ব্যাবসা

Stop Overpaying: Why Wholesale Flooring is the Secret to a Stunning Home Renovation
Wholesale Flooring Tampa

নিউজ ডেস্ক

December 10, 2025

শেয়ার করুন

Home renovation is exciting, but let’s be honest—it can be expensive. For many, the largest single investment is often the flooring. Whether you are upgrading a single room or redesigning an entire home, finding high-quality materials that fit your budget is the key to a successful project.

The solution? Looking past retail showrooms and unlocking the power of wholesale flooring.

The Unbeatable Wholesale Advantage

The primary benefit of buying wholesale is simple: massive savings. Traditional retail models involve multiple middlemen, each adding a markup to the final cost. Wholesale suppliers bypass this process, delivering premium products directly to homeowners, designers, and contractors at significantly reduced prices.

For any renovation, those savings translate directly into a higher-quality project. Instead of settling for a lower-grade vinyl plank, you can afford that beautiful, long-lasting porcelain tile or a designer engineered hardwood—all while staying within your original budget. When you work with a dedicated wholesale provider like Tampa Wholesale Flooring, you can trust that they strive to beat all competitors’ prices, ensuring you get the most value for your investment.

Endless Selection and Expert Guidance

A limited selection often handcuffs budget shoppers. However, leading wholesale providers offer vast inventories, often featuring tens of thousands of different flooring options, including all the latest trends.

Looking for durable, waterproof flooring for a busy household? Check out the versatility of LVP/LVT (Luxury Vinyl Plank/Tile). Seeking timeless elegance? Nothing compares to the warmth of natural hardwood or the resilience of classic stone and ceramic tile. Wholesale suppliers keep a deep inventory across all categories, making it easy to find the exact color, material, and finish you need.

More Than Materials: Trusting the Experts

A great floor is only as good as its installation. Many wholesale companies understand that their customers—whether DIY homeowners or busy contractors—need support beyond just the product. Look for a partner that offers both high-quality materials and professional installation services for everything from kitchen flooring to full-home remodels. This ensures material compatibility and guarantees the project is finished correctly and efficiently.

Before starting your next project, skip the retail headache. Choosing a reputable wholesale flooring source is the smartest decision you can make, ensuring your beautiful new floors add lasting value to your home without draining your wallet.


Call to Action (CTA) for the End of the Post:

To explore high-quality flooring options like LVP, Hardwood, Tile, and more at truly wholesale prices, visit the experts at Tampa Wholesale Flooring.

প্রতিবেদক:  বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

ইরান-মার্কিন

নিউজ ডেস্ক

September 6, 2026

শেয়ার করুন

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইরান-মার্কিন সংঘাত সংঘাতের সপ্তম মাসে পদার্পণ করে বৈশ্বিক জ্বালানি খাতের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ সংকটগুলোর একটি তৈরি করেছে। মধ্যপ্রাচ্যের ভৌগোলিক স্থবিরতা কেবল আন্তর্জাতিক অর্থনীতির ট্রাজেক্টরি বদলে দেয়নি, বরং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি সরবরাহ ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় নজিরবিহীন অস্থিরতার সৃষ্টি করেছে।

৪. সরকারের বর্তমান উদ্ধার ও সংকট মোকাবিলা পরিকল্পনা (বাংলাদেশ)

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেল ও স্পট মার্কেট এলএনজির আকাশচুম্বী মূল্য এবং হরমুজ প্রণালিতে সরবরাহ বন্ধ থাকার ফলে সৃষ্টি হওয়া দেশীয় বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সরকার একাধিক স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী উদ্ধার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে:

