সেলিব্রিটি
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
Be fearless in front of them with your ideas as many times as they’ll let youBeauty Dust is very pretty to look at and it tastes like nothing, which is great. Here is what it’s supposed to do: This ancient empiric formula expands beauty through alchemizing elements legendary for their youth preserving, fortifying and tonifying qualities. Glowing supple skin, lustrous shiny hair and twinkling bright eyes are holistically bestowed from the inside out.
I actually first read this as alkalizing meaning effecting pH level, and I was like, OK I guess I understand how that could positively effect your body, but alchemizing means turning elements to gold basically through magic. That lead me to research each ingredient because I know alchemy is not actually happening in my body when I eat this, since alchemy is not real.
In addition to loving beauty and taking care of myself, I also love opening people minds to other paths of self-care, and good marketing and I can honestly say that I use and personally love this product but I’m not sure for which reason.
I think it made me think about it more and really consider why I was choosing to add this to my routineIt poses an interesting question for me on the wellness category – will people be willing to buy in, or does eating something change your “sniff” test on the believe-ability of the claims? The color is very long lasting and they have an interesting texture that’s like a powder and a cream but neither really. They’re made with pure pigments and oils and will never melt with the warmth of your skin because they don’t contain any waxes. You can literally use them for anything – obviously as eye shadow and liner, but the light shade is a great highlighter, and the red can be used for lip or blush with a little balm.
There’s also a little pouch to store the rollerballs, and a card with different inspirations as to how to blend them on your skin – but it’s foolproof. You can’t make a mess if you mix them all up.
Badger Beard Balm is perfect for the bearded gents in your life (is this everyone? beards are so trending). It is filled with good things such as vitamins A, D, E & F to keep his beard healthy, thicker and cleaner, as well as helping to relieve itchiness as it soothes the skin under the hair.
If you’re looking to get rid of this beard, maybe this is not the right angle for your giftingFurther, no one wants to cuddle with a dirty beard – who knows, maybe you already are and are dying for a nice way to help this problem of yours his. Beard Wash made by Beard Buddy. Started in 2011 in California, all Beard Buddy products are hand crafted by beards for beards. Both founders have large beards of their own to tame, and wanted to do this with organic products – kudos, and cuddles, to them.
