অপরাধ
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
লেখক: একজন নিরীক্ষক নাগরিক
প্রকাশকাল: জুলাই ২০২৫
ভূমিকা: এক কর্পোরেট সাম্রাজ্যের গল্প
বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের অন্যতম প্রভাবশালী গোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ।
হাউজিং থেকে মিডিয়া, সুগার মিল থেকে সিমেন্ট, এমন কোনো ক্ষেত্র নেই যেখানে তাদের প্রবেশ ঘটেনি।
তবে এই গোষ্ঠী শুধু ব্যবসা করেনি—তারা ক্ষমতারও অংশীদার হয়েছে।
নাম লিখিয়েছে ইতিহাসের আলো-ছায়ার তালিকায়।
মিডিয়া সাম্রাজ্য: প্রচার নয়, নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার
বর্তমানে বসুন্ধরার মালিকানায় রয়েছে:
- ২টি টেলিভিশন চ্যানেল
- ২টি বাংলা জাতীয় দৈনিক
- ১টি ইংরেজি দৈনিক
- ১টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল
এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে তারা শুধু সংবাদ প্রচার করেনি—রাষ্ট্রক্ষমতার পক্ষে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়েছে, বিরোধী মত রুদ্ধ করেছে, ফ্যাসিবাদের মুখপাত্রে রূপান্তরিত হয়েছে।
২০০১–২০০৬: রাজনীতির আঁচলধরা কর্পোরেট সম্পর্ক
চারদলীয় জোট সরকারের সময় বসুন্ধরা গ্রুপের মালিক শাহ আলম বিএনপির ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন।
বিশেষ করে তৎকালীন হাওয়া ভবনের রাজনীতিতে তার নাম বারবার উচ্চারিত হয়।
২০০৫ সালে “দৈনিক যায়যায়দিন”-এ বিনিয়োগকারী হিসেবে নাম উঠেছিল, যা তখন গর্বের নাম হলেও, এখন ইতিহাসের অনাকাঙ্ক্ষিত পর্ব।
সাব্বির হত্যা মামলা: বিচারহীনতার এক প্রতীক
বসুন্ধরার পরিচালক সাব্বির—একজন তরুণ, উচ্চশিক্ষিত উদ্যোক্তা, যিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরে দেশের টেলিকম খাতে অবদান রাখতে চেয়েছিলেন।
কিন্তু তার স্বপ্ন শেষ হয়েছিল একটি কৌশলগত হত্যাকাণ্ডে।
বসুন্ধরার ভবন থেকে তাকে allegedly ফেলে হত্যা করা হয়, কারণ তিনি তার বিনিয়োগ ফেরত চাইছিলেন।
এ ঘটনায় মামলা হলেও, বিচার হয়নি।
বরং ১/১১-এর সময় মামলাটি ধামাচাপা দিতে ২০ কোটি টাকার ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ ওঠে।
আইনের প্রহসন: সাজাপ্রাপ্ত হয়েও খালাস!
১/১১-এর জরুরি অবস্থার সময় শাহ আলম পলাতক ছিলেন। তার বিরুদ্ধে সম্পদের হিসাব না দেওয়া এবং দুর্নীতির অভিযোগে মামলায় দণ্ডিত হন।
দেশের প্রচলিত আইনে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে কারাগারে না পাঠিয়ে আপিলের সুযোগ নেই।
তবু, তৎকালীন বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছার কল্যাণে শাহ আলম কারাগারে না গিয়ে হাইকোর্ট থেকে অভূতপূর্বভাবে খালাস পান।
এটাই বাংলাদেশের ইতিহাসে বিচারব্যবস্থার সবচেয়ে বড় বিদ্রূপ হিসেবে বিবেচিত হয়।
ক্ষমতার সঙ্গে সখ্যতা: ফ্যাসিবাদের সহযোগী মিডিয়া
শেখ হাসিনার শাসনামলে বসুন্ধরার মিডিয়া ছিল ফ্যাসিবাদী কাঠামোর প্রধান সাহিত্যিক বাহিনী।
সম্পাদক নঈম নিজাম ছিলেন সেই যোগাযোগের মূল স্থপতি, যার মাধ্যমে ভারতীয় রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির সঙ্গেও বসুন্ধরার সমন্বয় হয়।
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ও ৫ আগস্টের পর, এই মিডিয়ার ভূমিকা বদলাতে শুরু করে।
বিএনপি ঘনিষ্ঠ কাদের গণি চৌধুরীকে বসানো হয় মিডিয়ার দায়িত্বে।
সম্প্রতি তার জায়গায় আনা হয়েছে পুলিশের সাবেক কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন রিমনকে, যিনি একটি বিশেষ জায়গার মনোনীত ব্যক্তি বলে গুঞ্জন।
আইনের শাসন নেই, বরং কর্পোরেট ছায়া–প্রশাসন আছে
বসুন্ধরার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা, সম্পত্তি ক্রোক, গ্রেফতারি পরোয়ানা—সবই ছিল আইনের পাতায়।
কিন্তু বাস্তবে?
