রাজনীতি

আমি হাসিনার সমর্থক ছিলাম, কিন্তু আজ ঘুম আসে না
২০০৮ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত শেখ হাসিনার প্রতি সহানুভূতিশীল এক নাগরিকের উপলব্ধি, যিনি আজ তাঁর পদত্যাগের পর গভীর শূন্যতায় ভুগছেন। পড়ুন বিডিএস বুলবুল আহমেদের ঘুমহীন রাতের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক স্বীকারোক্তি।

নিউজ ডেস্ক

July 21, 2025

শেয়ার করুন

প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ

আমি কখনো আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী ছিলাম না। শেখ হাসিনার অন্ধ সমর্থকও না। বরং বলুন, একজন সিম্প্যাথাইজার। একটা সময় পর্যন্ত তাঁর রাজনৈতিক দূরদর্শিতায়, কৌশলে, দেশ পরিচালনার ধৈর্যে আমি মুগ্ধ ছিলাম।

সত্যি বলছি, তা লুকিয়ে রাখার কিছু নেই। ২০১৪ সালের আগ পর্যন্ত আমি তাঁকে সমর্থন করেছি। কারণ বিএনপি তখন এমন এক রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলার জন্ম দিয়েছিল, যেখানে হাসিনাকে না সমর্থন করে উপায় ছিল না। আমি ভাবতাম—যাঁরা রাস্তায় পেট্রোল বোমা ছোড়ে, মানুষ পুড়িয়ে মারে, তাদের চেয়ে হাসিনাই ভালো। তিনি অন্তত স্থিতিশীলতা এনে দিয়েছিলেন।

কিন্তু সব কিছুতে একটা সীমা থাকা দরকার, তাই না?

২০১৮ সালের “নিশি ভোট” নির্বাচনের পর আমি আর তাঁকে চিনতে পারিনি। পরিচিত কেউ যেন একদিন হঠাৎ অচেনা হয়ে ওঠে—ঠিক তেমন। তিনি এমন এক দেবী-সত্তায় পরিণত হলেন, যাঁকে প্রশ্ন করা মানেই বিশ্বাসঘাতকতা। এ দেশে যেন একমাত্র পবিত্র নাম শেখ হাসিনা—এমন ভাবমূর্তি তৈরি হলো।

আজ ৬ আগস্ট, ভোর ৫টা ১২ মিনিটে আমি লেখাটি লিখছি। গতকাল ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন। সব কিছু ঘটে গেছে যেন বিড়ালের পায়ের শব্দে। কেউ টেরও পেল না।

আর আমার ঘুম আসছে না।

আমি মজা করে অনেক সময় বলতাম—“শেখ হাসিনার মত কৌশলী নেতা পৃথিবীতে দুটো নেই।” আজও মনে করি, রাজনৈতিক কৌশলে তাঁর জুড়ি নেই। কিন্তু এখন প্রশ্ন করি—এই কৌশলই কি শেষ পর্যন্ত তাঁর সর্বনাশ ডেকে আনলো?

আমার বুক ফেটে কান্না আসে যখন দেখি, ৩২ নম্বর বাড়ির সামনে আগুন। বঙ্গবন্ধুর মুরালের ভাঙা অংশে দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে দিয়েছে ছাত্ররা। ঘৃণা জমে গেলে মানুষ এমনই হয়, আমি জানি। কিন্তু আমি প্রস্তুত ছিলাম না—একজন সমর্থক, একজন সিম্প্যাথাইজার হিসেবে এমন একটি রাতের জন্য।

আমার মনে হয়, হাসিনা শুধু বিরোধীদের কথা শুনতেন না তা নয়—তিনি নিজের দলেরও কাউকে আর বিশ্বাস করতেন না। ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে সংসদ ভরিয়ে তুলেছিলেন গায়ক, নায়ক, ব্যবসায়ী আর সুবিধাবাদী দিয়ে। রাজাকারের তকমা যাঁরা বহন করেন, তাঁরাও ছিলেন তাঁর মন্ত্রীসভায়। বঙ্গবন্ধুর হত্যায় আনন্দ করা লোকও পেয়েছে ক্ষমতার স্বাদ। এটাই কি ছিল তাঁর “বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন”?