  • আঞ্চলিক ও শহরভিত্তিক বিকল্প লোডশেডিং নীতি: গ্রাম ও শহরের বিদ্যুৎ বণ্টনের অসামঞ্জস্য দূর করতে রাজধানীর বাণিজ্যিক কেন্দ্র ও উচ্চ-ব্যবহার এলাকায় কৃত্রিম লোডশেডিং আরোপ করা হচ্ছে, যাতে প্রাপ্ত বিদ্যুৎ গ্রামাঞ্চলের কৃষিসেল ও উৎপাদনশীল খাতে দেওয়া সম্ভব হয়।
  • বিকল্প উৎস থেকে স্পট এলএনজি ও জ্বালানি ক্রয়: কাতার কন্টিনজেন্সি জারি করায় বিকল্প আন্তর্জাতিক সরবরাহকারী ও খোলা বাজার (Spot Market) থেকে উচ্চ মূল্যে (প্রতি MMBtu ২৪-২৮ ডলার) এলএনজি আমদানির জরুরি তহবিল অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
  • শিল্পক্ষেত্রে গ্যাস অগ্রাধিকার ডাইভারশন: দেশের সার কারখানাগুলোর উৎপাদন সাময়িকভাবে সংকুচিত বা বন্ধ রেখে সেই অপব্যবহৃত গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক (RMG) ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল হাবগুলোতে সরবরাহ বজায় রাখার চেষ্টা চলছে।
  • সৌর ও নবায়নযোগ্য শক্তির দ্রুত সংযোগ: জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমাতে বাসা-বাড়ি ও শিল্পকারখানায় সৌর প্যানেল (Solar Rooftop) স্থাপনে শুল্ক ছাড় ও বিশেষ উৎসাহ প্রদান করা হচ্ছে, যা আমদানিকৃত জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

২০২৬ জ্বালানি সংকট: বিশ্ববাজার ও বাংলাদেশের চিত্র

সূচক ও খাতসংকট পূর্ববর্তী পরিস্থিতি২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের বর্তমান অবস্থা
ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল (আন্তর্জাতিক)~$৭০ / ব্যারেল$৯৬.২৮ – $৯৬.৯০ / ব্যারেল
ডিজেলের দাম (মার্কিন খুচরা)~$৩.৫০ / গ্যালন$৫.৮৫ / গ্যালন (রেকর্ড উচ্চতা)
বাংলাদেশ গ্যাস সরবরাহ~৩,৮০০ mmcfd (চাহিদা)২১০০ – ২৪০০ mmcfd (৩৬% ঘাটতি)
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ঘাটতিস্বাভাবিক উদ্বৃত্ত/নিয়ন্ত্রিত৩,০০০ – ৩,৫০০ মেগাওয়াট দৈনিক ঘাটতি

ভবিষ্যৎ পূর্বাভাস ও অর্থনৈতিক প্রভাব

চলমান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে মূল্যস্ফীতি (Stagflation) আরও সুসংহত হতে পারে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এই সংকটের সরাসরি প্রভাব কাটাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দ্রুত সম্প্রসারণ এবং অভ্যন্তরীণ গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার করার বিকল্প নেই।

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।

বিজ্ঞাপন

নিউজ ডেস্ক

August 27, 2026

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক,  বিডিএস বুলবুল আহমেদ

প্রকাশের সময় ও তারিখ: ২৮ আগস্ট ২০২৬, রাত ১২:০০

স্থান: ঢাকা / অনলাইন ডেস্ক

চিত্রসংগ্রহের আটটি দুর্লভ ভিনটেজ প্রিন্ট বিজ্ঞাপন কেবল ব্যবসা-বাণিজ্যের স্মৃতিচিহ্ন নয়, বরং বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগ থেকে শেষের ভাগ পর্যন্ত বাঙালি সমাজের মানসিকতা, গৃহস্থালি মূল্যবোধ, সাহিত্যপ্রীতি এবং হস্তশিল্পের স্বর্ণযুগের এক ঐতিহাসিক আর্কাইভ। আধুনিক ডিজিটাল গ্রাফিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা হাই-ডেফিনিশন ফটোগ্রাফির যুগে দাঁড়িয়ে সেকালের হাতে আঁকা উডকাট, লাইন আর্ট ও লিথোগ্রাফির মাধ্যমে তৈরি বিজ্ঞাপনগুলো পর্যালোচনা করলে তৎকালের বাজারব্যবস্থা ও সামাজিক রূপান্তরের চারটি গভীর দিক স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

১. সংগীত, ঐতিহ্য ও আভিজাত্যের সামাজিক প্রকাশ

উনিশ ও বিংশ শতাব্দীর শুরুতে আধুনিক প্রযুক্তির বাদ্যযন্ত্র কিংবা ঐতিহ্যবাহী শিল্পের প্রসার ঘটেছিল সম্ভ্রান্ত পরিবারের মাধ্যমেই।

