অর্থনীতি
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ইতিহাসে অনেক যোগ্য ব্যক্তি অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু যখনই প্রশ্ন আসে—সবচেয়ে সেরা এবং যোগ্য অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন? তখন নির্দ্বিধায় একটি নামই সবার আগে উঠে আসে; তিনি হলেন এম. সাইফুর রহমান। ১২ বার বাজেট পেশ করার অনন্য রেকর্ডধারী এই মানুষটি কেবল একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন একজন প্রাজ্ঞ অর্থনীতিবিদ এবং আধুনিক বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি নির্মাতা।
কেন তিনি অনন্য? তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবন
সাইফুর রহমান পেশায় ছিলেন একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। ১৯৬২ সালে পেশাজীবী হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়। তাঁর মেধা ও যোগ্যতার প্রমাণ মেলে যখন ১৯৬৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তান জাতীয় বেতন কমিশনে প্রাইভেট সেক্টর থেকে একমাত্র সদস্য হিসেবে তিনি মনোনীত হন। স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ ও ১৯৭৫ সালেও তিনি বাংলাদেশ জাতীয় বেতন কমিশনের সদস্য ছিলেন।
- রেকর্ডধারী বাজেট প্রণেতা: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সর্বোচ্চ ১২ বার বার্ষিক বাজেট পেশ করার বিরল কৃতিত্ব তাঁর।
- ভ্যাট (VAT) প্রবর্তন: ১৯৯১ সালে তাঁর আমলেই বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট (VAT) প্রবর্তিত হয়, যা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আদায়ে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনে।
- আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি: ১৯৯৪ সালে স্পেনের মাদ্রিদে বিশ্বব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) সুবর্ণ জয়ন্তী সম্মেলনের গভর্নর নির্বাচিত হন তিনি। এছাড়া তিনি এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংকের (ADB) ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
১৯০০ থেকে ২০২৬: বাঙালি অর্থনীতির বিবর্তন
বাঙালির অর্থনৈতিক মুক্তি ও বঞ্চনার ইতিহাস এক দীর্ঘ সংগ্রামের গল্প। ১৯০০ সালের ব্রিটিশ শাসনের সময়ে এ অঞ্চলের সম্পদ পাচার হতো লন্ডনে। ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত পশ্চিম পাকিস্তানের শোষণে পূর্ব বাংলার অর্থনীতি ছিল পঙ্গু।
- ১৯৭১ পরবর্তী চ্যালেঞ্জ: স্বাধীনতার পর ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে অর্থনীতি পুনর্গঠন ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। আশি ও নব্বইয়ের দশকে সাইফুর রহমান মুক্তবাজার অর্থনীতির প্রবর্তন করে দেশের বেসরকারি খাতকে শক্তিশালী করেন।
- ২০০৫ ও একুশে পদক: ভাষা আন্দোলনে তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৫ সালে তাঁকে দেশের সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘একুশে পদক’ প্রদান করা হয়।
- ২০২৪-২০২৬ এর বর্তমান অর্থনীতি: ২০২৪ সালের অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন বড় ধরণের সংস্কারের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ২০২৬ সালের বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল করতে নীতিনির্ধারকরা আজও সাইফুর রহমানের প্রবর্তিত অনেক অর্থনৈতিক মডেলকে অনুসরণ করছেন।
বিশ্লেষকদের চোখে সাইফুর রহমান
বিশ্লেষকদের মতে, সাইফুর রহমান কেবল বাজেট দেননি, তিনি কৃচ্ছ্রতা সাধনের মাধ্যমে দেশের অর্থ সাশ্রয় করতে শিখিয়েছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত অডিট ফার্ম ‘রহমান, রেহমান অ্যান্ড হক’ আজ বাংলাদেশে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে।
গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উক্তি
- সাইফুর রহমান (বাজেট বক্তৃতায়): “আমাদের সম্পদের সীমাবদ্ধতা আছে, কিন্তু আমাদের ইচ্ছাশক্তি অসীম। আমরা স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে চাই।”
- বিডিএস বুলবুল আহমেদ (বিশ্লেষণ): “১৯০০ সালের শোষিত অর্থনীতি থেকে ২০২৬ সালের উদীয়মান ডিজিটাল অর্থনীতি—এই দীর্ঘ যাত্রায় সাইফুর রহমানের অর্থনৈতিক দর্শনই ছিল বাংলাদেশের উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি।”
সূত্র: বাংলাদেশ অর্থ মন্ত্রণালয় আর্কাইভ, বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ সুবর্ণ জয়ন্তী সম্মেলন প্রতিবেদন (১৯৯৪), একুশে পদক গেজেট এবং বিডিএস ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সির অর্থনৈতিক গবেষণা সেল।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
জ্বালানি নিরাপত্তা ২০২৬: ভারত থেকে ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনে ডিজেল সরবরাহ শুরু, কাটবে সংকট
