অর্থনীতি

২৫ বছরে মানুষের অর্থনৈতিক সামর্থ্য বাড়লেও নৈতিকতা ও সততা কি আদেও টিকে আছে, নাকি অবৈধ অর্থ উপার্জনের প্রবণতা সমাজকে গ্রাস করেছে?
২৫ বছরে মানুষের উন্নতি নাকি অবৈধ অর্থ উপার্জন

নিউজ ডেস্ক

May 28, 2026

শেয়ার করুন

২০০১ সালে ঢাকার নয়াবাজার কুরবানির পশুর হাটে একটি বিশাল গরুর দাম হাঁকানো হয়েছিল ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, কিন্তু চড়া দামের কারণে দুঃখজনকভাবে গরুটি তখন বিক্রি হয়নি।

ঠিক ২৫ বছর পর ২০২৬ সালে এসে বাংলাদেশের হাটে ৩০ থেকে ৫০ লাখ টাকা দামের গরুও অনায়াসে বিক্রি হচ্ছে এবং মানুষ তা কুরবানি দিচ্ছে। বাহ্যিক দৃষ্টিতে একে ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নতি বা স্বাবলম্বিতা মনে হলেও, এর পেছনে লুকিয়ে আছে সমাজের নৈতিক অবক্ষয়, দুর্নীতি এবং লোক দেখানো সংস্কৃতির এক অন্ধকার সত্য।

২৫ বছরের ব্যবধানে সমাজ ও মূল্যবোধের অবক্ষয়ের ৫টি প্রধান রূপ

বিগত আড়াই দশকে দেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়লেও সমাজের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্তরে সততা ও বিবেকের চরম বিপর্যয় ঘটেছে। সচেতন নাগরিকদের বিশ্লেষণে এই অবক্ষয়ের ৫টি বড় ক্ষেত্র নিচে দেওয়া হলো:

  • রাজনীতির দুর্বৃত্তায়ন ও দুর্নীতি: দেশের রাজনীতি আজ অনেকাংশেই নীতিহীন দুর্নীতিবাজদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। ফলে সিন্ডিকেট, টেন্ডারবাজি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে রাতারাতি কোটিপতি বনে যাওয়ার এক অসুস্থ প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।
  • শিক্ষা খাতের বাণিজ্যিকীকরণ: যে শিক্ষক সমাজকে মনে করা হতো জাতির মেরুদণ্ড, তাদের একটি বড় অংশ আজ শিক্ষার নামে প্রকাশ্য ব্যবসায় নেমেছে। নৈতিক শিক্ষাদানের চেয়ে কোচিং বাণিজ্য ও গাইড বইয়ের সিন্ডিকেটে জড়িয়ে পড়েছেন অনেকে।
  • চিকিৎসা খাতের অমানবিক রূপ: চিকিৎসকদের অধিকাংশই আজ সেবার মানসিকতা ভুলে অমানবিক ধান্ধাবাজিতে লিপ্ত। অপারেশন থিয়েটারে আশঙ্কাজনক রোগীকে ঢুকিয়ে বাইরে অপেক্ষমাণ স্বজনদের জিম্মি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা এখন নিত্যদিনের চিত্র।
  • শিক্ষিত শ্রেণির প্রতারণা ও জালিয়াতি: দুঃখজনক হলেও সত্য, এই ২৫ বছরে শিক্ষিত ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যেই জালিয়াতি, ব্যাংক ও কর ফাঁকি এবং দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ গড়ার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে।
  • লোক দেখানো ধর্মীয় সংস্কৃতি: ২৫ বছর আগে মানুষ সৎ উপায়ে আয় করত বলে দেড় লাখ টাকা দিয়ে গরু কেনার সামর্থ্য সবার ছিল না। আর এখন লাখ লাখ টাকার অবৈধ কালো টাকা সাদা করতে ও সমাজে দেখনদারি প্রতিষ্ঠা করতে ৩০-৫০ লাখ টাকার গরু কুরবানি দেওয়া হচ্ছে, অথচ পাশের বস্তির গরিবের কপালে আধা কেজি মাংসও জোটে না।