  • ডোয়ার্কিন অ্যান্ড সান (Dwarkin & Son Ltd.): কলকাতার ১১, এসপ্ল্যানেড থেকে প্রকাশিত এই বিজ্ঞাপনটি বাংলা সংগীত ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ দলিল। আঠারো শতকের শেষভাগে আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ও তাঁর ভাইদের প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানই প্রথম ভারতীয় আবহাওয়ার উপযোগী করে ‘ফোল্ডিং হারমোনিয়াম’ তৈরি করেছিল। চিত্রে “ফ্লুটিনা” (৬৫ টাকা), “হারমোনিনা” (৪০ টাকা), “বুলবুল” ফোল্ডিং অর্গ্যান (১৪০ টাকা) এবং সেতার-বেহালার দরদাম স্পষ্ট লেখা রয়েছে। এটি নির্দেশ করে, তৎকালীন উচ্চ ও মধ্যবিত্ত পরিবারে সংগীতচর্চাকে সামাজিক শালীনতা ও আভিজাত্যের পরম মানদণ্ড হিসেবে দেখা হতো।

২. একান্নবর্তী পরিবার, নারীজীবন ও পারিবারিক বন্ধনের রূপায়ন

সেকালের বিজ্ঞাপনগুলোতে পণ্যকে কেন্দ্রবিন্দু না বানিয়ে পরিবারের আবেগ ও গৃহস্থালি রূপকে সামনে রাখা হতো।

  • জবাকুসুম কেশ তৈল (সি. কে. সেন অ্যান্ড কোং): “বলোনা মা, তোমার চুল এত সুন্দর কেমন করে হল?”—এই সংলাপ নির্ভর ইলাস্ট্রেশনে মা ও কন্যার নৈশকালীন নিবিড় মুহূর্ত তুলে ধরা হয়েছে। এটি কেবল চুল লম্বা করার বিজ্ঞাপন ছিল না, বরং আবহমান বাংলার সুশৃঙ্খল পারিবারিক চুল পরিচর্যা ও জ্যেষ্ঠদের উপদেশ মানার প্রথাকে তুলে ধরেছিল।
  • সানরাইজ গুঁড়ো মশলা ও লিলি বিস্কুট: ‘সানরাইজ’-এর বিজ্ঞাপনে একটি পুরো একান্নবর্তী পরিবারের আহারের দৃশ্য রয়েছে—যেখানে কেন্দ্রস্থলে গৃহকর্তা, পাশে প্রবীণ ও নবীন সদস্যরা। ‘লিলি বিস্কুট’-এর বিজ্ঞাপনেও চা-চক্রের পারিবারিক মিলনের দৃশ্য আঁকা। এসব বিজ্ঞাপন প্রমাণ করে, তৎকালীন অর্থনীতি একক ব্যক্তির কেনাকাটার চেয়ে ‘পরিবারের যৌথ আনন্দকে’ প্রাধান্য দিত।

৩. স্বাস্থ্য সচেতনতা, ভয় বনাম আস্থা এবং জ্যোতিষীয় বিশ্বাস

বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে জনস্বাস্থ্যের প্রাথমিক ধারণা গঠনের ক্ষেত্রেও এসব প্রিন্ট মিডিয়ার ভূমিকা ছিল অপরিসীম।

  • ক্যালকেমিকোর নিম টুথ পেষ্ট: “শিশুর অবহেলাই আমাদের পরবর্তী জীবনে সকল রোগের মূল”—বিজ্ঞাপনের এই বার্তাটি সরাসরি তৎকালীন পিতামাতার মানসিকতায় দাগ কাটত। নিমের প্রাকৃতিক গুণাবলী ও অ্যান্টিসেপটিক গুণকে পেস্টের ফর্মে এনে মুখের স্বাস্থ্যের বৈজ্ঞানিক প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হতো।
  • এম পি জুয়েলার্স অ্যান্ড কোং: ক্রিকেট খেলার কার্টুনচিত্র এনে ‘আউট!’ শব্দটির সাথে জীবনযুদ্ধের সম্পর্ক স্থাপন করা বিজ্ঞাপনের এক অনন্য উদ্ভাবনী কৌশল। ব্যর্থতা বা জীবনের ক্ষতি রুখতে জ্যোতির্বিজ্ঞান ও গ্রহরত্নের প্রতি মানুষের চিরন্তন বিশ্বাসকে এখানে অত্যন্ত সাবলীল ব্যবসায়িক রূপ দেওয়া হয়েছিল।