- কোনো সরকার তাদের স্পর্শ করতে পারেনি।
- যাদের সরকারে আসার সম্ভাবনা, তারাই এখন অগ্রিম প্রটেকশন দিচ্ছে।
- ওয়ারেন্ট ফারেন্ট, মামলা–সবই হয়ে উঠেছে প্রহসন।
উপসংহার: এটা কেবল বসুন্ধরার গল্প নয়—এটা রাষ্ট্রের অন্তঃসারশূন্যতার গল্প
বসুন্ধরার ইতিহাস আমাদের বলে—যদি আপনার অর্থ থাকে, প্রভাব থাকে, মিডিয়া থাকে—তাহলে আপনি দেশের ‘আইন’কে পকেটে রাখতে পারেন।
এটা গণতন্ত্র নয়, এটা হল “কর্পোরেট ফ্যাসিবাদের পুঁজি নির্ভর দানব রাষ্ট্র”।
প্রতিবেদক: BDS Bulbul Ahmed
আরও বিশ্বসংবাদ জানতে চোখ রাখুন পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো রেল ট্রায়াল রান: যানজটমুক্ত ঢাকার নতুন লিগ্যাসি শুরু
বিশেষ বিশ্লেষক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ | পালস বাংলাদেশ ১২ মার্চ, ২০২৬ (বৃহস্পতিবার)
আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো রেল ট্রায়াল রান আজ বাংলাদেশের যাতায়াত ইতিহাসে এক নতুন স্বর্ণাক্ষরের সূচনা করল। রাজধানীর তীব্র যানজট থেকে মুক্তি পেতে বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত বিস্তৃত দেশের প্রথম পাতাল রেলের পরীক্ষামূলক চলাচল বা ট্রায়াল রান আজ সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০২৬ সালের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি বাংলাদেশের আধুনিক যোগাযোগ অবকাঠামোর এক অনন্য মাইলফলক।
ঢাকার পাতাল পথে নতুন দিগন্ত
আজকের এই আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো রেল ট্রায়াল রান কেবল একটি যান্ত্রিক পরীক্ষা নয়, বরং এটি ২০৩১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার একটি বড় পদক্ষেপ। এমআরটি লাইন-১ (MRT Line-1) প্রকল্পের অধীনে পরিচালিত এই পাতাল রেলটি মাটির প্রায় ৩০ মিটার গভীর দিয়ে কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত মাত্র ২৪ মিনিটে যাত্রী পৌঁছে দেবে।
প্রকল্পের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- গতি ও সময়: ট্রায়াল রানে ট্রেনটি সর্বোচ্চ ১০০ কিমি গতিতে চলেছে।
- যাত্রী ধারণক্ষমতা: প্রতিদিন প্রায় ৮ লক্ষ যাত্রী এই রুটে যাতায়াত করতে পারবেন।
- পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি: মাটির নিচে শব্দহীন এবং উন্নত অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা সম্পন্ন আধুনিক এই কোচগুলো সম্পূর্ণ বিদ্যুৎ চালিত।
কেন এই পাতাল রেল গেম-চেঞ্জার?
আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো রেল ট্রায়াল রান সফল হওয়ার পর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি ঢাকার যানজট সমস্যাকে অন্তত ৪০% কমিয়ে আনবে। বিশেষ করে বিমানবন্দর এলাকায় যাত্রী ভোগান্তি এখন ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নেবে। পালস বাংলাদেশ-এর গ্রাউন্ড রিপোর্ট অনুযায়ী, আজ কমলাপুর স্টেশনে ট্রায়াল রানের সময় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
“আমরা এমন এক সময়ের স্বপ্ন দেখতাম যখন মাটির নিচ দিয়ে জটমুক্তভাবে যাতায়াত করব। আজ সেই স্বপ্নের আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো রেল ট্রায়াল রান সফল হলো।” — কড়াইল থেকে আসা এক দর্শনার্থীর মন্তব্য।
অর্থনৈতিক প্রভাব ও ভবিষ্যৎ
এই প্রকল্পের ফলে কেবল সময় বাঁচবে না, বরং জ্বালানি খরচ এবং যানজটজনিত অর্থনৈতিক ক্ষতি বছরে কয়েক হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে জানিয়েছেন, এই পাতাল রেল বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত ও শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাত্রার মান বদলে দেবে।
বিস্তারিত বিশ্লেষণ পেতে নিয়মিত চোখ রাখুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
চাঁদে মানুষের বসতি ২০২৬: নাসা ও স্পেসএক্সের যৌথ অভিযানে ইতিহাস গড়লো আর্টেমিস-৩ মিশন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১১ মার্চ, ২০২৬
মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক নতুন যুগের সূচনা হলো। দীর্ঘ ৫০ বছর পর চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফলভাবে অবতরণ করেছে নাসার আর্টেমিস-৩ মহাকাশযান। ২০২৬ সালের এই ঐতিহাসিক অভিযানের মাধ্যমে চাঁদে মানুষের বসতি ২০২৬ গড়ার স্বপ্ন এখন বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে। আজ বুধবার সকালে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এবং এলন মাস্কের স্পেসএক্স (SpaceX) যৌথভাবে এই সফল ল্যান্ডিং নিশ্চিত করেছে।
এই অভিযানে প্রথমবার একজন নারী এবং একজন কৃষ্ণাঙ্গ মহাকাশচারী চাঁদের মাটিতে পা রেখেছেন, যা বৈশ্বিক সমতা ও অন্তর্ভুক্তির এক অনন্য উদাহরণ।
আর্টেমিস-৩ মিশনের লক্ষ্য ও প্রযুক্তি
চাঁদে মানুষের বসতি ২০২৬ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো চাঁদে একটি স্থায়ী বেস ক্যাম্প বা আস্তানা তৈরি করা। আর্টেমিস-৩ মিশনের মহাকাশচারীরা চাঁদের দক্ষিণ মেরুর এমন এক অঞ্চলে অবতরণ করেছেন যেখানে বরফ আকারে পানির অস্তিত্ব পাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। স্পেসএক্সের তৈরি ‘স্টারশিপ’ ল্যান্ডার ব্যবহার করে এই জটিল অবতরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।
নাসা জানিয়েছে, চাঁদে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, জ্বালানি এবং পানি উৎপাদনের প্রাথমিক পরীক্ষাগুলো এই মিশন থেকেই শুরু হবে। এটি কেবল বিজ্ঞানের জয় নয়, বরং ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানুষের পা রাখার প্রথম ধাপ।
আন্তর্জাতিক প্রভাব ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা
মহাকাশে এই আধিপত্য স্থাপনের লড়াইয়ে নাসা ছাড়াও চীন ও রাশিয়া তাদের নিজস্ব লুনার স্টেশন তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তবে চাঁদে মানুষের বসতি ২০২৬ অভিযানে নাসা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের এই সমন্বয় মহাকাশ গবেষণার খরচ কমিয়ে আনবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আন্তর্জাতিক এই সাফল্যের ফলে স্যাটেলাইট যোগাযোগ, খনিজ সম্পদ আহরণ এবং মহাকাশ পর্যটন শিল্পে এক নতুন বিপ্লব ঘটবে।
বিশেষ বিশ্লেষণ ও মন্তব্য
