ইতিহাস
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
বাংলাদেশের ইসলামি সাংবাদিকতার ইতিহাসে ‘মাসিক মদীনা’ কেবল একটি পত্রিকা নয়, বরং একটি প্রতিষ্ঠানের নাম। ১৯৬১ সালে মাওলানা মুহিউদ্দীন খানের হাত ধরে যে যাত্রার শুরু হয়েছিল, ২০২৫ সালেও তার জনপ্রিয়তা অম্লান। কিন্তু সত্তরের দশকের উত্তাল দিনগুলোতে একবার এই মদীনার তরী ডুবে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। সেই সংকটকালে ‘মাসিক মদীনা’র পুনর্জন্মের নেপথ্যে লুকিয়ে আছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর বাবা শেখ লুৎফুর রহমানের এক অনন্য আবেগী ইতিহাস।
১৯৫০-২০২৫: বিবর্তনের ধারায় মাসিক মদীনা
১৯৫০-এর দশকে যখন পূর্ব পাকিস্তানে ইসলামি কৃষ্টি ও সংস্কৃতির পুনর্জাগরণ শুরু হয়, তখন থেকেই একটি সুস্থ ধারার পত্রিকার অভাব অনুভূত হচ্ছিল। সেই অভাব মেটাতেই ১৯৬১ সালে আত্মপ্রকাশ করে ‘মাসিক মদীনা’। বিগত ৭৫ বছরের (১৯৫০-২০২৫) ইতিহাসে এই পত্রিকাটি ধর্মীয় শিক্ষা, সীরাত এবং সামাজিক নির্দেশনার মাধ্যমে কয়েক প্রজন্মের আধ্যাত্মিক ক্ষুধা মিটিয়েছে। বিশেষ করে এর প্রশ্নোত্তর বিভাগটি আজও পাঠকদের কাছে সমান জনপ্রিয়।
যখন বন্ধ হয়েছিল মদীনার প্রচার
ঘটনাটি ১৯৭০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ের। তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে হঠাৎ করেই মাসিক মদীনার ডিক্লারেশন বাতিল করা হয়। কারণ ছিল তিন মাসের বকেয়া। মাওলানা মুহিউদ্দীন খান যখন পত্রিকা চালানো নিয়ে হতাশ, ঠিক তখনই টুঙ্গিপাড়া থেকে একটি চিঠি আসে। চিঠিটি লিখেছিলেন বঙ্গবন্ধুর বাবা শেখ লুৎফুর রহমান।
চিঠিতে তিনি লিখেছিলেন: “শ্রদ্ধেয় সম্পাদক সাহেব, তিন মাসের বকেয়া ছিল বিধায় হয়তো আপনি পত্রিকা বন্ধ করে দিয়েছেন। আমি বৃদ্ধ মানুষ, প্রিয় মদীনা পত্রিকা ছাড়া সময় কাটানো অনেক কষ্টকর। আমি মুজিবকে (বঙ্গবন্ধু) চিঠি লিখে বলে দেবো, সে যেন আপনার টাকা পরিশোধ করে দেয়। আশা করি আগামী মাস থেকে মদীনা পড়তে পারবো।”
বঙ্গভবনের সেই অশ্রুসিক্ত দুপুর
মাওলানা মুহিউদ্দীন খান সেই চিঠি নিয়ে সোজা ছুটলেন বঙ্গভবনে। বঙ্গবন্ধুর সাথে তাঁর সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত গভীর ও আত্মিক। মুহিউদ্দীন খানকে দেখামাত্র বঙ্গবন্ধু বলে উঠলেন, “তুই এতদিন পর আমাকে দেখতে এলি! এখানে বসার পর সবাই যেন পর হয়ে গেছে।”
যখন মাওলানা পত্রিকা বন্ধ হওয়ার কথা জানালেন, বঙ্গবন্ধু অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “তুই তো রাজাকার ছিলি না, তবে কেন পত্রিকা বন্ধ করবে?” মুহিউদ্দীন খান তখন পাঞ্জাবির পকেট থেকে বাবার সেই চিঠিটি বঙ্গবন্ধুর হাতে দিলেন। নিজের বাবার হাতে লেখা সেই আকুতি পড়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি বঙ্গবন্ধু। উপস্থিত সবার সামনেই তিনি বাচ্চা ছেলের মতো কাঁদতে শুরু করলেন। কান্নারত অবস্থায় তিনি বললেন, “তুই আমার কাছে আরও আগে কেন আসলি না! আজ আমার বাবা দুনিয়াতে নাই, গত কয়েকদিন আগে তিনি ইন্তেকাল করেছেন।”