৪. সৌন্দর্যচর্চায় ভেষজ ঐতিহ্য ও পৌরাণিক ধর্মীয় আবেগ

বাংলা বিজ্ঞাপনের একটি বিশাল অংশ দখল করে ছিল ঐতিহ্যগত ভেষজ উপাদান এবং ধর্মীয় পার্বণের আবহ।

  • ক্যান্থারাইডিন ও কেয়ো-কার্পিন: ক্যান্থারাইডিন তেলে চুলের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা (ক্যাপিলা蘚 বা কিউটিকলের পুষ্টি) দেওয়ার পাশাপাশি রানি ক্লিওপেট্রার নজির আনা হয়েছে। আবার ‘দেজ মেডিকেল’-এর কেয়ো-কার্পিন তেলে পালকিতে চড়ে দেবী দুর্গার মর্ত্যে আগমনের পৌরাণিক দৃশ্য আঁকা হয়েছে। শারদীয় দুর্গোৎসবে নতুন জামা ও রূপচর্চার আবেগ ব্যবহার করে ব্যবসা সফল করার এটি ছিল আদি রূপ।
  • গণেশ সরিষার তেল ও প্রিন্স অয়েল: দেবী দুর্গার নৌকা চড়ে আগমনের পৌরাণিক ধারণার সাথে ‘উৎসবের দিনে আপনার রান্না বিশুদ্ধ ও স্বাদু করতে’ বার্তাটি যুক্ত করে গৃহিণীদের রান্নাঘরের আবেগকে স্পর্শ করা হয়েছিল।
  • প্রিয় গোপালের শাড়ী: বিভিন্ন বয়সের ও পেশার নারীদের (শিক্ষক, গৃহিণী, ছাত্রী) ছবি দিয়ে ‘সবার প্রিয়’ বার্তা দেওয়া তৎকালীন বাঙালি নারীদের ফ্যাশন সচেতনতা বৃদ্ধির স্পষ্ট প্রমাণ।

আধুনিক বিপণন বনাম ভিনটেজ ক্লাসিকের তুলনা

বিষয়ের ভিত্তিসেকালের ভিনটেজ প্রিন্ট বিজ্ঞাপনআধুনিক ডিজিটাল বিজ্ঞাপন
শিল্পশৈলীহাতে আঁকা ইলাস্ট্রেশন, স্কেচ ও টাইপোগ্রাফিফটোশপ, ৩ডি রেন্ডারিং ও এআই জেনারেটেড ভিজ্যুয়াল
বিজ্ঞাপনের ভাষা (Copy)সাহিত্যনির্ভর, প্রমিত বাংলা ও আবেগঘন বার্তাসংক্ষিপ্ত, বোল্ড, রেজাল্ট-ওরিয়েন্টেড ও ক্যাচি স্লোগান
আবেদনের ক্ষেত্রসামাজিক মূল্যবোধ, পরিবার ও আস্থাব্যক্তিগত প্রয়োজন, লাইফস্টাইল ও তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত
স্থান দখলসাময়িকী ও সংবাদপত্রের একক পৃষ্ঠাসামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ভিডিও ফিড ও পপ-আপ ব্যানারে

উপসংহার

সেকালের এই বিজ্ঞাপনগুলো আজ আর কেবল কোনো পণ্যের প্রচারপত্র নয়, এগুলো বাংলা ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান ও বাণিজ্যিক শিল্পকলার দুর্লভ সংগ্রহশালা। প্রতিটি পোস্টারের প্রতিটি অক্ষরের নিখুঁত গঠন ও হাতে আঁকা লাইনের স্পষ্টতা প্রমাণ করে যে, শতবর্ষ পূর্বেও বিজ্ঞাপন তৈরিতে কতটা মেধা, নন্দনতত্ত্ব এবং সমাজমনস্তত্ত্ব ঢেলে দেওয়া হতো।