আমার লজ্জা লাগে। সত্যি বলছি—আজ আমি লজ্জিত।

জুলাই-আগস্টের গণআন্দোলন রক্তে রঞ্জিত হয়েছে। হাসিনা প্রথমে বুঝতেই চাননি যে মানুষ ক্ষুব্ধ। যখন বুঝলেন, তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। ক্ষমতা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন, কিন্তু জানালেন না কোনো নেতা-কর্মীকে। আপা আপা করে যারা জীবন কাটিয়ে দিয়েছে, তাদেরও না।

এভাবে পালিয়ে যাওয়া একমাত্র পথ ছিল না। হয়তো, মৃত্যুই ভালো হতো—রাজনীতিতে নয়, মানুষের স্মৃতিতে বাঁচার জন্য।

শেখ হাসিনার পতন দিয়ে আওয়ামী লীগের পতন হবে কিনা জানি না। কিন্তু এটুকু জানি—আজ রাতে লাখো মানুষ ঘুমাতে পারেনি। কেউ আনন্দে, কেউ আতঙ্কে, আর কেউ অনুতাপে।

আমি ছিলাম হাসিনার একজন সহানুভূতিশীল সমর্থক। আজ, আমি জানি না আমি কী। শুধু জানি—ঘুম আসছে না।


আপনিও কি আজ ঘুমহীন? আপনার ভেতরেও কি এমন দ্বন্দ্ব কাজ করছে? জানাতে পারেন মন্তব্যে।

প্রতিবেদক:  বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।

বিষয়ঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো রেল ট্রায়াল রান

নিউজ ডেস্ক

March 12, 2026

শেয়ার করুন

আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো রেল ট্রায়াল রান: যানজটমুক্ত ঢাকার নতুন লিগ্যাসি শুরু

বিশেষ বিশ্লেষক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ | পালস বাংলাদেশ ১২ মার্চ, ২০২৬ (বৃহস্পতিবার)

আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো রেল ট্রায়াল রান আজ বাংলাদেশের যাতায়াত ইতিহাসে এক নতুন স্বর্ণাক্ষরের সূচনা করল। রাজধানীর তীব্র যানজট থেকে মুক্তি পেতে বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত বিস্তৃত দেশের প্রথম পাতাল রেলের পরীক্ষামূলক চলাচল বা ট্রায়াল রান আজ সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০২৬ সালের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি বাংলাদেশের আধুনিক যোগাযোগ অবকাঠামোর এক অনন্য মাইলফলক।

ঢাকার পাতাল পথে নতুন দিগন্ত

আজকের এই আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো রেল ট্রায়াল রান কেবল একটি যান্ত্রিক পরীক্ষা নয়, বরং এটি ২০৩১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার একটি বড় পদক্ষেপ। এমআরটি লাইন-১ (MRT Line-1) প্রকল্পের অধীনে পরিচালিত এই পাতাল রেলটি মাটির প্রায় ৩০ মিটার গভীর দিয়ে কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত মাত্র ২৪ মিনিটে যাত্রী পৌঁছে দেবে।

প্রকল্পের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • গতি ও সময়: ট্রায়াল রানে ট্রেনটি সর্বোচ্চ ১০০ কিমি গতিতে চলেছে।
  • যাত্রী ধারণক্ষমতা: প্রতিদিন প্রায় ৮ লক্ষ যাত্রী এই রুটে যাতায়াত করতে পারবেন।
  • পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি: মাটির নিচে শব্দহীন এবং উন্নত অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা সম্পন্ন আধুনিক এই কোচগুলো সম্পূর্ণ বিদ্যুৎ চালিত।

কেন এই পাতাল রেল গেম-চেঞ্জার?

আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো রেল ট্রায়াল রান সফল হওয়ার পর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি ঢাকার যানজট সমস্যাকে অন্তত ৪০% কমিয়ে আনবে। বিশেষ করে বিমানবন্দর এলাকায় যাত্রী ভোগান্তি এখন ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নেবে। পালস বাংলাদেশ-এর গ্রাউন্ড রিপোর্ট অনুযায়ী, আজ কমলাপুর স্টেশনে ট্রায়াল রানের সময় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।

“আমরা এমন এক সময়ের স্বপ্ন দেখতাম যখন মাটির নিচ দিয়ে জটমুক্তভাবে যাতায়াত করব। আজ সেই স্বপ্নের আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো রেল ট্রায়াল রান সফল হলো।” — কড়াইল থেকে আসা এক দর্শনার্থীর মন্তব্য।

অর্থনৈতিক প্রভাব ও ভবিষ্যৎ

এই প্রকল্পের ফলে কেবল সময় বাঁচবে না, বরং জ্বালানি খরচ এবং যানজটজনিত অর্থনৈতিক ক্ষতি বছরে কয়েক হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে জানিয়েছেন, এই পাতাল রেল বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত ও শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাত্রার মান বদলে দেবে।

বিস্তারিত বিশ্লেষণ পেতে নিয়মিত চোখ রাখুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।

চাঁদে মানুষের বসতি ২০২৬ মিশন - পালস বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক

March 11, 2026

শেয়ার করুন

চাঁদে মানুষের বসতি ২০২৬: নাসা ও স্পেসএক্সের যৌথ অভিযানে ইতিহাস গড়লো আর্টেমিস-৩ মিশন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১১ মার্চ, ২০২৬

মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক নতুন যুগের সূচনা হলো। দীর্ঘ ৫০ বছর পর চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফলভাবে অবতরণ করেছে নাসার আর্টেমিস-৩ মহাকাশযান। ২০২৬ সালের এই ঐতিহাসিক অভিযানের মাধ্যমে চাঁদে মানুষের বসতি ২০২৬ গড়ার স্বপ্ন এখন বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে। আজ বুধবার সকালে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এবং এলন মাস্কের স্পেসএক্স (SpaceX) যৌথভাবে এই সফল ল্যান্ডিং নিশ্চিত করেছে।

এই অভিযানে প্রথমবার একজন নারী এবং একজন কৃষ্ণাঙ্গ মহাকাশচারী চাঁদের মাটিতে পা রেখেছেন, যা বৈশ্বিক সমতা ও অন্তর্ভুক্তির এক অনন্য উদাহরণ।

আর্টেমিস-৩ মিশনের লক্ষ্য ও প্রযুক্তি

চাঁদে মানুষের বসতি ২০২৬ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো চাঁদে একটি স্থায়ী বেস ক্যাম্প বা আস্তানা তৈরি করা। আর্টেমিস-৩ মিশনের মহাকাশচারীরা চাঁদের দক্ষিণ মেরুর এমন এক অঞ্চলে অবতরণ করেছেন যেখানে বরফ আকারে পানির অস্তিত্ব পাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। স্পেসএক্সের তৈরি ‘স্টারশিপ’ ল্যান্ডার ব্যবহার করে এই জটিল অবতরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

নাসা জানিয়েছে, চাঁদে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, জ্বালানি এবং পানি উৎপাদনের প্রাথমিক পরীক্ষাগুলো এই মিশন থেকেই শুরু হবে। এটি কেবল বিজ্ঞানের জয় নয়, বরং ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানুষের পা রাখার প্রথম ধাপ।

আন্তর্জাতিক প্রভাব ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

মহাকাশে এই আধিপত্য স্থাপনের লড়াইয়ে নাসা ছাড়াও চীন ও রাশিয়া তাদের নিজস্ব লুনার স্টেশন তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তবে চাঁদে মানুষের বসতি ২০২৬ অভিযানে নাসা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের এই সমন্বয় মহাকাশ গবেষণার খরচ কমিয়ে আনবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আন্তর্জাতিক এই সাফল্যের ফলে স্যাটেলাইট যোগাযোগ, খনিজ সম্পদ আহরণ এবং মহাকাশ পর্যটন শিল্পে এক নতুন বিপ্লব ঘটবে।

