গল্প

রেলগাড়িতে জন্ম, সারা জীবন পথেই কাটানো: সুচিত্রা মিত্রের জীবনের প্রথম অধ্যায়
সুচিত্রা মিত্র

নিউজ ডেস্ক

August 1, 2025

শেয়ার করুন

প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
তারিখ: ১ আগস্ট ২০২৫
সূত্র: সংগৃহীত ঘটনাপ্রবাহ, গজুদি রচিত ছড়া

একজন মানুষের জন্ম কীভাবে সময়কে ছাপিয়ে যায়, ইতিহাসে রূপ নেয়—তার জ্বলন্ত প্রমাণ গায়িকা, রবীন্দ্রসংগীতের সম্রাজ্ঞী সুচিত্রা মিত্র। শান্তিনিকেতনের ‘গজুদি’ নামে যাঁকে আমরা ভালোবেসেছি, তাঁর জন্মও যেন এক নাটক। একদিকে গভীর বনাঞ্চল, অন্যদিকে এক প্রসবযন্ত্রণায় কাতর নারী—আর তার মাঝখানে একটি ছুটে চলা মেইল ট্রেন।

ডেহরি-অন-সোন থেকে গুঝান্ডি: এক অবিস্মরণীয় ভ্রমণ

১৯২৪ সালের ১৯শে সেপ্টেম্বর, একটি মেইল ট্রেন ছুটে চলেছে ডেহরি-অন-সোন থেকে কলকাতার দিকে। চারদিক শাল-পিয়ালের ঘন জঙ্গল, আর একটি কামরায় প্রসবযন্ত্রণায় কাতর এক মহিলা। বিপন্ন স্বামী ভাবছেন, কী করা যায়? ট্রেন তো থামে না!

তখন হঠাৎ বিদ্যুৎ চমকের মতো এক কাজ করেন তিনি—একটি চিরকুট লিখে বোতলে ভরে ছুঁড়ে দেন নিকটবর্তী এক ছোট্ট স্টেশনের দিকে। বোতলটি হাতে পান সেই স্টেশনের কর্তব্যরত স্টেশন মাস্টার।

চিকিৎসকসহ ট্রেন থেমে গেল গুঝান্ডি স্টেশনে

বোতল থেকে তথ্য পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে যোগাযোগ হয় গুঝান্ডি স্টেশনের সঙ্গে। ভাগ্য সহায় ছিল—সেদিন ঐ স্টেশনে এক চিকিৎসকের ভিজিট রুটিন ছিল। ট্রেন যখন ধীরে গুঝান্ডি স্টেশনে থামে, সঙ্গেই হাজির হন কুলি, ডাক্তার ও মেডিকেল বক্স। স্টেশন মাস্টারের কোয়ার্টারে জন্ম হয় এক ফুটফুটে কন্যাশিশুর।

সেই ‘গুঝান্ডি’র স্মরণে নাম রাখা হয় ‘গজু’

গভীর কৃতজ্ঞতায় মা-বাবা শিশুর নাম রাখেন গজু—গুঝান্ডি স্টেশনের নাম থেকেই অনুপ্রাণিত। পরে শান্তিনিকেতনে তিনি হয়ে ওঠেন ‘গজুদি’। সেখানেই রবীন্দ্রসংগীতে নিজের আত্মদানের মাধ্যমে ইতিহাসে অমর হয়ে থাকেন সুচিত্রা মিত্র।

নিজেই লিখে গেছেন জন্মের গল্প এক ছড়ায়

সুচিত্রা মিত্র নিজের জন্মের সেই অদ্ভুত গল্প নিজেই এক ছড়ায় তুলে ধরেছেন, যেখানে তিনি বলেন—

“শুনেছি, রেলগাড়িতে জন্মেছিলাম, দুই পায়ে তাই চাকা,
সারাজীবন ছুটেই গেলাম, হয়নি বসে থাকা।

প্রায়ই ভাবি আপন মনে, ফুরাবে পথ কোন বিজনে,
ছোটা ফেলে ছুটির আশে রই চেয়ে নির্নিমেষ।”

এই ছড়া যেন তাঁর পুরো জীবনদর্শনের প্রতীক—চিরভ্রাম্যমাণ, কর্মনির্ভর, অদম্য এক মনন।

একজন গায়িকা, একজন বিপ্লবী নারীর জীবন শুরু হয় স্টেশন কোয়ার্টারে

সুচিত্রা মিত্র শুধু কণ্ঠশিল্পী ছিলেন না—তিনি ছিলেন চিন্তার মুক্তির প্রতীক। তাঁর জন্মও একধরনের প্রতিবাদ, নিরুপায়তার মধ্যে আশার আলোকবর্তিকা। জন্মের সময় যে রেললাইন ছিল তাঁর পথের সঙ্গী, মৃত্যুর আগেও তিনি থেকে গেছেন সুরের পথে, ছুটে চলা জীবনযাত্রায়।