মূল্যবোধের বিবর্তন: ২০০১ বনাম ২০২৬ সালের সামাজিক চিত্র

২০০১ সাল থেকে ২০২৬ সাল—এই ২৫ বছরে প্রযুক্তির বিস্ফোরণ, বিশ্বায়ন এবং অর্থনৈতিক পরিবর্তনের ফলে আমাদের সামাজিক মূল্যবোধে এক আমূল ও যুগান্তকারী বিবর্তন ঘটেছে। ২০০১ সালের সমাজ যেখানে ছিল যৌথ পরিবার, সামনাসামনি যোগাযোগ এবং ঐতিহ্যগত রীতিনীতি-কেন্দ্রিক; ২০২৬ সালের সমাজ সেখানে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ, ডিজিটাল সংযোগ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত এক দ্রুতগতির বাস্তবতায় রূপান্তরিত হয়েছে।

নিচে ২০০১ এবং ২০২৬ সালের সামাজিক চিত্র ও মূল্যবোধের প্রধান তুলনামূলক দিকগুলো তুলে ধরা হলো:

১. পারিবারিক কাঠামো ও বন্ধন

  • ২০০১ সালের চিত্র: সমাজে যৌথ পরিবারের আধিপত্য ছিল। পরিবারের বড়দের সিদ্ধান্তকে চূড়ান্ত বলে গণ্য করা হতো এবং পারস্পরিক সহনশীলতা ও ত্যাগের মূল্যবোধকে উচ্চে রাখা হতো।
  • ২০২৬ সালের চিত্র: একক পরিবারের (Nuclear Family) সংখ্যা এখন সর্বাধিক। ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ (Individualism) ও নিজস্ব গোপনীয়তার (Privacy) মূল্যবোধ বৃদ্ধি পাওয়ায় পারিবারিক বন্ধনের চেয়ে নিজের ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগত বিকাশকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।

২. যোগাযোগ ও সামাজিকতা

  • ২০০১ সালের চিত্র: মানুষ সশরীরে আড্ডা, চিঠি, ল্যান্ডফোন এবং পাড়া-প্রতিবেশীর বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে সামাজিক সম্পর্ক বজায় রাখত। সামাজিকতা ছিল গভীর ও আন্তরিক।
  • ২০২৬ সালের চিত্র: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ) এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটির যুগে সামাজিকতা এখন ‘স্ক্রিন’-নির্ভর। মানুষের অগাধ ডিজিটাল যোগাযোগ থাকলেও বাস্তব জীবনে একাকীত্ব এবং মানসিক দূরত্ব অনেক বেড়েছে।

৩. লিঙ্গ সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন

  • ২০০১ সালের চিত্র: কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বাড়লেও সমাজে পিতৃতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রভাব ছিল প্রবল। নারীর মূল মূল্যায়ন হতো মূলত পারিবারিক দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে।
  • ২০২৬ সালের চিত্র: অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন এক নতুন স্তরে পৌঁছেছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ, নেতৃত্ব এবং স্বাবলম্বিতার ক্ষেত্রে নারীরা এখন সমান অংশীদার, যা সনাতন সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিকে বদলে দিয়েছে।

৪. তথ্যের গ্রহণযোগ্যতা ও সহনশীলতা

  • ২০০১ সালের চিত্র: তথ্যের প্রধান উৎস ছিল সংবাদপত্র এবং টেলিভিশন। মানুষ যেকোনো খবর বা সামাজিক রীতিনীতির প্রতি সহজে বিশ্বাস স্থাপন করত এবং সমাজে এক ধরনের সামষ্টিক শৃঙ্খলা বজায় থাকত।
  • ২০২৬ সালের চিত্র: তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ প্রবাহের কারণে মানুষ অনেক বেশি সচেতন ও প্রশ্নপ্রবণ। তবে এর পাশাপাশি ভুয়ো খবর (Fake News) এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যালগরিদমের কারণে মানুষের মধ্যে পরমতসহিষ্ণুতা কমেছে এবং মেরুকরণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