বিশ্লেষক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ এই বৈশ্বিক অর্জন নিয়ে বিশ্লেষক বিডিএস বুলবুল আহমেদ জানান, “চাঁদে মানুষের বসতি ২০২৬ কেবল একটি বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা নয়, এটি মানবজাতির অসীম সাহসের প্রতীক। পৃথিবী ছাড়িয়ে মহাকাশে বসতি গড়া মানবাধিকারের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। তবে আমাদের মনে রাখতে হবে, মহাকাশের এই সম্পদ যেন আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে সকল দেশের জন্য সমানভাবে ব্যবহৃত হয়। সামাজিক সমতা এবং শ্রমের মর্যাদা যেন পৃথিবীর বাইরেও প্রতিষ্ঠিত থাকে, এটাই হবে আগামীর চ্যালেঞ্জ।”
সামাজিক সমতা, মানবাধিকার ও শ্রমের মর্যাদা নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ পেতে নিয়মিত চোখ রাখুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।
বিষয়ঃ
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার করুন
জ্বালানি নিরাপত্তা ২০২৬: ভারত থেকে ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনে ডিজেল সরবরাহ শুরু, কাটবে সংকট
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | ১১ মার্চ, ২০২৬
বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যেও দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ২০২৬ নিশ্চিত করতে এক বড় মাইলফলক স্পর্শ করেছে বাংলাদেশ। আজ বুধবার থেকে ‘ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন’-এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ডিজেল আমদানি ও সরবরাহ শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলেও, এই পাইপলাইনের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি প্রাপ্তি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই পাইপলাইনের মাধ্যমে বছরে প্রায় ১.৮ লাখ টন ডিজেল সরাসরি বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের ডিপোগুলোতে পৌঁছাবে। এতে পরিবহন খরচ কমার পাশাপাশি সময়ও সাশ্রয় হবে।
জ্বালানি সংকট ও বিকল্প ব্যবস্থা
জ্বালানি নিরাপত্তা ২০২৬ পরিকল্পনার অধীনে সরকার অভ্যন্তরীণ মজুদ বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে। বিশেষ করে কৃষি ও শিল্প উৎপাদন সচল রাখতে ডিজেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারি থেকে আসা এই ডিজেল উচ্চমানের এবং পরিবেশবান্ধব।
বর্তমানে লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে সমস্যার কারণে আন্তর্জাতিক রুটে তেলবাহী ট্যাংকার আসতে দেরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে স্থলপথে পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি আসা বাংলাদেশের জন্য একটি কৌশলগত বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সাশ্রয়ী মূল্যে ডিজেল ও অর্থনৈতিক প্রভাব
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পাইপলাইনের সুফল সরাসরি পাবেন দেশের কৃষক ও পরিবহন মালিকরা। নৌপথ বা রেলপথে তেল পরিবহনে যে সিস্টেম লস এবং অতিরিক্ত খরচ হতো, পাইপলাইনে তা শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে। এর ফলে ভবিষ্যতে ডিজেলের দাম অভ্যন্তরীণ বাজারে আরও সমন্বয় করা সম্ভব হতে পারে, যা সরাসরি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে সাহায্য করবে।
বিশেষ বিশ্লেষণ ও মন্তব্য
বিশ্লেষক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ এই জ্বালানি নীতি নিয়ে বিশ্লেষক বিডিএস বুলবুল আহমেদ জানান, “জ্বালানি নিরাপত্তা ২০২৬ অর্জনে আঞ্চলিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ কেবল অর্থনীতির চাকা সচল রাখে না, এটি নাগরিকের মানবাধিকার ও উন্নয়ন নিশ্চিত করে। সামাজিক সমতা বজায় রাখতে হলে জ্বালানির ন্যায্য মূল্য এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা জরুরি। এই পাইপলাইন প্রকল্পটি দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি ঝুঁকি হ্রাসে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।”
বিস্তারিত বিশ্লেষণ পেতে নিয়মিত চোখ রাখুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।