প্রতিবেদক:  বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

নেগেটিভ মানুষ

নিউজ ডেস্ক

April 12, 2026

শেয়ার করুন

লিখেছেন: [BDS Bulbul Ahmed]

জানেন কি, নেগেটিভ মানুষ আপনাকে কখনো সরাসরি ধ্বংস করবে না? তারা অনেকটা ‘উইপোকার’ মতো; বাইরে থেকে দেখা যায় না, কিন্তু ধীরে ধীরে আপনার ভেতরকার আত্মবিশ্বাস, স্বপ্ন আর সাহসকে খেয়ে ফেলে। আজ আমরা আলোচনা করব কেন আপনার চারপাশ পরিষ্কার রাখা আপনার সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য জরুরি।

১. নেতিবাচক কথার মারণাস্ত্র

যখন কেউ আপনাকে বলে— “তুই পারবি না” বা “এটা তোর জন্য না”, তখন প্রথমবার হয়তো আপনি পাত্তা দেন না। কিন্তু বার বার একই কথা শুনতে শুনতে আপনার অবচেতন মনে নিজের প্রতি সন্দেহ তৈরি হয়। এই সন্দেহটাই আপনার সাফল্যের পথে সবচাইতে বড় বাধা।

২. এনার্জি ভ্যাম্পায়ার

কিছু মানুষ আছে যারা আপনার পজিটিভ এনার্জি শুষে নেয়। আপনি হয়তো খুব উৎসাহ নিয়ে নতুন কোনো আইডিয়া শেয়ার করলেন, আর তারা নিমিষেই একগুচ্ছ ‘কিন্তু’ আর ‘যদি’ দিয়ে আপনার উৎসাহটা নষ্ট করে দিল। এর ফলে:

  • আপনার কাজের উদ্যম বা এনার্জি কমে যায়।
  • বড় স্বপ্ন দেখার সাহস হারিয়ে ফেলেন।
  • চেষ্টা করার আগেই পরাজয় মেনে নেন।

৩. আপনি কি তাদের মতোই হয়ে যাচ্ছেন?

মনোবিজ্ঞানে একটি কথা আছে— “You are the average of the five people you spend the most time with.” অর্থাৎ, আপনি যাদের সাথে সবচাইতে বেশি সময় কাটান, আপনি ঠিক তাদের মতোই হয়ে ওঠেন। নেগেটিভ মানুষের ভিড়ে থাকলে একসময় আপনি নিজেও অজান্তে নেতিবাচক চিন্তা করতে শুরু করবেন।


কিভাবে নিজেকে রক্ষা করবেন? (Protect Your Mindset)

নেগেটিভ মানুষের লক্ষণআপনার করণীয়
সব কাজে খুঁত ধরাতাদের থেকে ব্যক্তিগত পরিকল্পনা গোপন রাখুন।
অতীতের ব্যর্থতা মনে করানোনিজের বর্তমান অর্জনগুলো ডায়েরিতে লিখুন।
রিস্ক নিতে বাধা দেওয়াযারা সফল হয়েছে তাদের জীবনী পড়ুন।
পরচর্চা ও অভিযোগ করাআড্ডা থেকে কৌশলে নিজেকে সরিয়ে নিন।

উপসংহার: নিজের ভবিষ্যৎ আপনার হাতে

সবাইকে সাথে নিয়ে চলা উদারতার লক্ষণ হতে পারে, কিন্তু নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে নয়। মনে রাখবেন, আপনার চারপাশ যেমন, আপনার ভবিষ্যৎ ঠিক তেমনই হবে। তাই আজই আপনার সার্কেলটি চেক করুন। যাদের কথা আপনাকে ছোট করে রাখে, তাদের থেকে ভদ্রভাবে দূরত্ব বজায় রাখুন।

আপনার Mindset আপনার সবচাইতে বড় সম্পদ। একে রক্ষা করার দায়িত্ব আপনার নিজের।

আপনার মন্তব্য: আপনার আশেপাশে এমন কেউ কি আছে যে সারাক্ষণ আপনার মনোবল ভেঙে দেয়? আপনি কিভাবে তাদের হ্যান্ডেল করেন? কমেন্টে আমাদের জানান।

প্রতিবেদক:  বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।

প্রাণীদের ডিজিটাল আইডি

নিউজ ডেস্ক

April 7, 2026

শেয়ার করুন

বিজ্ঞান ও প্রকৃতি বিশ্লেষণ: বিডিএস বুলবুল আহমেদ (সিনিয়র ডিজিটাল স্ট্র্যাটেজিস্ট)