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | ১১ মার্চ, ২০২৬
বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যেও দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ২০২৬ নিশ্চিত করতে এক বড় মাইলফলক স্পর্শ করেছে বাংলাদেশ। আজ বুধবার থেকে ‘ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন’-এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ডিজেল আমদানি ও সরবরাহ শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলেও, এই পাইপলাইনের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি প্রাপ্তি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই পাইপলাইনের মাধ্যমে বছরে প্রায় ১.৮ লাখ টন ডিজেল সরাসরি বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের ডিপোগুলোতে পৌঁছাবে। এতে পরিবহন খরচ কমার পাশাপাশি সময়ও সাশ্রয় হবে।
জ্বালানি সংকট ও বিকল্প ব্যবস্থা
জ্বালানি নিরাপত্তা ২০২৬ পরিকল্পনার অধীনে সরকার অভ্যন্তরীণ মজুদ বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে। বিশেষ করে কৃষি ও শিল্প উৎপাদন সচল রাখতে ডিজেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারি থেকে আসা এই ডিজেল উচ্চমানের এবং পরিবেশবান্ধব।
বর্তমানে লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে সমস্যার কারণে আন্তর্জাতিক রুটে তেলবাহী ট্যাংকার আসতে দেরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে স্থলপথে পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি আসা বাংলাদেশের জন্য একটি কৌশলগত বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সাশ্রয়ী মূল্যে ডিজেল ও অর্থনৈতিক প্রভাব
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পাইপলাইনের সুফল সরাসরি পাবেন দেশের কৃষক ও পরিবহন মালিকরা। নৌপথ বা রেলপথে তেল পরিবহনে যে সিস্টেম লস এবং অতিরিক্ত খরচ হতো, পাইপলাইনে তা শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে। এর ফলে ভবিষ্যতে ডিজেলের দাম অভ্যন্তরীণ বাজারে আরও সমন্বয় করা সম্ভব হতে পারে, যা সরাসরি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে সাহায্য করবে।
বিশেষ বিশ্লেষণ ও মন্তব্য
বিশ্লেষক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ এই জ্বালানি নীতি নিয়ে বিশ্লেষক বিডিএস বুলবুল আহমেদ জানান, “জ্বালানি নিরাপত্তা ২০২৬ অর্জনে আঞ্চলিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ কেবল অর্থনীতির চাকা সচল রাখে না, এটি নাগরিকের মানবাধিকার ও উন্নয়ন নিশ্চিত করে। সামাজিক সমতা বজায় রাখতে হলে জ্বালানির ন্যায্য মূল্য এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা জরুরি। এই পাইপলাইন প্রকল্পটি দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি ঝুঁকি হ্রাসে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।”
বিস্তারিত বিশ্লেষণ পেতে নিয়মিত চোখ রাখুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
স্বর্ণের দাম ২০২৬: বাংলাদেশে প্রতি ভরিতে কমলো ৫০০০ টাকা, স্বস্তি ক্রেতাদের মাঝে
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | ১১ মার্চ, ২০২৬
আন্তর্জাতিক বাজারে দরপতন এবং ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল হওয়ায় স্বর্ণের দাম ২০২৬ এর ইতিহাসে আজ সবথেকে বড় পতন ঘটেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (BAJUS) আজ সকালে এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) স্বর্ণের দাম প্রতি ভরিতে ৫,০০০ টাকা কমানো হয়েছে। নতুন এই দাম আজ বুধবার বিকেল থেকেই সারাদেশে কার্যকর হচ্ছে।
বাজুস জানিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে স্বর্ণের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ায় মূল্যবান এই ধাতুর দাম বিশ্ববাজারে কমতে শুরু করেছে। এর সুফল সরাসরি পাচ্ছেন বাংলাদেশের সাধারণ ক্রেতারা।
নতুন মূল্য তালিকা ও বাজুসের সিদ্ধান্ত
স্বর্ণের দাম ২০২৬ এর নতুন সংশোধিত তালিকা অনুযায়ী: ১. ২২ ক্যারেট: প্রতি ভরি বিক্রি হবে ১,০৫,০০০ টাকায় (পূর্বের দাম থেকে ৫,০০০ টাকা কম)। ২. ২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি বিক্রি হবে ১,০০,০০০ টাকায়। ৩. ১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি বিক্রি হবে ৮৬,০০০ টাকায়।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক জানিয়েছেন, “আমরা চাই বাজার স্থিতিশীল থাকুক। ক্রেতারা যাতে ন্যায্য মূল্যে স্বর্ণ অলঙ্কার কিনতে পারেন, সেজন্যই আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সমন্বয় করে দাম কমানো হয়েছে।” বিশেষ করে সামনে বিয়ের মৌসুম হওয়ায় এই দরপতন সাধারণ মানুষের জন্য বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছে।
