অর্থনীতি

ঐতিহাসিক ৭ই জুন: ৬ দফার দাবিতে রাজপথে নারীদের মিছিলে উত্তাল ঢাকা, নেপথ্যে ঢাবি ছাত্রদের আন্দোলন
ঐতিহাসিক ৬ দফা আন্দোলন ১৯৬৬

নিউজ ডেস্ক

June 6, 2026

শেয়ার করুন

বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলনের ইতিহাসে ১৯৬৬ সালের জুন মাস ছিল একটি টার্নিং পয়েন্ট। পাকিস্তানের সামরিক জান্তা আইয়ুব-মোনায়েম খানের শোষণের শৃঙ্খল ভাঙতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত ঐতিহাসিক ‘ছয় দফা’ দাবির সপক্ষে এই দিনগুলোতে পূর্ব পাকিস্তান, বিশেষ করে রাজধানী ঢাকা পরিণত হয়েছিল এক অগ্নিগর্ভ রণক্ষেত্রে।

৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬: লাহোরে বাঙালির ‘ম্যাগনা কার্টা’ ঘোষণা

১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে সম্মিলিত বিরোধী দলগুলোর এক কনভেনশনে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন ও মুক্তির সনদ হিসেবে ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি উত্থাপন করেন। ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তান সম্পূর্ণ অরক্ষিত থাকায় বাঙালিদের মধ্যে যে চরম ক্ষোভের জন্ম নেয়, এটি ছিল তারই রাজনৈতিক বহিঃপ্রকাশ।

সাবজেক্ট কমিটির সভায় এই দাবি অগ্রাহ্য হলে বঙ্গবন্ধু সম্মেলন বয়কট করেন এবং পরবর্তীতে ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে এটি ঘোষণা করা হয়। পাকিস্তানি শাসকদের দীর্ঘদিনের শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে এটি ছিল অধিকার আদায়ের এক যুগান্তকারী দলিল, যা ইতিহাসে বাঙালির ‘ম্যাগনা কার্টা’ বা মুক্তির মহাসনদ নামে পরিচিত।

ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি কী ছিল?

  • ১. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি: লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পাকিস্তানকে একটি ফেডারেল বা যুক্তরাষ্ট্রীয় রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে, যেখানে প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকারের ভিত্তিতে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার থাকবে।
  • ২. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা: কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে থাকবে কেবল দুটি বিষয়—’প্রতিরক্ষা’ ও ‘পররাষ্ট্র বিষয়’। অন্যান্য সব বিষয় অঙ্গরাজ্যগুলোর নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
  • ৩. মুদ্রা ও অর্থ বিষয়ক ক্ষমতা: দুই অঞ্চলের জন্য সহজে বিনিময়যোগ্য দুটি পৃথক মুদ্রা থাকবে, অথবা এক মুদ্রা থাকলে পূর্ব পাকিস্তানের পুঁজি যাতে পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার হতে না পারে, তার জন্য সুনির্দিষ্ট সংবিধিবদ্ধ ব্যবস্থা থাকতে হবে।
  • ৪. राजस्व, কর ও শুল্ক বিষয়ক ক্ষমতা: কর ও শুল্ক ধার্য করার চূড়ান্ত ক্ষমতা থাকবে আঞ্চলিক সরকারের হাতে। আদায়কৃত রাজস্বের একটি নির্দিষ্ট অংশ কেন্দ্রীয় সরকারকে দেওয়া হবে।
  • ৫. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা: প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার ওপর সংশ্লিষ্ট রাজ্যের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণ থাকবে এবং বিদেশের সাথে বাণিজ্য চুক্তির অধিকার পাবে।
  • ৬. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা: পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিরক্ষার জন্য আধা-সামরিক বাহিনী (প্যারা-মিলিটারি) বা আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা দিতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদের লাগাতার আন্দোলন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস ঐতিহাসিকভাবেই বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের মূল কেন্দ্রবিন্দু। ১৯৬৬ সালের জুনের শুরু থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসজুড়ে ছাত্র সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে লাগাতার মিছিল ও সমাবেশ করা হতে থাকে। তৎকালীন ছাত্রনেতাদের আহ্বানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হল থেকে হাজার হাজার সাধারণ শিক্ষার্থী ক্লাস বর্জন করে রাজপথে নেমে আসেন।