ঢাকা, ৭ এপ্রিল ২০২৬: আমরা যখন একে অপরের পরিচয় জানতে এনআইডি কার্ড বা ফেস আইডি ব্যবহার করি, প্রকৃতি তখন তার সন্তানদের জন্য তৈরি করে রেখেছে একদম ভিন্ন এক ‘ডিজিটাল সিস্টেম’। কুকুর, শেয়াল বা বিড়াল পরিবার—তাদের পরিচয় কিন্তু মুখে নয়, বরং লুকিয়ে আছে লেজের নিচের এক বিশেষ গ্রন্থিতে! ডা. আব্দুর রহমানের ভাষায়, এটিই হলো তাদের নিজস্ব ‘ডিজিটাল আইডি কার্ড’

১. অ্যানাল গ্ল্যান্ড: প্রকৃতির নিজস্ব ডেটা সেন্টার

শেয়াল, নেকড়ে, কুকুর কিংবা গেঁদো—এই পুরো ক্যানিড (Canid) পরিবারের সদস্যদের পায়ুপথের পাশে থাকে বিশেষ এক গ্রন্থি, যাকে বলা হয় Anal Gland। এটি থেকে এক প্রকার রাসায়নিক তরল নিঃসৃত হয়, যার গন্ধ প্রতিটি প্রাণীর জন্য ইউনিক বা স্বতন্ত্র।

  • প্যাকেজ ডিল: এই গন্ধের ভেতরেই লুকিয়ে থাকে সেই প্রাণীর নাম, ঠিকানা, লিঙ্গ, বংশপরিচয় এমনকি সে বর্তমানে কতটা সুস্থ বা রাগী—তার সব তথ্য।

২. কুকুর কেন একে অপরের পেছন শুকতে যায়?

আমরা অনেক সময় কুকুরদের এই আচরণ দেখে হাসি বা বিরক্ত হই। কিন্তু বিজ্ঞানের ভাষায় এটি কোনো অসভ্যতা নয়, বরং এটি একটি ‘বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন’

  • স্ক্যানিং প্রসেস: আমরা যেমন কিউআর কোড স্ক্যান করি, কুকুররা ঠিক একইভাবে একে অপরের গন্ধ শুঁকে নিশ্চিত হয় যে সামনের জন বন্ধু না কি শত্রু।
  • ডিজিটাল সিগনেচার: প্রতিটি কুকুরের গন্ধ আলাদা হওয়ার কারণে তারা মুহূর্তের মধ্যেই বুঝে ফেলে— “এই এলাকায় নতুন কে এলো?” অথবা “পুরানো সেই বন্ধুটি আবার ফিরেছে কি না।”

৩. বিড়াল পরিবারেও কি একই সিস্টেম?

হ্যাঁ! শুধু কুকুর নয়, বিড়াল পরিবারের সদস্যরাও এই একই পদ্ধতিতে চলে। বিড়ালের ক্ষেত্রেও এই গ্রন্থি থেকে বের হওয়া কেমিক্যাল তাদের টেরিটোরি বা এলাকা চিহ্নিত করতে সাহায্য করে। তারা যখন কোনো দেয়ালে বা গাছে গা ঘষে, তখন তারা মূলত সেখানে তাদের ‘ডিজিটাল সিগনেচার’ রেখে যায়।

৪. মানুষের ফিঙ্গারপ্রিন্ট বনাম প্রাণীর স্মেল প্রিন্ট

মানুষের পরিচয় যেমন আঙুলের ছাপে (Fingerprint) বা চোখের মনিতে (Iris), প্রাণীদের পরিচয় তেমনি তাদের গন্ধে। আমরা বলি, “চেহারা মিলছে না, আইডি দেখান।” আর ওরা মনে মনে বলে, “এক সেকেন্ড দাঁড়াও… QR কোডটা একটু শুঁকে দেখি!” 🤣🤣


বিডিএস বুলবুল-এর পর্যবেক্ষণ: প্রকৃতির ইঞ্জিনিয়ারিং আসলেই বিস্ময়কর। ২০২৬ সালের এই হাই-টেক যুগেও আমরা যখন কোটি কোটি টাকা খরচ করে বায়োমেট্রিক সিস্টেম বানাচ্ছি, বন্যপ্রাণীরা তখন লক্ষ বছর ধরে লেজের নিচে বসানো এক বিশেষ ‘সেন্সর’ দিয়েই দিব্যি একে অপরকে চিনে নিচ্ছে। প্রকৃতির এই ‘লো-টেক কিন্তু হাই-ইফেক্টিভ’ সিস্টেম আমাদের শিখিয়ে দেয়—পরিচয় আসলে চেহারায় নয়, বরং অস্তিত্বের গভীরে।


দ্রুত ফ্যাক্ট চেক (Scientific Sources):

