বা ৪ জিবি পেনড্রাইভ পাওয়া যেত। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পর ডিজিটাল তথ্যের গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পায় এবং ক্লাউড স্টোরেজ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
- ২০২৫ – ২০২৬: ২০২৬ সালের বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে আমরা দেখছি পেনড্রাইভের প্রয়োজনীয়তা অনেক কমে গেছে। এখন সবাই হাই-স্পিড ৫জি ইন্টারনেট ব্যবহার করে ক্লাউডে (Cloud Storage) ডাটা সেভ করে। কিন্তু ২০১০ সালে কেনা সেই প্রথম পেনড্রাইভটি আজও অনেকের কাছে কেবল একটি মেমোরি স্টিক নয়, বরং সংগ্রামের প্রতীক।
স্মৃতি ও বাস্তবতা
২০১০ সালে ১০০০ টাকায় কেনা সেই ৮ জিবি পেনড্রাইভটি আজও সচল থাকা একটি বিস্ময়কর ব্যাপার। বর্তমানে ২০২৬ সালে ১০০০ টাকায় হয়তো ১২৮ জিবি বা ২৫৬ জিবির পেনড্রাইভ পাওয়া সম্ভব। তবে নিজের জমানো টাকায় ছোট মামার দোকান থেকে কেনা সেই প্রথম পেনড্রাইভটির আবেগ কোনো নতুন প্রযুক্তি দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়।
সূত্র: ১. বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিবর্তন প্রতিবেদন (১৯৯০-২০২৬)। ২. টেকনোলজি মার্কেট ডাটাবেস (২০১০-২০২৬)। ৩. ঐতিহাসিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: গবেষক বিডিএস বুলবুল।
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।
বিষয়ঃ
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো রেল ট্রায়াল রান: যানজটমুক্ত ঢাকার নতুন লিগ্যাসি শুরু
বিশেষ বিশ্লেষক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ | পালস বাংলাদেশ ১২ মার্চ, ২০২৬ (বৃহস্পতিবার)
আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো রেল ট্রায়াল রান আজ বাংলাদেশের যাতায়াত ইতিহাসে এক নতুন স্বর্ণাক্ষরের সূচনা করল। রাজধানীর তীব্র যানজট থেকে মুক্তি পেতে বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত বিস্তৃত দেশের প্রথম পাতাল রেলের পরীক্ষামূলক চলাচল বা ট্রায়াল রান আজ সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০২৬ সালের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি বাংলাদেশের আধুনিক যোগাযোগ অবকাঠামোর এক অনন্য মাইলফলক।
ঢাকার পাতাল পথে নতুন দিগন্ত
আজকের এই আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো রেল ট্রায়াল রান কেবল একটি যান্ত্রিক পরীক্ষা নয়, বরং এটি ২০৩১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার একটি বড় পদক্ষেপ। এমআরটি লাইন-১ (MRT Line-1) প্রকল্পের অধীনে পরিচালিত এই পাতাল রেলটি মাটির প্রায় ৩০ মিটার গভীর দিয়ে কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত মাত্র ২৪ মিনিটে যাত্রী পৌঁছে দেবে।
প্রকল্পের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- গতি ও সময়: ট্রায়াল রানে ট্রেনটি সর্বোচ্চ ১০০ কিমি গতিতে চলেছে।
- যাত্রী ধারণক্ষমতা: প্রতিদিন প্রায় ৮ লক্ষ যাত্রী এই রুটে যাতায়াত করতে পারবেন।
- পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি: মাটির নিচে শব্দহীন এবং উন্নত অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা সম্পন্ন আধুনিক এই কোচগুলো সম্পূর্ণ বিদ্যুৎ চালিত।
কেন এই পাতাল রেল গেম-চেঞ্জার?
আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো রেল ট্রায়াল রান সফল হওয়ার পর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি ঢাকার যানজট সমস্যাকে অন্তত ৪০% কমিয়ে আনবে। বিশেষ করে বিমানবন্দর এলাকায় যাত্রী ভোগান্তি এখন ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নেবে। পালস বাংলাদেশ-এর গ্রাউন্ড রিপোর্ট অনুযায়ী, আজ কমলাপুর স্টেশনে ট্রায়াল রানের সময় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
“আমরা এমন এক সময়ের স্বপ্ন দেখতাম যখন মাটির নিচ দিয়ে জটমুক্তভাবে যাতায়াত করব। আজ সেই স্বপ্নের আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো রেল ট্রায়াল রান সফল হলো।” — কড়াইল থেকে আসা এক দর্শনার্থীর মন্তব্য।
অর্থনৈতিক প্রভাব ও ভবিষ্যৎ
এই প্রকল্পের ফলে কেবল সময় বাঁচবে না, বরং জ্বালানি খরচ এবং যানজটজনিত অর্থনৈতিক ক্ষতি বছরে কয়েক হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে জানিয়েছেন, এই পাতাল রেল বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত ও শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাত্রার মান বদলে দেবে।
বিস্তারিত বিশ্লেষণ পেতে নিয়মিত চোখ রাখুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
চাঁদে মানুষের বসতি ২০২৬: নাসা ও স্পেসএক্সের যৌথ অভিযানে ইতিহাস গড়লো আর্টেমিস-৩ মিশন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১১ মার্চ, ২০২৬
মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক নতুন যুগের সূচনা হলো। দীর্ঘ ৫০ বছর পর চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফলভাবে অবতরণ করেছে নাসার আর্টেমিস-৩ মহাকাশযান। ২০২৬ সালের এই ঐতিহাসিক অভিযানের মাধ্যমে চাঁদে মানুষের বসতি ২০২৬ গড়ার স্বপ্ন এখন বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে। আজ বুধবার সকালে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এবং এলন মাস্কের স্পেসএক্স (SpaceX) যৌথভাবে এই সফল ল্যান্ডিং নিশ্চিত করেছে।
এই অভিযানে প্রথমবার একজন নারী এবং একজন কৃষ্ণাঙ্গ মহাকাশচারী চাঁদের মাটিতে পা রেখেছেন, যা বৈশ্বিক সমতা ও অন্তর্ভুক্তির এক অনন্য উদাহরণ।
আর্টেমিস-৩ মিশনের লক্ষ্য ও প্রযুক্তি
চাঁদে মানুষের বসতি ২০২৬ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো চাঁদে একটি স্থায়ী বেস ক্যাম্প বা আস্তানা তৈরি করা। আর্টেমিস-৩ মিশনের মহাকাশচারীরা চাঁদের দক্ষিণ মেরুর এমন এক অঞ্চলে অবতরণ করেছেন যেখানে বরফ আকারে পানির অস্তিত্ব পাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। স্পেসএক্সের তৈরি ‘স্টারশিপ’ ল্যান্ডার ব্যবহার করে এই জটিল অবতরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।
নাসা জানিয়েছে, চাঁদে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, জ্বালানি এবং পানি উৎপাদনের প্রাথমিক পরীক্ষাগুলো এই মিশন থেকেই শুরু হবে। এটি কেবল বিজ্ঞানের জয় নয়, বরং ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানুষের পা রাখার প্রথম ধাপ।
আন্তর্জাতিক প্রভাব ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা
মহাকাশে এই আধিপত্য স্থাপনের লড়াইয়ে নাসা ছাড়াও চীন ও রাশিয়া তাদের নিজস্ব লুনার স্টেশন তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তবে চাঁদে মানুষের বসতি ২০২৬ অভিযানে নাসা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের এই সমন্বয় মহাকাশ গবেষণার খরচ কমিয়ে আনবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আন্তর্জাতিক এই সাফল্যের ফলে স্যাটেলাইট যোগাযোগ, খনিজ সম্পদ আহরণ এবং মহাকাশ পর্যটন শিল্পে এক নতুন বিপ্লব ঘটবে।
বিশেষ বিশ্লেষণ ও মন্তব্য