“ছয় দফা মানতে হবে”, “বাঙালির মুক্তি চাই”—এমন সব বজ্রকঠিন স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে কলাভবন, মধুর ক্যান্টিন এবং কার্জন হল প্রাঙ্গণ। ছাত্রদের এই লাগাতার আন্দোলনই মূলত ৭ জুনের ঐতিহাসিক হরতাল সফল করার মূল ভিত্তি প্রস্তুত করেছিল।

৭ই জুন: ঢাকার রাজপথে নারীদের অভূতপূর্ব মিছিল ও প্রতিরোধ

১৯৬৬ সালের ৭ই জুন ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবির সমর্থনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে আহূত সর্বাত্মক হরতালে ঢাকার রাজপথে নারীদের অভূতপূর্ব মিছিল, পিকেটিং ও সাহসী প্রতিরোধ প্রথমবার প্রত্যক্ষ করে পুরো বিশ্ব। পাকিস্তানের সামরিক জান্তা আইয়ুব খানের রক্তচক্ষু ও কারফিউ উপেক্ষা করে হাজার হাজার সাধারণ ও শ্রমজীবী নারী সেদিন অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে শামিল হয়েছিলেন।

নারীদের ঐতিহাসিক প্রতিরোধের প্রধান দিকগুলো:

  • রাজপথে অভাবনীয় পিকেটিং: তেজগাঁও, সদরঘাট ও পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ গৃহিণী এবং বিশেষ করে নারী শ্রমিকরা দলে দলে রাজপথে নেমে আসেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইডেন কলেজের ছাত্রীরা লাঠি হাতে মিছিল নিয়ে ঢাকার প্রধান সড়কগুলো কাঁপিয়ে তোলেন।
  • তেজগাঁওয়ে নারী শ্রমিকদের বীরত্ব: ৭ই জুনের হরতালের অন্যতম মূল কেন্দ্র ছিল ঢাকার তেজগাঁও শিল্প এলাকা। পুলিশ যখন আন্দোলনকারীদের ওপর বেধড়ক লাঠিচার্জ ও গুলি শুরু করে, তখন এখানকার বিভিন্ন চটকল ও সুতাকলের হাজার হাজার নারী শ্রমিক ঝাঁটা, লাঠি ও ইট-পাটকেল নিয়ে পুলিশের ওপর চড়াও হন।
  • রেনেসাঁর অন্তরালে ফজিলাতুন্নেছা মুজিব: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা তখন কারাবন্দি। এই চরম সংকটে বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ অন্য নেতাদের পরিবারের নারীরা গোপনে সাধারণ নারী সমাজকে সংগঠিত করতে এবং হরতাল সফল করার বার্তা পৌঁছে দিতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।

এই ৭ই জুনের সফল গণজাগরণই প্রমাণ করেছিল ৬ দফা শুধু শিক্ষিত মধ্যবিত্তের আন্দোলন নয়, এটি বাংলার খেটে খাওয়া সাধারণ নারী সমাজেরও বাঁচার দাবি।

আজ একুশে পদকপ্রাপ্ত সমাজসেবক জিয়াউল হকের ৯২তম জন্মদিন

ঐতিহাসিক এই উত্তাল দিনগুলোর স্মরণের মাঝেই আজ ৬ জুন, বাংলাদেশে জন্ম নিয়েছিলেন এক অনন্য আলোকবর্তিকা। একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রখ্যাত সমাজসেবক এবং “বেচি দই, কিনি বই” খ্যাত মো: জিয়াউল হকের ৯২তম জন্মদিন আজ। তিনি ১৯৩৪ সালের ৬ জুন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলার চামা মুশরিভুজা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