  1. The Role of Anal Sacs in Canines: ভেটেরিনারি বিজ্ঞান অনুযায়ী, এই গ্রন্থিটি লুব্রিকেশন ছাড়াও ফেরোমোন (Pheromones) নিঃসরণ করে যা সামাজিক যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম।
  2. Olfactory Communication in Foxes: শেয়াল তাদের এলাকা চিহ্নিত করতে এবং প্রজনন মৌসুমে সঙ্গী খুঁজতে এই গন্ধ ব্যবহার করে।
  3. Animal Behavior Studies: স্মিথসোনিয়ান ইনস্টিটিউটের গবেষণা বলছে, কুকুরের ঘ্রাণশক্তি মানুষের চেয়ে প্রায় ১০,০০০ থেকে ১০০,০০০ গুণ বেশি শক্তিশালী, যা তাদের এই ‘স্মেল-আইডি’ বুঝতে সাহায্য করে।

প্রতিবেদক:  বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।

সবাই তার নিজের টাইমজোনে আবারাক ওবামা ও ট্রাম্পের উদাহরণ দিয়ে সময়ের গুরুত্বছে: হতাশ না হওয়ার চিরন্তন মন্ত্র।

নিউজ ডেস্ক

April 6, 2026

শেয়ার করুন

অনুপ্রেরণামূলক বার্তা: বিডিএস বুলবুল আহমেদ

আমরা অনেক সময় অন্যের সাফল্য দেখে নিজেকে ব্যর্থ মনে করি। মনে হয় সবাই এগিয়ে গেল, আমিই বোধহয় পিছিয়ে পড়লাম। কিন্তু সত্যটা হলো—পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের ঘড়ি আলাদা সময় দেয়। নিচের উদাহরণগুলো একটু ভেবে দেখুন:

১. ওবামা বনাম ট্রাম্প: নেতৃত্বের কোনো নির্দিষ্ট বয়স নেই

বারাক ওবামা ৫৫ বছর বয়সে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অবসর নিয়েছিলেন। অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প ৬৯ বছর বয়সে প্রথমবার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন। একজন আগে শুরু করে দ্রুত শেষ করেছেন, অন্যজন দেরিতে শুরু করে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ রেখেছেন। দুজনের কেউই ভুল সময়ে ছিলেন না।

২. ঢাকা ও লন্ডন: গতির পার্থক্য নয়, অবস্থানের পার্থক্য

ঢাকায় যখন ভোর ৫টা, লন্ডনে তখন রাত ১১টা। লন্ডন কিন্তু ঢাকার চেয়ে ৬ ঘণ্টা পিছিয়ে নেই, বরং লন্ডন তার নিজস্ব ‘টাইমজোনে’ আছে। আপনার পরিচিত কেউ হয়তো আপনার চেয়ে ২ বছর আগে গাড়ি কিনেছেন বা বিয়ে করেছেন, তার মানে এই নয় যে আপনি পিছিয়ে আছেন। আপনি কেবল আপনার নিজস্ব অবস্থানে আছেন।

৩. গ্র্যাজুয়েশন ও ক্যারিয়ার: সাফল্যের কোনো শর্টকাট নেই

  • কেউ ২২ বছর বয়সে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে ৫ বছর চাকরির অপেক্ষায় থাকে।
  • আবার কেউ ২৭ বছর বয়সে পড়াশোনা শেষ করে পরের দিনই স্বপ্নের চাকরি পেয়ে যায়!
  • কেউ ২৫ বছর বয়সে কোম্পানির CEO হয়ে ৫০ বছরে মারা যান।
  • আবার কেউ ৫০ বছর বয়সে CEO হয়ে ৯০ বছর পর্যন্ত সফলভাবে বেঁচে থাকেন।

৪. তুলনা নয়, শান্ত থাকুন

আপনার চারপাশে তাকালে মনে হতেই পারে কেউ আপনার থেকে অনেক এগিয়ে আছেন, আবার কেউ অনেক পিছিয়ে। কিন্তু আপনার এই ধারণাটি ভুল। প্রত্যেকেই তার নিজ নিজ সময়, অবস্থান এবং গতিতে আছেন।

মনে রাখবেন:

  • আগে থাকাদের প্রতি হিংসা বা অভিযোগ করবেন না।
  • পিছিয়ে থাকাদের অবহেলা বা তুচ্ছ জ্ঞান করবেন না।
  • আপনি এগিয়েও নেই, পিছিয়েও নেই—আপনি ঠিক আপনার জায়গাতেই আছেন।

আপনার পথ আপনার, অন্যের পথ অন্যের। অন্যের টাইমজোনের সাথে নিজের ঘড়ি মেলাতে গিয়ে নিজেকে ছোট করবেন না। শুধু সময়কে গুরুত্ব দিন, পরিশ্রম করে যান এবং নিজের ওপর আস্থা রাখুন। একদিন ঠিকই সফল হবেন ইনশাআল্লাহ!

প্রতিবেদক:  বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।

৩রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