বিশেষ বিশ্লেষণ ও মন্তব্য

বিশ্লেষক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ এই বৈশ্বিক অর্জন নিয়ে বিশ্লেষক বিডিএস বুলবুল আহমেদ জানান, “চাঁদে মানুষের বসতি ২০২৬ কেবল একটি বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা নয়, এটি মানবজাতির অসীম সাহসের প্রতীক। পৃথিবী ছাড়িয়ে মহাকাশে বসতি গড়া মানবাধিকারের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। তবে আমাদের মনে রাখতে হবে, মহাকাশের এই সম্পদ যেন আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে সকল দেশের জন্য সমানভাবে ব্যবহৃত হয়। সামাজিক সমতা এবং শ্রমের মর্যাদা যেন পৃথিবীর বাইরেও প্রতিষ্ঠিত থাকে, এটাই হবে আগামীর চ্যালেঞ্জ।”

সামাজিক সমতা, মানবাধিকার ও শ্রমের মর্যাদা নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ পেতে নিয়মিত চোখ রাখুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।

জ্বালানি নিরাপত্তা ২০২৬ বাংলাদেশ - পালস বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক

March 11, 2026

শেয়ার করুন

জ্বালানি নিরাপত্তা ২০২৬: ভারত থেকে ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনে ডিজেল সরবরাহ শুরু, কাটবে সংকট

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | ১১ মার্চ, ২০২৬

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যেও দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ২০২৬ নিশ্চিত করতে এক বড় মাইলফলক স্পর্শ করেছে বাংলাদেশ। আজ বুধবার থেকে ‘ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন’-এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ডিজেল আমদানি ও সরবরাহ শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলেও, এই পাইপলাইনের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি প্রাপ্তি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই পাইপলাইনের মাধ্যমে বছরে প্রায় ১.৮ লাখ টন ডিজেল সরাসরি বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের ডিপোগুলোতে পৌঁছাবে। এতে পরিবহন খরচ কমার পাশাপাশি সময়ও সাশ্রয় হবে।

জ্বালানি সংকট ও বিকল্প ব্যবস্থা

জ্বালানি নিরাপত্তা ২০২৬ পরিকল্পনার অধীনে সরকার অভ্যন্তরীণ মজুদ বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে। বিশেষ করে কৃষি ও শিল্প উৎপাদন সচল রাখতে ডিজেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারি থেকে আসা এই ডিজেল উচ্চমানের এবং পরিবেশবান্ধব।

বর্তমানে লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে সমস্যার কারণে আন্তর্জাতিক রুটে তেলবাহী ট্যাংকার আসতে দেরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে স্থলপথে পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি আসা বাংলাদেশের জন্য একটি কৌশলগত বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সাশ্রয়ী মূল্যে ডিজেল ও অর্থনৈতিক প্রভাব

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পাইপলাইনের সুফল সরাসরি পাবেন দেশের কৃষক ও পরিবহন মালিকরা। নৌপথ বা রেলপথে তেল পরিবহনে যে সিস্টেম লস এবং অতিরিক্ত খরচ হতো, পাইপলাইনে তা শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে। এর ফলে ভবিষ্যতে ডিজেলের দাম অভ্যন্তরীণ বাজারে আরও সমন্বয় করা সম্ভব হতে পারে, যা সরাসরি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে সাহায্য করবে।

বিশেষ বিশ্লেষণ ও মন্তব্য

বিশ্লেষক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ এই জ্বালানি নীতি নিয়ে বিশ্লেষক বিডিএস বুলবুল আহমেদ জানান, “জ্বালানি নিরাপত্তা ২০২৬ অর্জনে আঞ্চলিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ কেবল অর্থনীতির চাকা সচল রাখে না, এটি নাগরিকের মানবাধিকার ও উন্নয়ন নিশ্চিত করে। সামাজিক সমতা বজায় রাখতে হলে জ্বালানির ন্যায্য মূল্য এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা জরুরি। এই পাইপলাইন প্রকল্পটি দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি ঝুঁকি হ্রাসে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।”

বিস্তারিত বিশ্লেষণ পেতে নিয়মিত চোখ রাখুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।

২৭শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