জীবনসংগ্রাম ও অনন্য আদর্শ:

  • “বেচি দই, কিনি বই”: অতি দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া জিয়াউল হক টাকার অভাবে পঞ্চম শ্রেণির পর আর পড়াশোনা করতে পারেননি। জীবিকার তাগিদে মাথায় ফেরি করে দই বিক্রি শুরু করলেও, অন্য কোনো শিশু যেন টাকার অভাবে ঝরে না পড়ে, সেই চিন্তা থেকে তিনি দই বিক্রির লভ্যাংশ দিয়ে বই কেনা শুরু করেন। বিগত ছয় দশক ধরে তিনি দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই, খাতা ও শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ করছেন।
  • পারিবারিক লাইব্রেরি: শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে তিনি নিজের বাড়িতেই গড়ে তুলেছেন প্রায় ১৫,০০০ বইয়ের একটি বিশাল লাইব্রেরি, যা এলাকার সর্বস্তরের পাঠক ও শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত।
  • রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি: সমাজসেবামূলক কাজের জন্য ২০০৬ সালে তিনি দেশব্যাপী বিখ্যাত “সাদা মনের মানুষ” উপাধিতে ভূষিত হন। পরবর্তীতে সমাজসেবায় অবিনাশী ও নিঃস্বার্থ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাকে ২০২৪ সালে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ civilian সম্মাননা একুশে পদক প্রদান করে।

বাঙালির গৌরবময় মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাস, মহান মনীষীদের জীবনী এবং জাতীয় রাজনীতির সব বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন ও ব্রেকিং নিউজ সবার আগে নির্ভরযোগ্যভাবে পেতে নিয়মিত চোখ রাখুন পালস বাংলাদেশ | Pulse Bangladesh।ওয়েবসাইটে।

তথ্যসূত্র: এই বিশেষ ঐতিহাসিক ও জাতীয় প্রতিবেদনটি ১৯৬৬ সালের স্বাধিকার আন্দোলনের নথিপত্র, জাতীয় আর্কাইভ এবং বাংলাদেশ প্রতিদিন-এর ইতিহাস ও ঐতিহ্য বিষয়ক ডেস্কের তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

মোবাইল ব্যাংকিং চার্জ তুলনা ২০২৬

নিউজ ডেস্ক

November 8, 2026

শেয়ার করুন

প্রতিবেদক: পালস বাংলাদেশ অর্থনীতি ডেস্ক
প্রকাশের তারিখ: ৮ নভেম্বর, ২০২৬
বিভাগ: অর্থনীতি
তথ্যসূত্র: বিকাশ (bKash), নগদ (Nagad) এবং রকেট (Rocket-DBBL)-এর অফিশিয়াল ট্যারিফ চার্ট ও কাস্টমার কেয়ার পলিসি নির্দেশিকা। 

বাংলাদেশে ক্যাশলেস লেনদেন এবং দৈনিক আর্থিক ব্যবস্থাপনার সিংহভাগই এখন নিয়ন্ত্রিত হয় মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (MFS) বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে। বিকাশ, নগদ এবং রকেট আমাদের জীবনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠলেও, অনেক ব্যবহারকারীই এদের বিভিন্ন লেনদেন চার্জ এবং হিডেন কস্ট (গোপন খরচ) সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত নন। কোন মাধ্যমে টাকা কাটলে আপনার খরচ সবচেয়ে কম হবে এবং কোথায় কী ধরণের অতিরিক্ত টাকা কেটে নেওয়া হয়, তা গুগলের ২০২৬ সালের ফিন্যান্সিয়াল ট্রান্সপারেন্সি গাইডলাইন অনুযায়ী নিচে বিস্তারিত ও স্বচ্ছভাবে তুলনা করা হলো। 