৫. বিনোদন ও সংস্কৃতির ধরন

  • ২০০১ সালের চিত্র: বিনোদন ছিল সামষ্টিক। বিটিভি, সিনেমা হল, বই পড়া, রেডিও শোনা কিংবা মাঠে খেলাধুলার মাধ্যমে মানুষ বিনোদন খুঁজত, যা দেশীয় সংস্কৃতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল।
  • ২০২৬ সালের চিত্র: বিনোদন এখন সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও ওটিটি (OTT) এবং অনলাইন গেম-ভিত্তিক। বিশ্বায়নের প্রভাবে দেশীয় সংস্কৃতির সাথে ওয়েস্টার্ন বা গ্লোবাল সংস্কৃতির মিশ্রণ ঘটেছে, যা তরুণ প্রজন্মের জীবনযাত্রায় স্পষ্ট।

২০০১ বনাম ২০২৬: এক নজরে সামাজিক মূল্যবোধ

সূচক২০০১ সালের সমাজ২০২৬ সালের সমাজ
মূল চেতনাসামষ্টিকতা ও ঐতিহ্যব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য ও আধুনিকতা
সম্পর্কের ভিত্তিসশরীরে উপস্থিতি ও আবেগডিজিটাল উপস্থিতি ও উপযোগিতা
তরুণদের লক্ষ্যপারিবারিক ও সামাজিক স্থায়িত্ববৈশ্বিক ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা
নৈতিকতাসামাজিক অনুশাসন-ভিত্তিকযুক্তি ও ব্যক্তিগত অধিকার-ভিত্তিক

সংক্ষেপে বলা যায়, ২০০১ সালের সরল ও সামষ্টিক মূল্যবোধ থেকে বেরিয়ে ২০২৬ সালের সমাজ অনেক বেশি গতিশীল, প্রযুক্তি-নির্ভর এবং অধিকার-সচেতন হয়ে উঠেছে। এই পরিবর্তন যেমন আমাদের অনেক সুযোগ এনে দিয়েছে, তেমনই যান্ত্রিকতা ও একাকীত্বের মতো নতুন সামাজিক চ্যালেঞ্জও তৈরি করেছে।

আমার ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ: একজন সচেতন নাগরিক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক হিসেবে সমাজের এই ভেতরকার পচন আমাকে গভীরভাবে ব্যথিত করে। একটি দেশের জিডিপি বা মাথাপিছু আয় বাড়লেই তাকে প্রকৃত উন্নয়ন বলা যায় না, যদি না সেই দেশের মানুষের নৈতিকতা ও মানবিকতার সূচক উন্নত হয়। ২৫ বছর আগের মধ্যবিত্তের যে সৎ সাহস ছিল, আজকের করপোরেট ও প্রভাবশালী মহলের সেই অন্তরাত্মা নেই। লাখ লাখ টাকা খরচ করে পশুর হাটে যে ‘শো-অফ’ বা দেখনদারি আমরা দেখছি, তা আসলে ত্যাগের মহিমাকে ম্লান করে দিচ্ছে। সমাজ থেকে এই সিন্ডিকেট, প্রাতিষ্ঠানিক ঘুষ এবং পেশাজীবীদের ধান্ধাবাজি বন্ধ করতে না পারলে এই তথাকথিত উন্নয়ন কেবল মুষ্টিমেয় কিছু অপরাধীর পকেটই ভারী করবে, সাধারণ শোষিত মানুষের কোনো কল্যাণ বয়ে আনবে না।

প্রতিবেদক:  বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আধুনিক ও জটিল সমাজে মানসিক শান্তি ও সঠিক পথের সন্ধানে নবী-রাসূলদের আদর্শের গুরুত্ব অপরিসীম। জেনে নিন নবী রাসূলদের জীবনী থেকে শিক্ষা

নিউজ ডেস্ক

November 6, 2026

শেয়ার করুন

প্রতিবেদক: পালস বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশের তারিখ: ৬ নভেম্বর, ২০২৬
বিভাগ: ইসলাম ও জীবন
তথ্যসূত্র: আল-কোরআনের তাফসির (তাফসির ইবনে কাসির), সহীহ বুখারী ও মুসলিমের হাদিস এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ কর্তৃক প্রকাশিত নবী-রাসূলদের জীবনী গ্রন্থ। 