অবিরাম পথচলা
বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে সেদিনই মাসিক মদীনার ডিক্লারেশন ফিরিয়ে দেওয়া হয়। বাবার শেষ স্মৃতি আর মদীনা পত্রিকার প্রতি ভালোবাসার টানে বঙ্গবন্ধু যে পদক্ষেপ নিয়েছিলেন, তার ফলেই আজ ২০২৫ সালে এসেও আমরা মদীনার সবুজ গম্বুজের বার্তা শুনতে পাচ্ছি।
মাওলানা মুহিউদ্দীন খানের জীবনভিত্তিক উপন্যাস ‘কিংবদন্তির কথা বলছি’ বইটিতে এই ঐতিহাসিক ঘটনার বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। এটি কেবল একটি পত্রিকা চালুর গল্প নয়, বরং এটি প্রমাণ করে যে ১৯৫০ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সাথে আলেম-ওলামাদের সম্পর্ক কতটা গভীর ও ব্যক্তিগত ছিল।
সূত্র: ১. ‘কিংবদন্তির কথা বলছি’ – মাওলানা মুহিউদ্দীন খানের জীবনী। ২. ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ আর্কাইভ (১৯৫০-২০২৫)। ৩. মাসিক মদীনা সম্পাদকীয় দফতর ও আর্কাইভ।
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো রেল ট্রায়াল রান: যানজটমুক্ত ঢাকার নতুন লিগ্যাসি শুরু
বিশেষ বিশ্লেষক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ | পালস বাংলাদেশ ১২ মার্চ, ২০২৬ (বৃহস্পতিবার)
আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো রেল ট্রায়াল রান আজ বাংলাদেশের যাতায়াত ইতিহাসে এক নতুন স্বর্ণাক্ষরের সূচনা করল। রাজধানীর তীব্র যানজট থেকে মুক্তি পেতে বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত বিস্তৃত দেশের প্রথম পাতাল রেলের পরীক্ষামূলক চলাচল বা ট্রায়াল রান আজ সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০২৬ সালের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি বাংলাদেশের আধুনিক যোগাযোগ অবকাঠামোর এক অনন্য মাইলফলক।
ঢাকার পাতাল পথে নতুন দিগন্ত
আজকের এই আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো রেল ট্রায়াল রান কেবল একটি যান্ত্রিক পরীক্ষা নয়, বরং এটি ২০৩১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার একটি বড় পদক্ষেপ। এমআরটি লাইন-১ (MRT Line-1) প্রকল্পের অধীনে পরিচালিত এই পাতাল রেলটি মাটির প্রায় ৩০ মিটার গভীর দিয়ে কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত মাত্র ২৪ মিনিটে যাত্রী পৌঁছে দেবে।
প্রকল্পের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- গতি ও সময়: ট্রায়াল রানে ট্রেনটি সর্বোচ্চ ১০০ কিমি গতিতে চলেছে।
- যাত্রী ধারণক্ষমতা: প্রতিদিন প্রায় ৮ লক্ষ যাত্রী এই রুটে যাতায়াত করতে পারবেন।
- পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি: মাটির নিচে শব্দহীন এবং উন্নত অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা সম্পন্ন আধুনিক এই কোচগুলো সম্পূর্ণ বিদ্যুৎ চালিত।
কেন এই পাতাল রেল গেম-চেঞ্জার?
আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো রেল ট্রায়াল রান সফল হওয়ার পর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি ঢাকার যানজট সমস্যাকে অন্তত ৪০% কমিয়ে আনবে। বিশেষ করে বিমানবন্দর এলাকায় যাত্রী ভোগান্তি এখন ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নেবে। পালস বাংলাদেশ-এর গ্রাউন্ড রিপোর্ট অনুযায়ী, আজ কমলাপুর স্টেশনে ট্রায়াল রানের সময় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
“আমরা এমন এক সময়ের স্বপ্ন দেখতাম যখন মাটির নিচ দিয়ে জটমুক্তভাবে যাতায়াত করব। আজ সেই স্বপ্নের আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো রেল ট্রায়াল রান সফল হলো।” — কড়াইল থেকে আসা এক দর্শনার্থীর মন্তব্য।
অর্থনৈতিক প্রভাব ও ভবিষ্যৎ
এই প্রকল্পের ফলে কেবল সময় বাঁচবে না, বরং জ্বালানি খরচ এবং যানজটজনিত অর্থনৈতিক ক্ষতি বছরে কয়েক হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে জানিয়েছেন, এই পাতাল রেল বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত ও শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাত্রার মান বদলে দেবে।
বিস্তারিত বিশ্লেষণ পেতে নিয়মিত চোখ রাখুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
চাঁদে মানুষের বসতি ২০২৬: নাসা ও স্পেসএক্সের যৌথ অভিযানে ইতিহাস গড়লো আর্টেমিস-৩ মিশন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১১ মার্চ, ২০২৬
মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক নতুন যুগের সূচনা হলো। দীর্ঘ ৫০ বছর পর চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফলভাবে অবতরণ করেছে নাসার আর্টেমিস-৩ মহাকাশযান। ২০২৬ সালের এই ঐতিহাসিক অভিযানের মাধ্যমে চাঁদে মানুষের বসতি ২০২৬ গড়ার স্বপ্ন এখন বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে। আজ বুধবার সকালে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এবং এলন মাস্কের স্পেসএক্স (SpaceX) যৌথভাবে এই সফল ল্যান্ডিং নিশ্চিত করেছে।
এই অভিযানে প্রথমবার একজন নারী এবং একজন কৃষ্ণাঙ্গ মহাকাশচারী চাঁদের মাটিতে পা রেখেছেন, যা বৈশ্বিক সমতা ও অন্তর্ভুক্তির এক অনন্য উদাহরণ।
আর্টেমিস-৩ মিশনের লক্ষ্য ও প্রযুক্তি
চাঁদে মানুষের বসতি ২০২৬ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো চাঁদে একটি স্থায়ী বেস ক্যাম্প বা আস্তানা তৈরি করা। আর্টেমিস-৩ মিশনের মহাকাশচারীরা চাঁদের দক্ষিণ মেরুর এমন এক অঞ্চলে অবতরণ করেছেন যেখানে বরফ আকারে পানির অস্তিত্ব পাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। স্পেসএক্সের তৈরি ‘স্টারশিপ’ ল্যান্ডার ব্যবহার করে এই জটিল অবতরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।
নাসা জানিয়েছে, চাঁদে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, জ্বালানি এবং পানি উৎপাদনের প্রাথমিক পরীক্ষাগুলো এই মিশন থেকেই শুরু হবে। এটি কেবল বিজ্ঞানের জয় নয়, বরং ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানুষের পা রাখার প্রথম ধাপ।
আন্তর্জাতিক প্রভাব ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা
মহাকাশে এই আধিপত্য স্থাপনের লড়াইয়ে নাসা ছাড়াও চীন ও রাশিয়া তাদের নিজস্ব লুনার স্টেশন তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তবে চাঁদে মানুষের বসতি ২০২৬ অভিযানে নাসা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের এই সমন্বয় মহাকাশ গবেষণার খরচ কমিয়ে আনবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আন্তর্জাতিক এই সাফল্যের ফলে স্যাটেলাইট যোগাযোগ, খনিজ সম্পদ আহরণ এবং মহাকাশ পর্যটন শিল্পে এক নতুন বিপ্লব ঘটবে।
বিশেষ বিশ্লেষণ ও মন্তব্য