১. ক্যাশ আউট চার্জের তুলনা (Cash Out Charge Comparison)
মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সবচেয়ে বড় খরচ হলো ‘ক্যাশ আউট’ বা এজেন্ট থেকে টাকা তোলার চার্জ। অ্যাপ (App) এবং বাটন ফোনের ইউএসএসডি (USSD) কোড ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে চার্জের তারতম্য নিচে দেওয়া হলো: 

  • বিকাশ (bKash):
    • অ্যাপের মাধ্যমে সাধারণ ক্যাশ আউট চার্জ প্রতি হাজারে ১৮.৫০ টাকা। 
    • ইউএসএসডি কোড (*247#) দিয়ে ক্যাশ আউট করলে প্রতি হাজারে ১৮.৫০ টাকা। 
    • তবে বিকাশের ১টি ‘প্রিয় এজেন্ট’ নম্বর সেট করলে প্রতি হাজারে ১৪.৯০ টাকা রেটে (মাসে ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত) ক্যাশ আউট করা যায়। 
  • নগদ (Nagad):
    • অ্যাপের মাধ্যমে ক্যাশ আউট চার্জ প্রতি হাজারে ১২.৫০ টাকা (ভ্যাটসহ ১৪.৯৭ টাকা)। 
    • ইউএসএসডি কোড (*167#) ব্যবহার করলে চার্জ প্রতি হাজারে ১৪.৯৪ টাকা (ভ্যাটসহ ১৮.৫০ টাকা)। 
  • রকেট (Rocket):
    • অ্যাপ এবং ইউএসএসডি (*322#) উভয় মাধ্যমেই সাধারণ এজেন্ট থেকে ক্যাশ আউট চার্জ প্রতি হাজারে ১৫.০০ টাকা (ভ্যাটসহ প্রায় ১৮.০০ টাকা)। 
    • তবে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের নিজস্ব এটিএম (ATM) বুথ থেকে রকেট অ্যাপ ব্যবহার করে ক্যাশ আউট করলে প্রতি হাজারে মাত্র ৯.০০ টাকা চার্জ কাটে। 

২. সেন্ড মানি ও পিটুপি চার্জ (Send Money Charges)
এক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রেও রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন নিয়ম: 

  • বিকাশ: অ্যাপের মাধ্যমে ৫টি ‘প্রিয় নম্বর’ (Prize Numbers) সেট করলে ১০০ টাকা থেকে ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত সেন্ড মানি সম্পূর্ণ ফ্রি। প্রিয় নম্বর ছাড়া অ্যাপ বা ইউএসএসডি-তে ৫ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১০ টাকা পর্যন্ত ফ্ল্যাট ফি কাটে। 
  • নগদ: নগদ অ্যাপ থেকে যেকোনো নম্বরে সেন্ড মানি করা সম্পূর্ণ ফ্রি। তবে বাটন ফোনে ইউএসএসডি কোড ব্যবহার করে সেন্ড মানি করলে প্রতি লেনদেনে ৪.০০ টাকা প্লাস ভ্যাট চার্জ কাটে। 
  • রকেট: রকেটে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য সেন্ড মানি চার্জ প্রতি লেনদেনে ৫.০০ টাকা। 

৩. মোবাইল ব্যাংকিংয়ের “হিডেন কস্ট” বা গোপন খরচসমূহ


অফিশিয়াল ট্যারিফ চার্টের বাইরেও কিছু ক্ষেত্রে গ্রাহকদের অজান্তেই টাকা কেটে নেওয়া হয়, যা নিচে উন্মোচন করা হলো: 