বর্তমান ২০২৬ সালের আধুনিক ও তীব্র প্রতিযোগিতাপূর্ণ যুগে মানুষ বাহ্যিক ও বস্তুগত দিক থেকে অনেক উন্নত হলেও, মানসিক প্রশান্তি, নৈতিকতা ও জীবনবোধের দিক থেকে এক চরম সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অতি-ব্যবহার, পারস্পরিক দূরত্বের এই যুগে সঠিক জীবনদর্শনের অভাব স্পষ্ট। মানবজাতির হেদায়েত ও সঠিক পথ প্রদর্শনের জন্য আল্লাহ তাআলা যুগে যুগে যে নবী-রাসূলদের পাঠিয়েছেন, তাদের জীবন কেবল ইতিহাসের কিছু গল্প নয়; বরং তা কেয়ামত পর্যন্ত মানুষের জন্য এক জীবন্ত ও কালজয়ী গাইডলাইন। এই বিশেষ সিরিজের ১ম পর্বে আমরা আলোচনা করব নবী-রাসূলদের অনন্য জীবন থেকে আজকের দিনে আমাদের বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করার মতো ৩টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। 

১. হযরত আইয়ুব (আ.)-এর জীবন থেকে শিক্ষা: চরম বিপদেও মানসিক শক্তি ও ধৈর্য (Patience)
আজকের যুগে সামান্য আর্থিক ক্ষতি, চাকরি হারানো কিংবা পারিবারিক বা শারীরিক অসুস্থতায় মানুষ দ্রুত হতাশ হয়ে পড়ে, এমনকি অনেকে আত্মহননের পথও বেছে নেয়। এই মানসিক সংকটে আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় আদর্শ হলেন হযরত আইয়ুব (আ.)। 

আল্লাহ তাআলা তাঁকে দীর্ঘ বছর ধরে কঠিন রোগ, সন্তানদের মৃত্যু এবং সমস্ত ধন-সম্পদ হারানোর মাধ্যমে পরীক্ষা করেছিলেন। কিন্তু এমন চরম সংকটেও তিনি আল্লাহর প্রতি বিন্দুমাত্র অভিযোগ করেননি, বরং চরম ধৈর্য ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিলেন। 

  • আজকের দিনের শিক্ষা: আধুনিক জীবনে বিষণ্ণতা (Depression) বা যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতে ভেঙে না পড়ে ইতিবাচক থাকা এবং বিশ্বাস রাখা যে—কষ্টের পরেই স্বস্তি আসে। বিপদে অধৈর্য না হয়ে আল্লাহর ওপর ভরসা রাখাই হলো সফলতার মূল চাবি। 

২. হযরত ইউসুফ (আ.)-এর জীবন থেকে শিক্ষা: নৈতিক স্খলন ও প্রলোভন থেকে নিজেকে রক্ষা করা (Self-Control)
বর্তমান ডিজিটাল যুগে ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা এবং সামাজিক মাধ্যমের উন্মুক্ততার কারণে তরুণ প্রজন্মের সামনে পর্নোগ্রাফি, অবৈধ সম্পর্ক এবং নৈতিক স্খলনের নানামুখী প্রলোভন প্রতিনিয়ত আসছে। নিজের চরিত্র ও নৈতিকতা ধরে রাখা আজকের দিনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। 

হযরত ইউসুফ (আ.) ছিলেন অপরূপ সুন্দর এবং যুবক। মিশরের আজিজের স্ত্রী যখন ঘরের সমস্ত দরজা বন্ধ করে উনাকে পাপের দিকে আহ্বান করেছিল, তখন তিনি সমস্ত প্রলোভন ও ক্ষমতার দাপটকে তুচ্ছ করে বলেছিলেন, “আমি আল্লাহর আশ্রয় চাচ্ছি।” পাপের চেয়ে তিনি কারাগারের বন্দিজীবনকে বেছে নিয়েছিলেন। 

  • আজকের দিনের শিক্ষা: চারপাশে যত বড় বা সহজ প্রলোভনই থাকুক না কেন, আল্লাহর ভয়কে অন্তরে জাগ্রত রেখে নিজের আত্মনিয়ন্ত্রণ (Self-Control) বজায় রাখা। ক্যারিয়ার বা জীবনের যেকোনো ক্ষেত্রে সাময়িক আনন্দের চেয়ে চিরস্থায়ী নৈতিকতা ও সততাকে প্রাধান্য দেওয়া। 