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।

শীর্ষ ধনী

নিউজ ডেস্ক

August 8, 2026

শেয়ার করুন

প্রতিবেদক:  বিডিএস বুলবুল আহমেদ

২০২০ সালের তালিকার পর থেকে গত কয়েক বছরে বিশ্ব অর্থনীতি এবং ধনকুবেরদের সম্পদের পরিমাণে আমূল পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), বৈদ্যুতিক যানবাহন, টেকনোলজি ও সেমিকন্ডাক্টর খাতের অভাবনীয় বৃদ্ধির কারণে তালিকায় বড় পরিবর্তন ঘটেছে।

ফোর্বস (Forbes)-এর হালনাগাদ তথ্যানুসারে বর্তমানে বিশ্বের ১০ জন শীর্ষ ধনী ব্যক্তির তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

বিশ্বের শীর্ষ ১০ ধনকুবেরের সংক্ষিপ্ত তালিকা

র‍্যাঙ্কনামদেশমোট সম্পদ (USD)আয়ের মূল উৎস (কোম্পানি)
ইলোন মাস্ক (Elon Musk)যুক্তরাষ্ট্র~$৮৩৯ বিলিয়নটেপলা (Tesla), স্পেসএক্স (SpaceX), X
ল্যারি পেজ (Larry Page)যুক্তরাষ্ট্র~$২৫৭ বিলিয়নগুগল / আলফাবেট (Google / Alphabet)
সের্গেই ব্রিন (Sergey Brin)যুক্তরাষ্ট্র~$২৩৭ বিলিয়নগুগল / আলফাবেট (Google / Alphabet)
জেফ বেজোস (Jeff Bezos)যুক্তরাষ্ট্র~$২২৪ বিলিয়নআমাজন (Amazon)
মার্ক জাকারবার্গ (Mark Zuckerberg)যুক্তরাষ্ট্র~$২২২ বিলিয়নমেটা / ফেসবুক (Meta / Facebook)
ল্যারি এলিসন (Larry Ellison)যুক্তরাষ্ট্র~$১৯০ বিলিয়নওরাকল (Oracle)
বার্নার্ড আরনল্ট ও পরিবার (Bernard Arnault)ফ্রান্স~$১৭১ বিলিয়নএলভিএমএইচ (LVMH – লুই ভিটন, ডিওর)
জেনসেন হুয়াং (Jensen Huang)যুক্তরাষ্ট্র~$১৫৪ বিলিয়নএনভিডিয়া (Nvidia)
ওয়ারেন বাফেট (Warren Buffett)যুক্তরাষ্ট্র~$১৪৯ বিলিয়নবার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে (Berkshire Hathaway)
১০আমেনসিও ওর্তেগা (Amancio Ortega)স্পেন~$১৪৮ বিলিয়নইন্ডিটেক্স গ্রুপ (Inditex / Zara)

শীর্ষ ধনকুবেরদের বিস্তারিত পরিচয়

১. ইলোন মাস্ক (Elon Musk)

  • মোট সম্পদ: প্রায় ৮৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  • প্রধান ব্যবসা: টেপলা (Tesla), স্পেসএক্স (SpaceX), X (সাবেক টুইটার), নিউরালিংক।
  • বিবরণ: প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবন, বৈদ্যুতিক গাড়ি এবং মহাকাশ গবেষণায় বৈপ্লবিক পরিবর্তনের মাধ্যমে তিনি বর্তমানে বিশ্বের এক নম্বর শীর্ষ ধনী ব্যক্তি।

২. ল্যারি পেজ (Larry Page)

  • মোট সম্পদ: প্রায় ২৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  • প্রধান ব্যবসা: গুগল / আলফাবেট (Google / Alphabet)
  • বিবরণ: সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে তিনি বিশ্ব প্রযুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

৩. সের্গেই ব্রিন (Sergey Brin)

  • মোট সম্পদ: প্রায় ২৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  • প্রধান ব্যবসা: গুগল / আলফাবেট (Google / Alphabet)
  • বিবরণ: ল্যারি পেজের সাথে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে ক্লাউড কম্পিউটিং ও এআই প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তার সম্পদ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।

৪. জেফ বেজোস (Jeff Bezos)