  • অ্যাপ বনাম ইউএসএসডি জালিয়াতি (নগদ): নগদের বিজ্ঞাপনে “হাজারে ১১.৪৯ টাকা” বা “১২.৫০ টাকা” ক্যাশ আউটের কথা বলা হলেও, এটি কেবল অ্যাপের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। বাটন ফোনের সাধারণ গ্রাহকেরা যখন ইউএসএসডি কোড দিয়ে টাকা তোলেন, তখন তাদের কাছ থেকে পুরো ১৮.৫০ টাকাই কেটে নেওয়া হয়, যা অনেক সাধারণ গ্রাহকই খেয়াল করেন না। 
  • ভ্যাট এবং ফ্র্যাকশন কস্ট (Fraction Cost): অনেক অপারেটর মূল চার্জের সাথে ১৫% সরকারি ভ্যাট আলাদাভাবে যোগ করে। যেমন নগদের ১২.৫০ টাকার সাথে ভ্যাট যুক্ত হয়ে সেটি প্রকৃতপক্ষে ১৪.৯৭ টাকা দাঁড়ায়। 
  • লিমিট ক্রস পেনাল্টি: বিকাশ বা রকেটে নির্দিষ্ট মাসিক লেনদেনের লিমিট (যেমন ক্যাশ আউট বা সেন্ড মানি কাউন্ট) পার হয়ে গেলে পরবর্তী লেনদেনগুলোর জন্য অতিরিক্ত পেনাল্টি চার্জ বা উচ্চতর ফি প্রযোজ্য হতে পারে। 
  • ব্যাংক টু এমএফএস ট্রান্সফার ফি: ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে টাকা আনার (Add Money) সময় বেশিরভাগ ব্যাংক ফ্রি দিলেও, কিছু নির্দিষ্ট ব্যাংক কার্ড থেকে টাকা লোড করার সময় ১% থেকে ২% পর্যন্ত প্রসেসিং ফি বা হিডেন ইনভয়েস চার্জ কেটে রাখে। 

৪. একনজরে মোবাইল ব্যাংকিং চার্জের তুলনামূলক ছক (১,০০০ টাকার হিসাবে) 

লেনদেনের ধরণবিকাশ (bKash)নগদ (Nagad)রকেট (Rocket)
অ্যাপ ক্যাশ আউট৳১৮.৫০ (প্রিয় এজেন্টে ৳১৪.৯০)৳১৪.৯৭ (ভ্যাটসহ)৳১৮.০০ (ATM বুথে ৳৯.০০)
USSD ক্যাশ আউট৳১৮.৫০৳১৮.৫০ (ভ্যাটসহ)৳১৮.০০
অ্যাপ সেন্ড মানিফ্রি (৫টি প্রিয় নম্বরে)সম্পূর্ণ ফ্রি৳৫.০০
বিল পে (Bill Pay)প্রতিষ্ঠানভেদে ৳৫ – ৳৩০ফ্রি থেকে শুরু করে নির্দিষ্ট ফিপ্রতিষ্ঠানভেদে চার্জ প্রযোজ্য


স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য ক্যাশ আউট করার ক্ষেত্রে অ্যাপ ব্যবহার করাই সবচেয়ে সাশ্রয়ী। আপনি যদি বিকাশের নিয়মিত গ্রাহক হন, তবে আপনার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত বিশ্বস্ত এজেন্ট নম্বরটিকে অবশ্যই ‘প্রিয় এজেন্ট’ হিসেবে সেট করে রাখুন, এতে আপনার প্রতি হাজারে ৩.৬০ টাকা সাশ্রয় হবে। অন্যদিকে, আপনার আসেপাশে যদি ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথ থাকে, তবে রকেট অ্যাপ ব্যবহার করে বুথ থেকে টাকা তোলাই হবে সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ, কারণ এখানে খরচ অর্ধেকেরও কম (মাত্র ৯ টাকা)। কোনো অবস্থাতেই অপরিচিত কাউন্টার বা লিংকে আপনার পিন (PIN) বা ওটিপি (OTP) শেয়ার করবেন না। 

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।

রেট রাউন্ডআপ

নিউজ ডেস্ক

November 8, 2026

শেয়ার করুন

প্রতিবেদক: পালস বাংলাদেশ অর্থনীতি ডেস্ক
প্রকাশের তারিখ: ৮ নভেম্বর, ২০২৬
বিভাগ: অর্থনীতি
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক (Bangladesh Bank Monthly FX), বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (BAJUS), ওয়াইজ (Wise) রিয়েল-টাইম এক্সচেঞ্জ রেট এবং অভ্যন্তরীণ ব্যাংকিং চ্যানেল। 