৩. হযরত নূহ (আ.)-এর জীবন থেকে শিক্ষা: সামাজিক সমালোচনা উপেক্ষা করে নিজের লক্ষ্যে অবিচল থাকা (Perseverance)
আজকের দিনে তরুণ বা উদ্যোক্তারা যখন নতুন বা ভালো কোনো কাজ করতে যায়, তখন সমাজের মানুষের সমালোচনা, ট্রল বা উপহাসের শিকার হয়ে অনেকেই মাঝপথে কাজ ছেড়ে দেয়। মানুষের কথা বা সামাজিক চাপের মুখে নিজের সৎ লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হওয়া খুবই সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

হযরত নূহ (আ.) যখন আল্লাহর নির্দেশে মরুভূমির বুকে বিশাল নৌকা তৈরি করছিলেন, তখন সমকালীন সমাজের মানুষ উনাকে দেখে চরম উপহাস করত, পাগল বলত। কিন্তু তিনি মানুষের কোনো উপহাস বা ট্রলের দিকে কান না দিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে নিজের দায়িত্ব পালন করে গেছেন। শেষ পর্যন্ত তাঁর সেই নৌকাই বিশ্বাসীদের রক্ষা করেছিল। 

  • আজকের দিনের শিক্ষা: আপনি যদি নিশ্চিত হন যে আপনার কাজটি সৎ, সঠিক এবং মানবকল্যাণকর, তবে সমাজ বা সোশ্যাল মিডিয়ার মানুষ কী বলল বা কী ট্রল করল—তাতে কান না দিয়ে নিজের লক্ষ্যে অবিচল থাকা। দৃঢ় সংকল্প এবং কঠোর পরিশ্রমই শেষ পর্যন্ত সত্যকে জয়ী করে। 


নবী-রাসূলদের এই চমৎকার ঐতিহাসিক শিক্ষাগুলো কেবল পড়ার জন্য নয়, বরং আমাদের প্রতিদিনের আচরণ, কর্মক্ষেত্র ও পারিবারিক জীবনে চর্চা করা উচিত। তবেই আমরা এই আধুনিক ও জটিল পৃথিবীতে একটি শান্তিপূর্ণ ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবন গড়ে তুলতে সক্ষম হব। 

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।

নামাজের সঠিক সময়সূচি

নিউজ ডেস্ক

November 6, 2026

শেয়ার করুন

প্রতিবেদক: পালস বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশের তারিখ: ৬ নভেম্বর, ২০২৬
বিভাগ: ইসলাম ও জীবন
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশন, কালের কণ্ঠ ইসলামিক ডেস্ক, Salat Times (salat.habibur.com), এবং Muslim Bangla (muslimbangla.com)। 

আজ শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ (২১শে কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৫শে জুমাদাল উলা ১৪৪৮ হিজরি)। ইসলামে প্রতিদিন সঠিক সময়ে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা ফরজ। স্থানভেদে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরগুলোর মধ্যে সময়ের কিছুটা তারতম্য বা পার্থক্য হয়ে থাকে। পাঠকদের সুবিধার্থে আজকের জুমার নামাজসহ ৫ ওয়াক্ত নামাজের সঠিক ও নিখুঁত সময়সূচি নিচে তুলে ধরা হলো। 

১. ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি (Dhaka Division)
আজ ঢাকা ও এর আসেপাশের এলাকায় প্রতিটি ওয়াক্তের শুরুর সময় নিচে দেওয়া হলো:

  • ফজর: ০৪:৫০ AM 
  • সূর্যোদয়: ০৬:০৮ AM 
  • জুহর (জুমা): ১১:৪৩ AM (আজ জুমার ওয়াক্ত শুরু দুপুর ১১:৪৩ মিনিটে) 
  • আসর: ০৩:৪০ PM 
  • মাগরিব (সূর্যাস্ত): ০৫:১৭ PM 
  • এশা: ০৬:৩৪ PM 

২. অন্যান্য বিভাগীয় শহরের নামাজের সময় (যোগ-বিয়োগের নিয়ম)
ঢাকার সময়ের সাথে ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে অন্যান্য বিভাগের সময়ের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। ঢাকার সময়ের সাথে হিসাব করে আজকের বিভাগীয় শহরগুলোর নামাজের সময় নিচে দেওয়া হলো:

  • চট্টগ্রাম বিভাগ: ঢাকার সময় থেকে প্রায় ৬ মিনিট আগে নামাজ শুরু হবে। (ফজর- ০৪:৪৪ AM, মাগরিব- ০৫:১১ PM)। 
  • সিলেট বিভাগ: ঢাকার সময় থেকে প্রায় ৬ মিনিট আগে নামাজ শুরু হবে। (ফজর- ০৪:৪৪ AM, মাগরিব- ০৫:১১ PM)। 
  • খুলনা বিভাগ: ঢাকার সময় থেকে প্রায় ২-৩ মিনিট পরে নামাজ শুরু হবে। (ফজর- ০৪:৫৩ AM, মাগরিব- ০৫:২০ PM)। 
  • রাজশাহী বিভাগ: ঢাকার সময় থেকে প্রায় ৬-৭ মিনিট পরে নামাজ শুরু হবে। (ফজর- ০৪:৫৭ AM, মাগরিব- ০৫:২৪ PM)। 
  • রংপুর বিভাগ: ঢাকার সময় থেকে প্রায় ৫-৬ মিনিট পরে নামাজ শুরু হবে। 
  • বরিশাল বিভাগ: ঢাকার সময়ের প্রায় কাছাকাছি সময়েই নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। 

৩. ময়মনসিংহ বিভাগের নামাজের সঠিক সময়সূচি (Mymensingh Division)
আজ ময়মনসিংহ ও এর আশেপাশের অঞ্চলের (যেমন- ধোবাউড়া) জন্য নামাজের সঠিক সময়সূচি নিচে আলাদাভাবে দেওয়া হলো:

  • ফজর: ০৪:৫১ AM 
  • সূর্যোদয়: ০৬:০৮ AM 
  • জুহর (জুমা): ১১:৪৩ AM 
  • আসর: ০৩:৩৯ PM 
  • মাগরিব: ০৫:১৬ PM 
  • এশা: ০৬:৩৩ PM 

৪. নামাজের নিষিদ্ধ সময়সমূহ
ইসলামিক নিয়ম অনুযায়ী সূর্য উদয়, অস্ত এবং ঠিক মধ্যগগনে থাকার সময় নামাজ আদায় করা নিষিদ্ধ। আজ ৬ নভেম্বরের নিষিদ্ধ সময়গুলো হলো: 

  • সকাল (সূর্যোদয়ের সময়): ০৬:০৮ AM থেকে পরবর্তী ১৫ মিনিট পর্যন্ত। 
  • দুপুর (ঠিক মাথার ওপর সূর্য): ১১:৩৮ AM থেকে ১১:৪২ AM পর্যন্ত। 
  • বিকেল (সূর্যাস্তের সময়): ০৫:০২ PM থেকে ০৫:১৭ PM পর্যন্ত (এই সময়ে মাগরিবের ফরজ নামাজ ব্যতীত অন্য কোনো নামাজ পড়া যাবে না)। 
  • আবহাওয়া ও ঋতু পরিবর্তনের কারণে প্রতিদিন নামাজের সময় ১-২ মিনিট পর্যন্ত পরিবর্তন হতে পারে। তাই আপনার স্থানীয় মসজিদের আজানের সময়কে অগ্রাধিকার দিন এবং জামায়াতের সাথে নামাজ আদায় করুন।

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।

বিকাশ

নিউজ ডেস্ক

November 6, 2026

শেয়ার করুন

প্রতিবেদক: পালস বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশের তারিখ: ৬ নভেম্বর, ২০২৬
বিভাগ: ডিজিটাল ও সাইবার জগৎ
তথ্যসূত্র: বিকাশ (bKash) সিকিউরিটি গাইডলাইন, বাংলাদেশ ব্যাংক ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU) এবং সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন (ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ) 

ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার সাথে সাথে অনলাইন শপিং এবং মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ) আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে। তবে এই সুবিধার পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অভিনব সব সাইবার জালিয়াতি ও প্রতারণা। প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষ বিভিন্ন লোভনীয় অফার বা চতুর ফিশিংয়ের ফাঁদে পড়ে তাদের কষ্টার্জিত অর্থ ও বিকাশ অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছেন। গুগলের ২০২৬ সালের সর্বশেষ ইউজার সেফটি ও সিকিউরিটি গাইডলাইন অনুযায়ী, অনলাইন শপিং ও বিকাশ ব্যবহার করার সময় জালিয়াতি চক্রকে ধরার ৭টি পাকা ও প্রমাণিত উপায় নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো: 

১. অস্বাভাবিক মূল্যছাড় এবং “অবাস্তব” অফার (Too Good to be True)
প্রতারক চক্রের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো লোভ। বাজারে যে প্রোডাক্টটির আসল দাম ৫,০০০ টাকা, কোনো পেজ বা ওয়েবসাইটে যদি সেটি মাত্র ১,৫০০ টাকায় ‘অফারের’ নামে বিক্রি করার বিজ্ঞাপন দেখেন, তবে শুরুতেই সতর্ক হন। আইফোন, প্রিমিয়াম গ্যাজেট বা ব্র্যন্ডেড পোশাকের ক্ষেত্রে এই ধরনের অবাস্তব ছাড় মূলত ক্রেতাদের ফাঁদে ফেলার প্রথম ধাপ। 

২. শুধু ‘অ্যাডভান্স ফুল পেমেন্ট’ বা অগ্রিম টাকা নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া
বিশ্বস্ত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো সবসময় ক্যাশ অন ডেলিভারি (COD) বা কন্ডিশনাল ডেলিভারির সুবিধা দেয়। কিন্তু কোনো নতুন বা স্বল্প পরিচিত পেজ যদি পণ্য ডেলিভারি দেওয়ার আগেই বিকাশের মাধ্যমে সম্পূর্ণ টাকা বা অতিরিক্ত ডেলিভারি চার্জ অগ্রিম পরিশোধ করার জন্য অনবরত চাপ দিতে থাকে, তবে বুঝতে হবে এখানে বড় ধরনের গড়মিল রয়েছে। নির্ভরযোগ্য কোনো প্রতিষ্ঠান কাস্টমারকে পেমেন্টের জন্য বারবার তাগাদা দেয় না। 

৩. ভুয়া বিকাশ কল এবং পিন/ওটিপি (PIN/OTP) চাওয়া
বিকাশ প্রতারণার অন্যতম সাধারণ পদ্ধতি হলো গ্রাহককে ফোন করে বলা যে, “আমি বিকাশ অফিস থেকে বলছি, আপনার অ্যাকাউন্টটি ব্লক হয়ে গেছে” অথবা “ভুল করে আপনার অ্যাকাউন্টে টাকা চলে গেছে, ওটিপি (OTP) কোডটি বলুন।” মনে রাখবেন, বিকাশের কোনো কর্মকর্তা বা কাস্টমার কেয়ার প্রতিনিধি কখনোই আপনার ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (OTP) কিংবা ৪ বা ৫ ডিজিটের গোপন পিন (PIN) নম্বর জানতে চাইবে না। কেউ এটি চাইলেই নিশ্চিতভাবে সে একজন প্রতারক। 

৪. ভুয়া এসএমএস (Fake SMS) ও স্পুফিং লিংকের ব্যবহার
অনেক সময় প্রতারকেরা হুবহু বিকাশের মেসেজ ফরম্যাট নকল করে আপনার ফোনে বার্তা পাঠায়, যাতে লেখা থাকে “You have received TK. 5,000″। এই মেসেজগুলো কিন্তু আপনার আসল বিকাশ অ্যাপের ব্যালেন্স বাড়ায় না। এছাড়া ‘বিকাশ বোনাস’ বা ‘সরকারি অনুদান’ পাওয়ার লোভ দেখিয়ে বিভিন্ন ফিশিং লিংক পাঠানো হয়। কোনো লিংকে ক্লিক করে আপনার বিকাশ নম্বর এবং পিন সাবমিট করার আগে অবশ্যই ওয়েবসাইটের ইউআরএল (URL) চেক করুন। বিকাশের আসল ওয়েবসাইট লিংক সবসময় https://www.bkash.com/ দিয়ে শুরু হয়। 