  • মোট সম্পদ: প্রায় ২২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  • প্রধান ব্যবসা: আমাজন (Amazon), ব্লু অরিজিন (Blue Origin), দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট।
  • বিবরণ: ই-কমার্স জায়ান্ট আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা। ২০২০ সালের তুলনায় তার সম্পদ দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে।

৫. মার্ক জাকারবার্গ (Mark Zuckerberg)

  • মোট সম্পদ: প্রায় ২২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  • প্রধান ব্যবসা: মেটা (Meta Platforms – Facebook, Instagram, WhatsApp)
  • বিবরণ: মেটাভার্স ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় (AI) বড় ধরনের বিনিয়োগের ফলে গত কয়েক বছরে তার মোট সম্পদ বিপুল পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে।

৬. ল্যারি এলিসন (Larry Ellison)

  • মোট সম্পদ: প্রায় ১৯০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  • প্রধান ব্যবসা: ওরাকল কর্পোরেশন (Oracle)
  • বিবরণ: সফটওয়্যার ও ডেটাবেজ টেকনোলজি জায়ান্ট ওরাকলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চাহিদা বাড়ায় তার ক্লাউড ব্যবসার শেয়ারের দাম দ্রুত বেড়েছে।

৭. বার্নার্ড আরনল্ট ও পরিবার (Bernard Arnault & Family)

  • মোট সম্পদ: প্রায় ১৭১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  • প্রধান ব্যবসা: এলভিএমএইচ (LVMH – Luxury Goods)
  • বিবরণ: ইউরোপের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি। তার অধীনে লুই ভিটন, সেফোরা, ক্রিশ্চিয়ান ডিওর সহ বিশ্বখ্যাত ৭৫টিরও বেশি লাক্সারি ব্র্যান্ড রয়েছে।

৮. জেনসেন হুয়াং (Jensen Huang)

  • মোট সম্পদ: প্রায় ১৫৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  • প্রধান ব্যবসা: এনভিডিয়া (Nvidia)
  • বিবরণ: এআই (Generative AI) বিপ্লবের প্রধান কারিগর হিসেবে এনভিডিয়ার চিপ তৈরির কারণে গত কয়েক বছরে তার সম্পদ ও বিশ্ব তালিকার স্থান নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

৯. ওয়ারেন বাফেট (Warren Buffett)

  • মোট সম্পদ: প্রায় ১৪৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  • প্রধান ব্যবসা: বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে (Berkshire Hathaway)
  • বিবরণ: বিশ্বের সবচেয়ে সফল ও দীর্ঘমেয়াদী শেয়ারবাজার বিনিয়োগকারী, যাকে “ওমাহার জাদুকর” বলা হয়।

১০. আমেনসিও ওর্তেগা (Amancio Ortega)

  • মোট সম্পদ: প্রায় ১৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  • প্রধান ব্যবসা: ইন্ডিটেক্স (Inditex – জারা ব্র্যান্ডের মালিক)
  • বিবরণ: ফ্যাশন ও খুচরা বিক্রয় খাতের অন্যতম সফল উদ্যোক্তা।

২০২০ থেকে বর্তমান তালিকার প্রধান পরিবর্তনসমূহ

  1. টেকনোলজি ও AI খাতের আধিপত্য: তালিকার প্রথম ৮ জনের মধ্যেই সিংহভাগ প্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তা।
  2. ইলোন মাস্কের রেকর্ড বৃদ্ধি: ২০২০ সালে তালিকায় শীর্ষে না থাকলেও পরবর্তীতে টেপলা ও স্পেসএক্সের মূল্যস্ফীতির কারণে তিনি তালিকার শীর্ষে চলে এসেছেন।
  3. জেনসেন হুয়াং-এর উত্থান: এনভিডিয়ার (Nvidia) সেমিকন্ডাক্টর ও এআই চিপের বিপুল চাহিদার কারণে জেনসেন হুয়াং নতুন করে শীর্ষ ১০ তালিকায় যুক্ত হয়েছেন।

(নোট: পুঁজিবাজার ও শেয়ারের দামের ওঠানামার কারণে ধনকুবেরদের এই সম্পদ প্রতিদিন পরিবর্তন হতে পারে।)

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।

৯ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