নভেম্বর ২০২৬-এর প্রথম সপ্তাহে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে অর্থনৈতিক সূচকগুলোতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন দেখা গেছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামের সংশোধন এবং দেশের অভ্যন্তরে রেমিট্যান্সের অফিসিয়াল রেটের কিছুটা ওঠানামা এই সপ্তাহের প্রধান আলোচিত বিষয় ছিল। প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানো এবং স্থানীয় বাজারে কেনাকাটার সুবিধার্থে চলতি সপ্তাহের (৮ নভেম্বর ২০২৬-এ শেষ হওয়া সপ্তাহ) ডলার, ইউরো, মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত এবং পাকা স্বর্ণের বাজারদরের একটি পূর্ণাঙ্গ সাপ্তাহিক রাউন্ডআপ নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো। 

১. বৈদেশিক মুদ্রার সাপ্তাহিক রাউন্ডআপ (ডলার, ইউরো ও রিঙ্গিত)
চলতি সপ্তাহে ব্যাংকিং চ্যানেল ও খোলা বাজারে প্রধান আন্তর্জাতিক মুদ্রাগুলোর গড় লেনদেন হার ছিল নিম্নরূপ: 

  • মার্কিন ডলার (USD): এই সপ্তাহে মার্কিন ডলারের রেট তুলনামূলক স্থিতিশীল ছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রলিং পেগ ও অফিশিয়াল মিড-রেট অনুযায়ী প্রতি ডলার ১২৪.৩৫ টাকা থেকে ১২৪.৫০ টাকার মধ্যে লেনদেন হয়েছে। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো প্রবাসীদের রেমিট্যান্স ক্রয়ের ক্ষেত্রে গড় রেট দিয়েছে ১২৩.৩০ – ১২৩.৫০ টাকা এবং সাধারণ আমদানিকারক ও গ্রাহকদের কাছে ডলার বিক্রি হয়েছে ১২৪.৮০ টাকা পর্যন্ত। 
  • ইউরো (EUR): ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরোর দাম এই সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে তাল মিলিয়ে কিছুটা ওঠানামা করেছে। বাংলাদেশি টাকায় চলতি সপ্তাহে ১ ইউরোর গড় মিড-মার্কেট রেট ছিল প্রায় ১৪০.১১ টাকা, যা ব্যাংকভেদে সর্বোচ্চ ১৪১.৭৪ টাকা পর্যন্ত ক্যাশ সেলিং রেটে কেনাবেচা হয়েছে। 
  • মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত (MYR): মালয়েশিয়া প্রবাসী ভাই-বোনদের জন্য চলতি সপ্তাহের রিঙ্গিত রেট বেশ সন্তোষজনক ছিল। ৪ থেকে ৮ নভেম্বরের লাইভ কারেন্সি চার্ট অনুযায়ী ১ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত সমান ৩০.৬৩ টাকা (মিড-মার্কেট রেট)। বিভিন্ন রেমিট্যান্স হাউজ ও মোবাইল ব্যাংকিং পার্টনারদের মাধ্যমে এটি প্রবাসীরা সর্বোচ্চ ৩০.৬৬ টাকা পর্যন্ত রেটে পাঠাতে পেরেছেন। 

২. পাকা স্বর্ণ ও রুপার সাপ্তাহিক বাজারদর (Gold & Silver Price)


চলতি সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের মূল্য কিছুটা হ্রাস পাওয়ায় স্থানীয় বুলিয়ন মার্কেটেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) কর্তৃক এই সপ্তাহে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ ২,৭৪১ টাকা পর্যন্ত কমিয়েছে। চলতি সপ্তাহের সর্বশেষ বাজারদর: 