বিশ্লেষক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ এই বৈশ্বিক অর্জন নিয়ে বিশ্লেষক বিডিএস বুলবুল আহমেদ জানান, “চাঁদে মানুষের বসতি ২০২৬ কেবল একটি বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা নয়, এটি মানবজাতির অসীম সাহসের প্রতীক। পৃথিবী ছাড়িয়ে মহাকাশে বসতি গড়া মানবাধিকারের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। তবে আমাদের মনে রাখতে হবে, মহাকাশের এই সম্পদ যেন আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে সকল দেশের জন্য সমানভাবে ব্যবহৃত হয়। সামাজিক সমতা এবং শ্রমের মর্যাদা যেন পৃথিবীর বাইরেও প্রতিষ্ঠিত থাকে, এটাই হবে আগামীর চ্যালেঞ্জ।”
সামাজিক সমতা, মানবাধিকার ও শ্রমের মর্যাদা নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ পেতে নিয়মিত চোখ রাখুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।
বিষয়ঃ
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
ইন্টারনেটের দাম ২০২৬: বাংলাদেশে মোবাইল ডাটার দাম কমলো ৫০ শতাংশ
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | ১১ মার্চ, ২০২৬
স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে এবং ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তিকরণ ত্বরান্বিত করতে ইন্টারনেটের দাম ২০২৬ কর্মসূচির আওতায় মোবাইল ইন্টারনেটের দাম এক লাফে ৫০ শতাংশ কমানোর ঘোষণা দিয়েছে সরকার। আজ বুধবার থেকে দেশের সকল মোবাইল অপারেটরের জন্য এই নতুন রেট চার্ট কার্যকর হচ্ছে। বিটিআরসি (BTRC) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এখন থেকে গ্রাহকরা অর্ধেক খরচে আগের চেয়ে দ্বিগুণ ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইন্টারনেটের উচ্চমূল্য তরুণ প্রজন্মের ফ্রিল্যান্সিং এবং অনলাইন শিক্ষায় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল। সেই বাধা দূর করতেই ইন্টারনেটের দাম ২০২৬ কমানোর এই সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্যাকেজ ও মেয়াদের নতুন নিয়ম
নতুন এই নির্দেশনায় কেবল দামই কমানো হয়নি, বরং প্যাকেজের মেয়াদ নিয়েও নতুন নিয়ম করা হয়েছে। এখন থেকে: ১. সকল মেয়াদী প্যাকেজের (৩ দিন, ৭ দিন, ৩০ দিন) দাম আগের তুলনায় সরাসরি অর্ধেক হবে। ২. ডাটা শেষ হওয়ার আগে পুনরায় প্যাক কিনলে অব্যবহৃত ডাটা পরবর্তী মেয়াদে যোগ (Carry forward) হবে। ৩. আনলিমিটেড ইন্টারনেটের গতি এবং দামও সাধারণ গ্রাহকদের নাগালের মধ্যে আনা হয়েছে।
বিটিআরসি চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রান্তিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরাও নামমাত্র মূল্যে উচ্চগতির ফোর-জি (4G) এবং ফাইভ-জি (5G) ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে।
ডিজিটাল ইকোনমিতে প্রভাব
অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, ইন্টারনেটের দাম ২০২৬ কমানোর ফলে ই-কমার্স, অনলাইন বিজনেস এবং আউটসোর্সিং খাতে বিপ্লব ঘটবে। ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা গ্রাম ও শহরের ডিজিটাল বৈষম্য কমিয়ে আনবে। বিশেষ করে আইটি খাতের উদ্যোক্তাদের জন্য এটি একটি বিশাল বড় প্রণোদনা হিসেবে কাজ করবে।
বিশেষ বিশ্লেষণ ও মন্তব্য
বিশ্লেষক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ এই ঘোষণা নিয়ে বিশ্লেষক বিডিএস বুলবুল আহমেদ জানান, “ইন্টারনেটের দাম ২০২৬ কমানো কেবল একটি বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত নয়, এটি মানবাধিকার ও তথ্যের অধিকার নিশ্চিত করার একটি অংশ। সাশ্রয়ী মূল্যে ইন্টারনেট পাওয়া বর্তমান যুগে সামাজিক সমতার অন্যতম পূর্বশর্ত। এর ফলে তৃণমূলের মেধাবী তরুণরা বৈশ্বিক বাজারের সাথে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে, যা দেশের শ্রমের মর্যাদা ও অর্থনৈতিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করবে।”
সামাজিক সমতা, মানবাধিকার ও শ্রমের মর্যাদা নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ পেতে নিয়মিত চোখ রাখুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।