বাজার পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, স্বর্ণের দাম ২০২৬ এর এই পতন বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি বড় সুযোগ হতে পারে। দেশের বড় বড় জুয়েলারি শোরুমগুলোতে খবর নিয়ে জানা গেছে, দাম কমার ঘোষণার পর থেকেই ক্রেতাদের আনাগোনা বহুগুণ বেড়ে গেছে। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে আগামীতে দাম আরও বাড়তে বা কমতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষ বিশ্লেষণ ও মন্তব্য
বিশ্লেষক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ এই বাজার দর পরিবর্তন নিয়ে বিশ্লেষক বিডিএস বুলবুল আহমেদ জানান, “স্বর্ণের দাম ২০২৬ এর এই পতন মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য একটি বড় সুযোগ। স্বর্ণ কেবল বিলাসিতার বস্তু নয়, এটি একটি আপদকালীন সম্পদ। বাজার নিয়ন্ত্রণে স্বচ্ছতা থাকলে সাধারণ মানুষ তাদের কষ্টের আয়ের সঠিক বিনিয়োগ করতে পারে। এটি সামাজিক সমতা ও মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি অংশ।”
সামাজিক সমতা, মানবাধিকার ও শ্রমের মর্যাদা নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ পেতে নিয়মিত চোখ রাখুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।
বিষয়ঃ
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
নতুন পে-স্কেল ২০২৬: সরকারি চাকুরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি ও নতুন গ্রেড ঘোষণা
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | ১১ মার্চ, ২০২৬
দেশের লক্ষ লক্ষ সরকারি চাকুরিজীবীদের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন পে-স্কেল ২০২৬ ঘোষণা করা হয়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি বিবেচনা করে এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার সকালে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী নতুন এই বেতন কাঠামোর বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরেন।
সরকার জানিয়েছে, নতুন পে-স্কেল ২০২৬ আগামী জুলাই মাস থেকে কার্যকর হবে এবং এটি আগের সকল বেতন কাঠামোর রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের কর্মচারীদের জীবনমান উন্নয়নে এই স্কেলে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বেতন কাঠামোর প্রধান পরিবর্তনসমূহ
নতুন পে-স্কেল ২০২৬ অনুযায়ী, প্রতিটি গ্রেডে বেতন গড়ে ৩০% থেকে ৪৫% পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এছাড়াও বাড়ি ভাড়া ভাতা এবং চিকিৎসা ভাতায় বড় ধরণের পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন কাঠামোর প্রধান দিকগুলো হলো: ১. মূল বেতন বা বেসিক পে-তে অভাবনীয় বৃদ্ধি। ২. নতুন ধাপে ইনক্রিমেন্ট পদ্ধতি আরও সহজীকরণ। ৩. পেনশনারদের জন্য বিশেষ বোনাস প্যাকেজ।
বাণিজ্য ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই বর্ধিত বেতন সরাসরি ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে কর্মচারীদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে। এতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অর্থনৈতিক প্রভাব ও বাজার নিয়ন্ত্রণ
সরকারের এই নতুন পে-স্কেল ২০২৬ ঘোষণার পরপরই বাজারে এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন যে, বেতন বাড়ার অজুহাতে যাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম না বাড়ে, সেজন্য কঠোর মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। শিল্প ও বাণিজ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সরকারি কর্মচারীদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়লে অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি আরও চাঙ্গা হবে এবং এটি দীর্ঘমেয়াদী প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
বিশেষ বিশ্লেষণ ও মন্তব্য
বিশ্লেষক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ এই মেগা আপডেট নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণে বিডিএস বুলবুল আহমেদ জানান, “নতুন পে-স্কেল ২০২৬ কেবল একটি বেতন বৃদ্ধি নয়, এটি শ্রমের সঠিক মূল্যায়ন এবং সামাজিক সমতা নিশ্চিত করার একটি বড় পদক্ষেপ। বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে সরকারি কর্মচারীদের মানবাধিকার ও জীবনযাত্রার মান রক্ষায় এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। সঠিক বেতন কাঠামোই দক্ষ প্রশাসন এবং দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।”
বিস্তারিত বিশ্লেষণ পেতে নিয়মিত চোখ রাখুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।