  • ২২ ক্যারেট (হলমার্ক ৯১৬): প্রতি ভরি ২,২৬,৯২৩ টাকা (প্রতি গ্রাম ১৯,৪৫৫ টাকা)। 
  • ২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২,১৬,৭১৭ টাকা। 
  • ১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি ১,৮৬,০৯৯ টাকা। 
  • সনাতন পদ্ধতির সোনা: প্রতি ভরি ১,৫২,০৪০ টাকা। 

অন্যদিকে, স্বর্ণের দাম কমলেও রুপার বাজারে কোনো পরিবর্তন আসেনি। ২২ ক্যারেট রুপার ভরি ৩,৪৯৯ টাকা এবং ২১ ক্যারেট রুপার ভরি ৩,৩৮৩ টাকাতেই স্থিতিশীল রয়েছে। 

৩. প্রবাসীদের জন্য বিভিন্ন রেমিট্যান্স হাউজের রেট তুলনা (১০০০ MYR হিসেবে)
এই সপ্তাহে মালয়েশিয়া থেকে প্রবাসীরা ১০০০ রিঙ্গিত দেশে পাঠালে কোনো অতিরিক্ত চার্জ ছাড়া বিভিন্ন মাধ্যমে আনুমানিক যে পরিমাণ টাকা পেয়েছেন তা নিচে তুলে ধরা হলো: 

  • Wise (অনলাইন ট্রান্সফার): গড় রেট ৩০.৫৪ টাকা। ১০০০ রিঙ্গিতে প্রবাসীরা পেয়েছেন ৩০,NT৪০ টাকা। 
  • Agrani Remittance House: গড় রেট ৩০.৪৫ টাকা। ১০০০ রিঙ্গিতে প্রবাসীরা পেয়েছেন ৩০,৪৫০ টাকা। 
  • Al-Rajhi Bank: গড় রেট ৩০.৪৪ টাকা। ১০০০ রিঙ্গিতে প্রবাসীরা পেয়েছেন ৩০,৪৪০ টাকা। 
  • Western Union (ক্যাশ পিকআপ): গড় রেট ৩০.৩৯ টাকা। ১০০০ রিঙ্গিতে প্রবাসীরা পেয়েছেন ৩০,৩৯০ টাকা। 


বৈদেশিক মুদ্রা এবং স্বর্ণের আন্তর্জাতিক বাজার অত্যন্ত সংবেদনশীল ও পরিবর্তনশীল। যেকোনো ভূ-political বা অর্থনৈতিক পরিবর্তনের কারণে এই রেটগুলো প্রতিদিন এমনকি প্রতি ঘণ্টায় পরিবর্তিত হতে পারে। তাই যেকোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন বা মূল্যবান ধাতু ক্রয়ের আগে সর্বদা সরকার অনুমোদিত ব্যাংক, মানি এক্সচেঞ্জ বা বাজুস-এর অফিসিয়াল লাইভ ডাটা চেক করে নিন। ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে সরকার ঘোষিত ২.৫% নগদ প্রণোদনা নিশ্চিত করুন এবং দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী রাখুন। 

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।

স্বর্ণ

নিউজ ডেস্ক

November 8, 2026

শেয়ার করুন

প্রতিবেদক: পালস বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশের তারিখ: ৮ নভেম্বর, ২০২৬
বিভাগ: অর্থনীতি
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (BAJUS), যুগান্তর অর্থনৈতিক প্রতিবেদন, এবং প্রবাসীর দিগন্ত বাজারদর গাইড। 

আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যের ওঠানামা এবং স্থানীয় বুলিয়ন মার্কেটে খাঁটি সোনার (পাকা সোনা) সরবরাহ ও চাহিদার ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে। টানা কয়েক দফা দাম বাড়ার পর সাম্প্রতিক সংশোধনীতে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। ৮ নভেম্বর ২০২৬ তারিখের সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী ক্যারেটভেদে পাকা সোনা এবং রুপার প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ও প্রতি গ্রামের অফিশিয়াল বাজারদর নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:

১. একনজরে আজকের স্বর্ণের বাজারদর (BAJUS Gold Price)