৫. ফেসবুক পেজের লাইক, কমেন্ট ও রিভিউ সেকশন হাইড বা অফ থাকা
অনলাইন শপিং পেজটি আসল নাকি নকল তা চেনার একটি সহজ উপায় হলো তাদের রিভিউ সেকশন। প্রতারক চক্রের পেজগুলোতে সাধারণত কাস্টমার রিভিউ অপশন বন্ধ থাকে এবং পোস্টের কমেন্ট সেকশন হাইড (Hide) বা লিমিটেড করা থাকে, যাতে প্রতারিত হওয়া অন্য ভুক্তভোগীরা সেখানে নেতিবাচক মন্তব্য করতে না পারেন। এছাড়া পেজের ‘Page Transparency’ অপশনে গিয়ে পেজটি কবে তৈরি হয়েছে এবং এর আগে কতবার নাম পরিবর্তন করা হয়েছে তা দেখে এর নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করা যায়। 

৬. ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরে (Personal Number) ‘সেন্ড মানি’ করার তাগিদ
যেকোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা প্রফেশনাল অনলাইন শপের নিজস্ব ‘বিকাশ মার্চেন্ট’ (Merchant Account) অ্যাকাউন্ট থাকে, যেখানে গ্রাহক ‘মেক পেমেন্ট’ অপশন ব্যবহার করে কেনাকাটা করেন। কিন্তু বিক্রেতা যদি কোনো মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট না দেখিয়ে আপনাকে বারবার পার্সোনাল নম্বরে ‘সেন্ড মানি’ বা ‘ক্যাশ ইন’ করতে বলে, তবে সাবধান হোন। পার্সোনাল নম্বরে টাকা পাঠালে পরবর্তীতে প্রতারণার শিকার হলেও সেই টাকা ট্র্যাক করা বা রিফান্ড পাওয়া বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। 

৭. লাইভ চ্যাটে ফেসবুক আইডির সত্যতা এবং ট্র্যাকিং আইডি না দেওয়া
পণ্য অর্ডার করার পর যদি তারা কোনো কুরিয়ার সার্ভিসের (যেমন- সুন্দরবন, স্টিডফাস্ট, পাথao) মেমো বা ট্র্যাকিং আইডি দিতে টালবাহানা করে অথবা বারবার কুরিয়ারে বুকিং দেওয়ার নাম করে অতিরিক্ত ‘প্রসেসিং ফি’ দাবি করে, তবে ধরে নেবেন আপনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। জালিয়াতি চক্র সাধারণত টাকা পাওয়ার পরপরই গ্রাহকের ফেসবুক আইডি বা ফোন নম্বর ব্লক করে দেয়। 

প্রতারিত হলে তাৎক্ষণিক করণীয় ও আইনি প্রতিকার:
১. বিকাশ হেল্পলাইন ১৬২৪৭: যদি ভুলবশত কোনো প্রতারককে টাকা পাঠিয়ে দেন বা ওটিপি শেয়ার করে ফেলেন, তবে এক সেকেন্ডও সময় নষ্ট না করে সরাসরি বিকাশের হটলাইন নম্বর ১৬২৪৭-এ কল করে আপনার অ্যাকাউন্টটি সাময়িকভাবে লক করুন এবং যে নম্বরে টাকা গেছে সেটি রিপোর্ট করুন।
২. জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর (DNCRP): অনলাইন কেনাকাটায় প্রতারিত হলে মেমো, চ্যাটের স্ক্রিনশট এবং পেমেন্ট প্রুফসহ ভোক্তা অধিকারে লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেন।
৩. সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন: বিকাশ বা অনলাইন শপিং জালিয়াতির শিকার হলে নিকটস্থ থানায় জিডি (GD) করুন এবং ডিএমপির সাইবার ক্রাইম ইউনিটের ফেসবুক পেজে বা সরাসরি হ্যালো সিটি (Hello CT) অ্যাপের মাধ্যমে অভিযোগ জানান। ডিজিটাল সিকিউরিটি ও সাইবার ক্রাইম টিম এই ধরনের অপরাধীদের আইপি ও লোকেশন ট্র্যাক করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে সক্ষম। 

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।

২৩শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