বিশ্লেষক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ এই বৈশ্বিক অর্জন নিয়ে বিশ্লেষক বিডিএস বুলবুল আহমেদ জানান, “চাঁদে মানুষের বসতি ২০২৬ কেবল একটি বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা নয়, এটি মানবজাতির অসীম সাহসের প্রতীক। পৃথিবী ছাড়িয়ে মহাকাশে বসতি গড়া মানবাধিকারের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। তবে আমাদের মনে রাখতে হবে, মহাকাশের এই সম্পদ যেন আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে সকল দেশের জন্য সমানভাবে ব্যবহৃত হয়। সামাজিক সমতা এবং শ্রমের মর্যাদা যেন পৃথিবীর বাইরেও প্রতিষ্ঠিত থাকে, এটাই হবে আগামীর চ্যালেঞ্জ।”
সামাজিক সমতা, মানবাধিকার ও শ্রমের মর্যাদা নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ পেতে নিয়মিত চোখ রাখুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।
বিষয়ঃ
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
জ্বালানি নিরাপত্তা ২০২৬: ভারত থেকে ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনে ডিজেল সরবরাহ শুরু, কাটবে সংকট
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | ১১ মার্চ, ২০২৬
বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যেও দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ২০২৬ নিশ্চিত করতে এক বড় মাইলফলক স্পর্শ করেছে বাংলাদেশ। আজ বুধবার থেকে ‘ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন’-এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ডিজেল আমদানি ও সরবরাহ শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলেও, এই পাইপলাইনের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি প্রাপ্তি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই পাইপলাইনের মাধ্যমে বছরে প্রায় ১.৮ লাখ টন ডিজেল সরাসরি বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের ডিপোগুলোতে পৌঁছাবে। এতে পরিবহন খরচ কমার পাশাপাশি সময়ও সাশ্রয় হবে।
জ্বালানি সংকট ও বিকল্প ব্যবস্থা
জ্বালানি নিরাপত্তা ২০২৬ পরিকল্পনার অধীনে সরকার অভ্যন্তরীণ মজুদ বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে। বিশেষ করে কৃষি ও শিল্প উৎপাদন সচল রাখতে ডিজেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারি থেকে আসা এই ডিজেল উচ্চমানের এবং পরিবেশবান্ধব।
বর্তমানে লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে সমস্যার কারণে আন্তর্জাতিক রুটে তেলবাহী ট্যাংকার আসতে দেরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে স্থলপথে পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি আসা বাংলাদেশের জন্য একটি কৌশলগত বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সাশ্রয়ী মূল্যে ডিজেল ও অর্থনৈতিক প্রভাব
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পাইপলাইনের সুফল সরাসরি পাবেন দেশের কৃষক ও পরিবহন মালিকরা। নৌপথ বা রেলপথে তেল পরিবহনে যে সিস্টেম লস এবং অতিরিক্ত খরচ হতো, পাইপলাইনে তা শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে। এর ফলে ভবিষ্যতে ডিজেলের দাম অভ্যন্তরীণ বাজারে আরও সমন্বয় করা সম্ভব হতে পারে, যা সরাসরি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে সাহায্য করবে।
বিশেষ বিশ্লেষণ ও মন্তব্য
বিশ্লেষক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ এই জ্বালানি নীতি নিয়ে বিশ্লেষক বিডিএস বুলবুল আহমেদ জানান, “জ্বালানি নিরাপত্তা ২০২৬ অর্জনে আঞ্চলিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ কেবল অর্থনীতির চাকা সচল রাখে না, এটি নাগরিকের মানবাধিকার ও উন্নয়ন নিশ্চিত করে। সামাজিক সমতা বজায় রাখতে হলে জ্বালানির ন্যায্য মূল্য এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা জরুরি। এই পাইপলাইন প্রকল্পটি দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি ঝুঁকি হ্রাসে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।”
বিস্তারিত বিশ্লেষণ পেতে নিয়মিত চোখ রাখুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।