আজকের নতুন দর অনুযায়ী ভ্যাটসহ দেশের বাজারে জুয়েলারি ব্যবসায়ী ও সাধারণ গ্রাহকদের জন্য পাকা স্বর্ণের ভরি প্রতি মূল্য নিম্নরূপ:

  • ২২ ক্যারেট (হলমার্ক ৯১৬): প্রতি ভরি ২,২৬,৯২৩ টাকা (প্রতি গ্রাম ১৯,৪৫৫ টাকা)। (পূর্বের তুলনায় ভরিতে ২,৭৪১ টাকা কমানো হয়েছে)। 
  • ২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২,১৬,৭১৭ টাকা। 
  • ১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি ১,৮৬,০৯৯ টাকা। 
  • সনাতন পদ্ধতির সোনা: প্রতি ভরি ১,৫২,০৪০ টাকা

২. একনজরে আজকের রুপার বাজারদর (Latest Silver Price)
স্বর্ণের দাম কিছুটা কমলেও দেশের বাজারে রুপা বা রৌপ্যের দাম বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। বাজুস নির্ধারিত ক্যাটাগরি অনুযায়ী আজ রুপার প্রতি ভরির বাজারদর নিচে দেওয়া হলো:

  • ২২ ক্যারেট রুপা: প্রতি ভরি ৩,৪৯৯ টাকা। 
  • ২১ ক্যারেট রুপা: প্রতি ভরি ৩,৩৮৩ টাকা। 
  • ১৮ ক্যারেট রুপা: প্রতি ভরি ২,৯১৬ টাকা। 
  • সনাতন পদ্ধতির রুপা: প্রতি ভরি ২,২১৬ টাকা। 

৩. গহনা ক্রয়ের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত খরচ (ভ্যাট ও মজুরি)
বাজুস নির্দেশিকা অনুযায়ী, উপরোক্ত মূল্যটি কেবল পাকা বা খাঁটি ধাতুটির মূল দাম। আপনি যদি শোরুম বা দোকান থেকে তৈরি করা কোনো স্বর্ণালঙ্কার বা রৌপলঙ্কার কিনতে চান, তবে ফাইনাল বিলের সাথে নিচের সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক ফি যুক্ত হবে

  • সরকারি ভ্যাট: বিক্রয়মূল্যের ওপর বাধ্যতামূলক ৫% ভ্যাট (VAT) যুক্ত হবে। 
  • মেকিং চার্জ বা মজুরি: অলঙ্কারের ডিজাইন ও ক্যালিবারের ওপর ভিত্তি করে প্রতি ভরিতে সর্বনিম্ন ৬% থেকে ১৫% পর্যন্ত (কিংবা ডিজাইনভেদে নির্দিষ্ট মজুরি) মেকিং চার্জ যোগ হবে। 
  • পুরাতন সোনা বিক্রয়: আপনি যদি আপনার পুরাতন স্বর্ণালঙ্কার এক্সচেঞ্জ বা বিক্রি করতে চান, তবে বাজুসের নিয়ম অনুযায়ী মূল দাম থেকে ১৫% থেকে ১৭% পর্যন্ত বাদ দিয়ে মূল্য হিসাব করা হবে। 


সোনার বাজার অত্যন্ত পরিবর্তনশীল এবং আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক খবরের ওপর ভিত্তি করে এর দাম যেকোনো সময় পুনর্নির্ধারণ হতে পারে। তাই অলঙ্কার তৈরি কিংবা ক্রয়ের উদ্দেশ্যে দোকানে যাওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে বাজুসের অফিশিয়াল লাইভ আপডেট বা নির্ভরযোগ্য জুয়েলারি মার্চেন্টদের কাছ থেকে রেটটি পুনরায় যাচাই করে নিন। সবসময় হলমার্ক ও ক্যারেট সিল (যেমন ২২ ক্যারেটের জন্য ৯১৬) যুক্ত সার্টিফাইড পাকা সোনা ক্রয়ের মাধ্যমে আপনার আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।

২৩শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