বিষয়ঃ
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
প্রতিবেদক / লেখক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ (Senior Content & SEO Consultant)
বিভাগ (Category): বিনোদন / বলিউড
প্রকাশের তারিখ: ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
তথ্যসূত্র (Sources): টাইমস অব ইন্ডিয়া, উইকিপিডিয়া, বলিউড সংক্রান্ত বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমের রিপোর্ট
বলিউডে অভিনেত্রীদের সাফল্য যেমন রঙিন ও জমকালো, তেমনই তাঁদের ক্যারিয়ারে বিতর্কের ছায়াও কম নয়। নব্বইয়ের দশকের আন্ডারওয়ার্ল্ড কানেকশন থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক বক্তব্য—বিভিন্ন যুগে একাধিক অভিনেত্রী তীব্র বিতর্কের সম্মুখীন হয়েছেন।

মন্দাকিনী ও আন্ডারওয়ার্ল্ড বিতর্কের কালো ছায়া
নব্বইয়ের দশকে বলিউড এবং মুম্বাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের মধ্যকার অন্ধকার সম্পর্কের সবচেয়ে বড় এবং আলোচিত ট্র্যাজেডিগুলোর একটি হলো ‘মন্দাকিনী-দাউদ ইব্রাহিম বিতর্ক’। ১৯৮৫ সালে রাজ কাপুরের কালজয়ী সিনেমা ‘রাম তেরি গঙ্গা মইলি‘ দিয়ে রাতারাতি আকাশচুম্বী তারকাখ্যাতি পাওয়া অভিনেত্রী মন্দাকিনীর ক্যারিয়ার এই একটি বিতর্কের কালো ছায়ায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়।
এই হাই-প্রোফাইল বিতর্কের মূল ঘটনাপ্রবাহ ও তার নির্মম পরিণতি নিচে আলোচনা করা হলো:
১. শারজার সেই একটি ছবি ও তোলপাড় (১৯৯৪-৯৫)
এই চর্চিত বিতর্কের মূল সূত্রপাত ঘটেছিল সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজায় একটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালীন। স্টেডিয়ামের ভিআইপি গ্যালারিতে বসা আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন ও ভারতের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ অপরাধী দাউদ ইব্রাহিমের ঠিক পাশে বসা মন্দাকিনীর একটি ছবি সংবাদমাধ্যমে ফাঁস হয়ে যায়।
- এই একটি ছবি রাতারাতি ভারতের গণমাধ্যম ও জনমনে তোলপাড় সৃষ্টি করে।
- চারিদিকে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে যে, দুবাইয়ের রাজকীয় বাংলোয় মন্দাকিনী ও দাউদ একসাথে থাকছেন এবং ডনের ক্ষমতার জোরেই তিনি বলিউডে কাজ পাচ্ছেন। এমনকি তাদের সন্তান হওয়ার গুজবও রটেছিল।
২. আন্ডারওয়ার্ল্ডের ছায়ায় ক্যারিয়ারের পতন
ছবিটি ফাঁসের পর বলিউডের সমীকরণ মন্দাকিনীর জন্য পুরোপুরি বদলে যায়।
- প্রযোজক-পরিচালকদের অনাগ্রহ: আন্ডারওয়ার্ল্ড এবং পুলিশের ঝামেলার ভয়ে প্রথম সারির বড় প্রযোজক ও পরিচালকেরা মন্দাকিনীকে সিনেমায় কাস্ট করা বন্ধ করে দেন।
- সহ-অভিনেতাদের আতঙ্ক: গুঞ্জন ছিল যে, মন্দাকিনীকে সিনেমায় প্রধান চরিত্র না দেওয়ায় দাউদ ইব্রাহিম এক চলচ্চিত্র নির্মাতাকে হুমকি ও হত্যার ছক কষেছিলেন। এমন এক ভীতি তৈরি হয়েছিল যে, সহ-অভিনেতারাও (যেমন মিঠুন চক্রবর্তী) তাঁর সাথে স্ক্রিন শেয়ার করতে ভয় পাচ্ছিলেন।
- ১৯৯৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘জোরদার‘ ছিল তাঁর ক্যারিয়ারের শেষ সিনেমা, যার পর তিনি রূপালী পর্দা থেকে পুরোপুরি হারিয়ে যান।
৩. ১৯৯৩ সালের মুম্বাই বিস্ফোরণ ও চূড়ান্ত বিচ্ছেদ
১৯৯৩ সালের মুম্বাই ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণের মূল মাস্টারমাইন্ড বা সন্দেহভাজন হিসেবে দাউদ ইব্রাহিমের নাম আসার পর এই বিতর্ক আইনি ও জাতীয় নিরাপত্তার ইস্যুতে রূপ নেয়। ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো (সিবিআই) আন্ডারওয়ার্ল্ডের আর্থিক লেনদেনের খোঁজে মন্দাকিনীকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ করে। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো অপরাধমূলক তথ্য বা যোগসূত্র পাওয়া যায়নি, তবে সামাজিক ও পেশাগতভাবে তাঁর চারপাশের দরজা চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়।
৪. মন্দাকিনীর আত্মপক্ষ সমর্থন ও নতুন জীবন
মন্দাকিনী সবসময়ই দাউদের সাথে কোনো রোমান্টিক বা অবৈধ সম্পর্কের কথা কঠোরভাবে অস্বীকার করে এসেছেন। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি জানান:
“শুধুমাত্র সামাজিক অনুষ্ঠানেই দাউদের সাথে তাঁর দেখা হয়েছিল এবং সম্পর্কের দাবিগুলি ভিত্তিহীন। আমি চাই না মানুষ দাউদের সঙ্গে আমার নাম জড়াক।” —
বলিউডের এই কালো অধ্যায় এবং গ্ল্যামারের অবসান ঘটিয়ে ১৯৯০ সালে মন্দাকিনী সম্পূর্ণ ভিন্ন এক জীবন বেছে নেন। তিনি একজন বৌদ্ধ সন্ন্যাসী ও চিকিৎসক ড. কাগয়ুর রিনপোচে ঠাকুরকে বিয়ে করেন এবং বর্তমানে মুম্বাইয়ে তিব্বতি ভেষজ চিকিৎসা কেন্দ্র ও যোগব্যায়াম শিক্ষার মাধ্যমে একটি শান্ত ও সাধারণ জীবন অতিবাহিত করছেন।
আধুনিক বলিউডে শীর্ষ সমালোচিত অভিনেত্রীদের তালিকা

আধুনিক বলিউডে (বিশেষ করে গত এক দশকের প্রেক্ষাপটে) তীব্র সমালোচনা, বিতর্ক এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবচেয়ে বেশি ট্রোলের মুখোমুখি হওয়া শীর্ষ অভিনেত্রীদের তালিকা নিচে তাদের সমালোচিত হওয়ার মূল কারণসহ উল্লেখ করা হলো:
- কঙ্গনা রানাউত (Kangana Ranaut):
- মূল কারণ: তিনি আধুনিক বলিউডের সবচেয়ে বিতর্কিত অভিনেত্রী। সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির একাংশকে “মুভি মাফিয়া” আখ্যা দেওয়া, করণ জোহরকে “স্বজনপোষণের পতাকাবাহী” বলা এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন ইস্যুতে উসকানিমূলক মন্তব্য করার কারণে তিনি তীব্র সমালোচনার শিকার হন।
- আলিয়া ভাট (Alia Bhatt):
- মূল কারণ: তারকা সন্তান (মহেশ ভাটের মেয়ে) হওয়ার কারণে ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই তিনি “নেপো কিড” বা স্বজনপোষণের (Nepotism) সবচেয়ে বড় প্রতীক হিসেবে সমালোচিত হয়ে আসছেন। ২০২০ সালে সুশান্তের মৃত্যুর পর এই সমালোচনা তীব্র ক্ষোভে রূপ নেয়, যার ফলে তাঁর ‘সড়ক ২’ সিনেমার ট্রেলারটি ইউটিউবে অন্যতম সর্বোচ্চ ‘ডিজলাইক’ পাওয়া ভিডিওর রেকর্ড গড়ে।
- দীপিকা পাড়ুকোন (Deepika Padukone):
- মূল কারণ: বিভিন্ন চলচ্চিত্রের সংবেদনশীল বিষয়বস্তু ও পোশাক বিতর্কের কারণে তিনি বারবার বয়কট সংস্কৃতির মুখে পড়েছেন। ‘পদ্মাবত’ সিনেমায় ঐতিহাসিক চরিত্র ফুটিয়ে তোলা নিয়ে রাজপুত গোষ্ঠীর মৃত্যুর হুমকি এবং ‘পাঠান’ সিনেমার ‘বেশরম রং’ গানে গেরুয়া রঙের পোশাক পরা নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষোভের মুখোমুখি হন তিনি।
- কারিনা কাপুর খান (Kareena Kapoor Khan):
- মূল কারণ: সাইফ আলী খানকে বিয়ে করার পর তাঁর দুই সন্তানের নাম (তৈমুর ও জাহাঙ্গীর) রাখা নিয়ে তীব্র সামাজিক ও ধর্মীয় ট্রোলিংয়ের শিকার হন। এছাড়া রামায়ণের ‘সীতা’ চরিত্রে অভিনয়ের জন্য ১২ কোটি রুপি পারিশ্রমিক দাবি করার গুঞ্জন ছড়ালে নেটিজেনরা তাঁর তীব্র সমালোচনা করে।
- সানি লিওন (Sunny Leone):
- মূল কারণ: প্রাক্তন পর্ন তারকা হওয়ার অতীত পটভূমির কারণে বলিউডে মূলধারার অভিনয়ে আসার পর থেকেই তাঁকে রক্ষণশীল সমাজ ও দৃষ্টিভঙ্গিগত তীব্র কুসংস্কারের মুখোমুখি হতে হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন মিউজিক ভিডিওতে (যেমন ‘মধুবন’ গান) পারফর্ম করার সময় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিকবার বয়কটের ডাক দেওয়া হয়।
- অনন্যা পাণ্ডে ও জাহ্নবী কাপুর (Ananya Panday & Janhvi Kapoor):
- মূল কারণ: এই নতুন প্রজন্মের অভিনেত্রীরা প্রধানত তাঁদের অভিনয় দক্ষতার ঘাটতি এবং “স্ট্রাগল” সংক্রান্ত অসংবেদনশীল মন্তব্য করার কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সার্বক্ষণিক ট্রোলিং ও স্বজনপোষণ বিতর্কের মুখোমুখি হন।
সমাপনী মূল্যায়ন
অতীত ও বর্তমানের বিতর্কের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। অতীতে মন্দাকিনীর ঘটনা ছিল আন্ডারওয়ার্ল্ড ও ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা আজও আলোচনায় আসে। অন্যদিকে বর্তমান যুগে কঙ্গনা, আলিয়া বা দীপিকাদের মুখোমুখি হতে হয় সোশ্যাল মিডিয়া ট্রোলিং, স্বজনপোষণ বিতর্ক ও সামাজিক-রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির।
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।
বিষয়ঃ
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
বিভাগ: অপরাধ ও বিচার / চলচ্চিত্র অঙ্গন
প্রকাশের সময়: রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬ | রাত ০১:১৫ (বিএসটি)
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
বিশেষ আদালত ও অনুসন্ধান প্রতিবেদন: নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহর রহস্যজনক মৃত্যুর দীর্ঘ ৩০ বছর পর হত্যা মামলায় সবচেয়ে বড় অগ্রগতি দেখা গেছে। ২০২৬ সালের ৯ আগস্ট ভোররাতে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যাওয়ার সময় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মামলার ৪ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি খল অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডন-কে গ্রেফতার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ।

পরবর্তীতে তাঁকে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়। আদালতে জামিন নামঞ্জুর হওয়ার পর বর্তমানে তাঁকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি করছে সিআইডি।
১. মামলার চার্ট ও মূল আসামিদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ
দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ (পরিকল্পিত সংঘবদ্ধ হত্যা) ধারায় দায়ের করা এই হত্যা মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হক, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে।
[ সালমান শাহ হত্যা মামলার আসামিদের ভূমিকা ]
│
┌──────────────────────────────────┼──────────────────────────────────┐
▼ ▼ ▼
[ মূল পরিকল্পনাকারী (Masterminds) ] [ পেশাদার আঘাতকারী চক্র ] [ আলামত লোপাট ও সহায়তা ]
• সামিরা হক (স্ত্রী) • আশরাফুল হক ডন (৪ নম্বর আসামি) • লতিফা হক লুসি (শাশুড়ি/মধ্যস্থ)
• আজিজ মোহাম্মদ ভাই (ব্যবসায়ী) • ডেভিড, জাভেদ ও ফারুক • রাবেয়া সুলতানা রুবি (বিউটি পার্লার)
• রেজভি আহমেদ ফরহাদ • আব্দুস ছাত্তার ও সাজু
প্রধান প্রধান চাঞ্চল্যকর অভিযোগসমূহ:

- ১২ লাখ টাকার কিলিং কন্ট্রাক্ট: রাষ্ট্রপক্ষের দাবি ও অভিযোগ অনুযায়ী, সালমান শাহকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিতে আজিজ মোহাম্মদ ভাই এবং সামিরা হক যৌথভাবে ডন ও তার সহযোগীদের ১২ লাখ টাকার চুক্তি দিয়েছিলেন।
- আক্রোশ ও হোটেল সোনারগাঁও-এর ঘটনা: সামিরার সঙ্গে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের পরকীয়া সম্পর্কের অভিযোগের পাশাপাশি মৃত্যুর কিছুদিন আগে সোনারগাঁও হোটেলের এক পার্টিতে সামিরাকে আড়ালে নেওয়ার চেষ্টা করলে সালমান প্রকাশ্যে আজিজ মোহাম্মদ ভাইকে চড় মারেন। এর জেরেই তীব্র আক্রোশ তৈরি হয়।
- ক্লোরোফর্ম ও বিষাক্ত ইনজেকশন: ৬ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬ তারিখে সালমান শাহর বাসায় সশরীরে উপস্থিত হয়ে খুনিরা প্রথমে ক্লোরোফর্ম দিয়ে তাঁকে অচেতন করে এবং পরবর্তীতে বিশেষ বিষাক্ত ইনজেকশন পুশ করে মৃত্যু নিশ্চিত করে।
- আত্মহত্যার নাটক ও ফ্যানের সাথে ঝুলানো: মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর প্লাস্টিকের দড়ি দিয়ে সিলিং ফ্যানে মরদেহ ঝুলিয়ে আত্মহত্যার রূপ দেওয়া হয় এবং সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী ও পরিবারকে ঘরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়।
২. আসামিদের অপরাধভিত্তিক ভূমিকার তুলনামূলক তালিকা
| আসামি / পক্ষ | এজাহার অনুযায়ী ভূমিকা | বর্তমান আইনি অবস্থা |
| আশরাফুল হক ডন | শারীরিক শক্তি প্রয়োগ, হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ও আলামত নষ্ট | গ্রেফতার (৯ আগস্ট ২০২৬), জামিন না মঞ্জুর ও সিআইডি হেফাজতে |
| সামিরা হক ও আজিজ ভাই | প্রধান পরিকল্পনাকারী, চুক্তি প্রদান ও অনৈতিক আক্রোশ | দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, সিআইডির রেড অ্যালার্ট ও পলাতক |
| লতিফা হক লুসি | জামাতার প্রতি পারিবারিক আক্রোশ থেকে পেশাদার খুনিদের সাথে চুক্তি মধ্যস্থতা | পলাতক, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি |
| রাবেয়া সুলতানা রুবি | হত্যা সংঘটনে সহায়তা, ঘরের ভেতর থেকে আলামত দ্রুত সরিয়ে ফেলা | অভিযুক্ত আসামি (সাবেক লাইভ ভিডিওতে খুনের দাবি করেছিলেন) |
| রেজভি, ডেভিড ও ফারুক | জোরপূর্বক চেপে ধরা, বিষাক্ত ইনজেকশন পুশ ও পাহারা দেওয়া | ১৬৪ ধারায় পূর্বে স্বীকারোক্তি ও আসামি |
৩. সিআইডি (CID)-র বর্তমান তদন্ত প্রক্রিয়া ও সময়রেখা
[ সিআইডির বর্তমান পদক্ষেপসমূহ ]
│
┌─────────────────────────────────┼─────────────────────────────────┐
▼ ▼ ▼
[ ডনকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ ] [ সীমান্তে রেড অ্যালার্ট ] [ ৩০ আগস্টের ডেডলাইন ]
• জামিন নামঞ্জুরের পর ডনকে • সামিরা ও আজিজ ভাইসহ বাকি • আদালতের নির্দেশে আগামী ৩০ আগস্টের
মুখোমুখি করে তথ্য যাচাই। ১০ জনের দেশত্যাগে কড়া নিষেধাজ্ঞা। মধ্যে পূর্ণাঙ্গ চার্জশিট পেশ।
৪. লন্ডন থেকে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর ক্ষোভ ও দাবি

অভিনেতা ডন গ্রেফতারের খবরে লন্ডন থেকে গভীর প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী:
- “প্রকৃতির নিয়মে ডন ধরা পড়েছে”: নীলা চৌধুরী বলেন, “সালমানকে আত্মহত্যা নয়, সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। ডন আমার ছেলের মৃত্যুর পর তার নামে অপবাদ দিয়ে আমাকে অপমান করেছিল, আজ স্রষ্টার বিচারে সে ধরা পড়েছে।”
- সরকারের প্রতি আলটিমেটাম: ১৫ আগস্ট লন্ডনে ভক্তদের মানববন্ধনে যুক্ত হয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, ডন গ্রেফতার কেবল শুরু; সামিরা হক বা আজিজ মোহাম্মদ ভাই যেন কোনোভাবেই দেশ ছেড়ে পালাতে না পারেন। তাঁরা পালালে তার পুরো দায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকেই নিতে হবে।
- ৩০ আগস্ট নিরপেক্ষ চার্জশিটের দাবি: তিনি আকুতি জানান, দীর্ঘ ২৯ বছর ধরে তিনি একমাত্র বিচারের আশায় বেঁচে আছেন। সিআইডি যেন কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে নিরপেক্ষ প্রতিবেদন পেশ করে।
শেষ কথা:
১৯৯৭ সালের সিআইডি রিপোর্ট, ২০১৪ সালের বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং ২০২০ সালের পিবিআই রিপোর্ট—তিনটি সংস্থাই পূর্বে যেটিকে ‘অপমৃত্যু’ বলে দাবি করেছিল, আদালত তা বাতিল করে মামলাটিকে ‘পরিকল্পিত হত্যা মামলা’ (৩০২ ধারা) হিসেবে চালুর নির্দেশ দেওয়ায় তদন্তে নতুন গতি এসেছে। ৩০ আগস্ট সিআইডি আদালতে কী রিপোর্ট পেশ করে, সেদিকেই এখন পুরো দেশের নজর।
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।
বিখ্যাত ঐতিহাসিক ব্যক্তি
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
শাহরুখ খানকে বলিউডের “বাদশা” বা “কিং খান” বলা হয় তাঁর অসাধারণ অভিনয়জীবন, বৈশ্বিক জনপ্রিয়তা এবং চলচ্চিত্র শিল্পের ওপর তাঁর বিশাল অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাবের কারণে।

১. বিশ্বব্যাপী আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা
- গ্লোবাল আইকন: কেবল ভারত বা এশিয়ায় নয়; মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও আমেরিকাতেও তাঁর বিশাল ভক্তগোষ্ঠী রয়েছে।
- আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি: খ্যাতনামা মার্কিন মিডিয়া লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস তাঁকে “বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুভি স্টার” হিসেবে অভিহিত করেছিল।
২. বক্স অফিস রেকর্ড ও ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন
- আইকনিক রোমান্টিক রাজত্ব: ১৯৯০ ও ২০০০-এর দশকে দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে, কুছ কুছ হোতা হ্যায় এবং কাভি খুশি কাভি গাম-এর মতো সিনেমার মাধ্যমে তিনি একক অধিপত্য বিস্তার করেন।
- ঐতিহাসিক ব্যাক-টু-ব্যাক হিটস: চার বছরের বিরতি কাটিয়ে ২০২৩ সালে তিনি পরপর দুটি ১,০০০ কোটি টাকারও বেশি আয়ের ব্লকবাস্টার (পাঠান ও জওয়ান) উপহার দিয়ে নিজের বক্স অফিস শ্রেষ্ঠত্ব নিশ্চিত করেন।
৩. চলচ্চিত্রের বাইরে অর্থনৈতিক সাম্রাজ্য
- রেড চিলিস এন্টারটেইনমেন্ট: তিনি ভারতের অন্যতম শীর্ষ ও সফল ভিএফএক্স (VFX) স্টুডিও এবং প্রোডাকশন হাউসের মালিক।
- আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি: আন্তর্জাতিক ক্রিকেট লিগ আইপিএলের অন্যতম সফল দল কলকাতা নাইট রাইডার্স (KKR)-এর অন্যতম স্বত্বাধিকারী।
৪. শূন্য থেকে শীর্ষের গল্প
বলিউডে কোনো পারিবারিক পরিচিতি বা ‘গডফাদার’ ছাড়া, দিল্লির এক মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে এসে কেবল নিজের মেধা ও পরিশ্রমে ইন্ডাস্ট্রির শীর্ষে পৌঁছানোর গল্পটি কোটি মানুষের কাছে এক পরম অনুপ্রেরণা।
২০২৬ সালের মেগা প্রজেক্ট: ‘কিং’ (King)
শাহরুখ খানের সবচেয়ে বড় ও বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘কিং’ (King) নিয়ে বিনোদন অঙ্গনে বর্তমানে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
মূল তথ্যসমূহ:
- মুক্তির তারিখ: ২০২৬ সালের ২৪ ডিসেম্বর (ক্রিসমাস উৎসব)।
- পরিচালনা ও প্রযোজনা: পরিচালনা করছেন বিখ্যাত অ্যাকশন ডিরেক্টর সিদ্ধার্থ আনন্দ। প্রযোজনায় রয়েছে রেড চিলিস এন্টারটেইনমেন্ট ও মারফ্লিক্স পিকচার্স।
- কাস্টিং চমক: বড় পর্দায় এই প্রথম শাহরুখ খানের সাথে দেখা যাবে তাঁর মেয়ে সুহানা খান-কে। এছাড়া প্রধান খলনায়কের ভূমিকায় রয়েছেন অভিষেক বচ্চন এবং বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছেন দীপিকা পাড়ুকোন।
- চরিত্র ও লুক: হলিউড ক্লাসিক ‘লিয়ন: দ্য প্রফেশনাল’-এর আদলে তৈরি এই অ্যাকশন-থ্রিলারে শাহরুখকে এক ঝানু আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন বা অ্যাসাসিনের চরিত্রে দেখা যাবে, যেখানে তাঁর লুকে থাকবে হালকা পাকা চুল-দাড়ির স্টাইলিশ সংমিশ্রণ।
বাজেট, মিউজিক ডিল ও সম্ভাব্য পারিশ্রমিক
১. বাজেট (₹৩৫০ কোটি – ₹৪৫০ কোটি)
- স্কেল ও ভিএফএক্স: আন্তর্জাতিক ডিস্ট্রিবিউটর ও ট্রেড অ্যানালিস্টদের মতে, ৬টি বিশাল অ্যাকশন সিকোয়েন্স ও হাই-এন্ড ভিএফএক্স-এর কারণে সিনেমাটির আনুমানিক বাজেট ₹৩৫০ কোটি থেকে ₹৪৫০ কোটি টাকার ঘরে পৌঁছেছে।
- পরিচালকের বক্তব্য: ৪৫০ কোটি টাকার বাজেট নিয়ে কিছু মিডিয়ায় গুঞ্জন ছড়ালে পরিচালক সিদ্ধার্থ আনন্দ বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উড়িয়ে দেন; তবে এটি যে শাহরুখের ক্যারিয়ারের অন্যতম ব্যয়বহুল আন্তর্জাতিক মানের প্রজেক্ট তা নিশ্চিত।
২. রেকর্ড মিউজিক ডিল (₹৫০ কোটি)
- অডিও বা মিউজিক রাইটস বিক্রির জন্য জি মিউজিক (Zee Music)-এর সাথে রেকর্ড ₹৫০ কোটি টাকার চুক্তি আলোচনার শীর্ষে রয়েছে।
- সিনেমাটির গান কম্পোজ করছেন শচীন-জিগার এবং ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর (BGM)-এর দায়িত্বে আছেন রকস্টার মিউজিক ডিরেক্টর অনিরুদ্ধ রবিচন্দের।
৩. তারকাদের আনুমানিক পারিশ্রমিক (এক নজরে)
| তারকার নাম | চলচ্চিত্রে ভূমিকা | আনুমানিক পারিশ্রমিক (রুপি) |
| শাহরুখ খান | প্রধান লিড (ডন/মেন্টর) | ₹১৫০ কোটি – ₹২৫০ কোটি (প্রফিট শেয়ারিং) |
| দীপিকা পাড়ুকোন | বিশেষ চরিত্র | ₹১৫ কোটি – ₹২০ কোটি |
| অভিষেক বচ্চন | প্রধান খলনায়ক (Villain) | ₹১০ কোটি |
| অনিল কাপুর | গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র | ₹৮ কোটি |
| সুহানা খান | সমান্তরাল লিড/শিষ্য | ₹১ কোটি |
| অন্যান্য (জ্যাকি শ্রফ, আরশাদ ওয়ার্সি) | সহকারী চরিত্র | ₹২ কোটি – ₹৫ কোটি |
(দ্রষ্টব্য: পারিশ্রমিক সংক্রান্ত তথ্যগুলো ভারতীয় ট্রেড অ্যানালিস্টদের সূত্রে প্রাপ্ত, যা প্রযোজনা সংস্থা থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বাজার সমীক্ষার ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়ে থাকে)।



