আন্তর্জাতিক

Air India Flight with 242 Onboard Crashes Near Ahmedabad Airport
air-india-1749722340

নিউজ ডেস্ক

June 12, 2025

শেয়ার করুন

Ahmedabad, India – A catastrophic aviation disaster struck India today as an Air India Boeing 787-8 Dreamliner, operating flight AI171, crashed near Sardar Vallabhbhai Patel International Airport shortly after takeoff. The aircraft was carrying 232 passengers and 10 crew members, bound for London’s Gatwick Airport.

Crash Occurred Just After Takeoff

The incident took place between 1 PM and 2 PM local time, according to a report by NDTV. The plane took off normally but lost control shortly after lift-off and crashed into a residential area near the airport.

Eyewitnesses described hearing a loud bang followed by plumes of black smoke rising above the crash site.

Aircraft Details & Flight Route

The ill-fated aircraft is identified as a Boeing 787-8 Dreamliner, capable of carrying nearly 300 passengers. The flight was heading from Ahmedabad to London Gatwick, a major international route for business and diaspora travelers.

The aircraft’s pilots have been identified as Captain Sumit Sabharwal and First Officer Clive Kundar.

Emergency Response & Investigation

Emergency services rushed to the site. Rescue efforts are ongoing. Local roads have been cordoned off for safety and recovery operations.

India’s aviation regulator, Directorate General of Civil Aviation (DGCA), has confirmed the incident and launched a full investigation. Initial reports suggest mechanical failure might be a cause, though no official statement has been issued yet.

Public Statement Awaited

While Air India has yet to issue a formal press release, Indian civil aviation authorities have urged calm and promised a transparent investigation. Flight data recorders (black boxes) are being searched to determine the root cause.

As the nation anxiously awaits updates, the crash has already reignited discussions about the age and maintenance protocols of aircraft used on international routes.

Conclusion

This tragic event is a stark reminder of the unpredictability and risks of air travel. With 242 lives potentially impacted, the global aviation community is watching India closely for further updates.

Reporter: BDS Bulbul Ahmed

For more news, visit: pulsebangladesh

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সরলা দেবী চৌধুরাণী

নিউজ ডেস্ক

April 16, 2026

শেয়ার করুন

লিখেছেন: BDS Bulbul Ahmed

বিভাগ: ইতিহাস ও নারী জাগরণ

উনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে যখন বাঙালি নারীদের পরিচয় কেবল অন্তঃপুরের আড়ালে সীমাবদ্ধ ছিল, তখন এক নির্ভীক নারী নিজের মেধা, সৃজনশীলতা ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞা দিয়ে তৈরি করেছিলেন এক স্বতন্ত্র ইতিহাস। তিনি সরলা দেবী চৌধুরাণী—যিনি একাধারে সাহিত্যিক, সমাজসেবী, শিক্ষাবিদ এবং ভারতের প্রথম দিককার নারী আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব।

১. জন্ম ও জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির প্রভাব

সরলা দেবীর জন্ম ১৮৭২ সালের ৯ই সেপ্টেম্বর কলকাতার বিখ্যাত জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে। তাঁর পিতা জানকীনাথ ঘোষাল ছিলেন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং মাতা স্বর্ণকুমারী দেবী ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অগ্রজ প্রখ্যাত সাহিত্যিক। সম্পর্কে কবিগুরু ছিলেন সরলা দেবীর ছোট মামা। ঠাকুরবাড়ির মুক্ত সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক আবহে বড় হওয়া সরলা দেবীর জীবনে ‘রবি মামা’র প্রভাব ছিল অপরিসীম।

২. শিক্ষার আলোকবর্তিকা ও ‘পদ্মাবতী স্বর্ণপদক’

অদম্য মেধাবী সরলা দেবী ১৮৮৬ সালে এন্ট্রান্স পাস করে বেথুন কলেজে ভর্তি হন। ১৮৯০ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে তিনি ইংরেজি সাহিত্যে অনার্সসহ বি.এ. পাস করেন। সেই সময় মেয়েদের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়ায় তিনি লাভ করেন মর্যাদাপূর্ণ ‘পদ্মাবতী স্বর্ণপদক’। সে আমলের নারীদের জন্য এটি ছিল এক অভাবনীয় মাইলফলক।

৩. স্বাবলম্বী হওয়ার লড়াই ও ‘লক্ষ্মী ভাণ্ডার’

তৎকালীন উচ্চবিত্ত সমাজের নারীরা জীবিকা অর্জনের কথা চিন্তা না করলেও সরলা দেবী ছিলেন ব্যতিক্রম। পরিবারের অমত সত্ত্বেও তিনি মহীশূরের মহারাণী গার্লস কলেজে শিক্ষকতা শুরু করেন। স্বদেশী পণ্য প্রসারের লক্ষ্যে ১৯০৪ সালে তিনি বৌবাজারে স্থাপন করেন ‘লক্ষ্মী ভান্ডার’। এটি কেবল একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিল না, বরং স্বদেশী আন্দোলনের একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক স্তম্ভ ছিল।

৪. বন্দেমাতরমের সুরকার ও বিপ্লবী চেতনা

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী গান ‘বন্দেমাতরম’-এর প্রথম স্তবকের সুর দিয়েছিলেন সরলা দেবী চৌধুরাণী। এটি তাঁর দেশপ্রেমের এক অনন্য স্বাক্ষর। এছাড়াও যুবকদের আত্মরক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে তিনি ‘প্রতাপাদিত্য উৎসব’ ও ‘বীরাষ্টমী ব্রত’ পালনের সূচনা করেন। তরবারি চালনা ও লাঠি খেলার প্রচলনের মাধ্যমে তিনি বাঙালি যুবকদের মধ্যে বীরত্ব জাগ্রত করতে চেয়েছিলেন।

৫. ভারত স্ত্রী মহামণ্ডল ও নারী আন্দোলন

১৯১০ সালে এলাহাবাদে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘ভারত স্ত্রী মহামণ্ডল’। অনেক ইতিহাসবিদের মতে, এটিই ছিল ভারতের প্রথম সর্বভারতীয় নারী সংগঠন। দিল্লি, কানপুর, ইলাহাবাদসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এর শাখা ছড়িয়ে ছিল, যার মাধ্যমে নারীদের হাতের কাজ ও শিক্ষা বিস্তারের কাজ চলত।

৬. মহাত্মা গান্ধী ও ব্যক্তিগত জীবন

১৯০৫ সালে তিনি বিপ্লবী ও সাংবাদিক রামভুজ দত্ত চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং পাঞ্জাবে চলে যান। সেখানে তিনি তাঁর স্বামীর সাথে ‘হিন্দুস্তান’ পত্রিকা সম্পাদনা করেন। পরবর্তীতে মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলনেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। জীবনের শেষভাগে তিনি বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর কাছে দীক্ষা নিয়ে আধ্যাত্মিক পথে চলে যান।


বিডিএস পর্যবেক্ষণ: সরলা দেবী কেবল ঠাকুরবাড়ির একজন নক্ষত্র ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন নারীবাদ ও স্বনির্ভরতার মূর্ত প্রতীক। তাঁর আত্মজীবনী ‘জীবনের ঝরাপাতা’ আজও গবেষকদের কাছে সেই সময়ের ইতিহাসের আকর গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত।


এক নজরে সরলা দেবী চৌধুরাণী:

বিষয়তথ্য
জন্ম৯ সেপ্টেম্বর ১৮৭২।
প্রধান পরিচয়সাহিত্যিক, সুরকার ও সমাজ সংস্কারক।
সুরারোপিত গানবন্দেমাতরম (প্রথম স্তবক)।
সংগঠনলক্ষ্মী ভাণ্ডার, ভারত স্ত্রী মহামণ্ডল।
বিখ্যাত বইজীবনের ঝরাপাতা (আত্মজীবনী), নববর্ষের স্বপ্ন।
মৃত্যু১৮ আগস্ট ১৯৪৫।

তথ্যসূত্র (Source):

  • উইকিপিডিয়া: সরলা দেবী চৌধুরাণী – জীবনী।
  • বাংলাপিডিয়া: চৌধুরানী, সরলাদেবী – জাতীয় জ্ঞানকোষ।
  • অনুশীলন: সরলা দেবী ও ঠাকুরবাড়ির ইতিহাস।

প্রতিবেদক:  বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।

ভারতের জাতীয় পতাকা

নিউজ ডেস্ক

April 14, 2026

শেয়ার করুন

লিখেছেন: BDS Bulbul Ahmed

ভারতের জাতীয় পতাকা বা ‘তিরঙ্গা’ প্রতিটি ভারতীয়র কাছে গর্বের প্রতীক। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে, বর্তমান এই নকশাটি একদিনে আসেনি। এর পেছনে রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশের এক অকুতোভয় স্বাধীনতা সংগ্রামী ও মেধাবী ভূবিজ্ঞানী পিংগালি ভেঙ্কাইয়া-র (Pingali Venkayya) দীর্ঘ গবেষণা ও দেশপ্রেম।

১. পিংগালি ভেঙ্কাইয়া: নকশাকারকের পরিচয়

পিংগালি ভেঙ্কাইয়া ১৮৭৬ সালে অন্ধ্রপ্রদেশের মাসুলিপত্তনমে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯ বছর বয়সে তিনি ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় ‘বোয়ার যুদ্ধে’ অংশ নেন। সেখানেই তাঁর সাথে মহাত্মা গান্ধীর পরিচয় হয়। ভারতের জন্য একটি স্বতন্ত্র পতাকার প্রয়োজনীয়তা তিনি প্রথম থেকেই অনুভব করেছিলেন এবং ১৯১৬ থেকে ১৯২১ সাল পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পতাকার ওপর বিস্তর গবেষণা করেন।

২. পতাকার নকশার বিবর্তন

  • গান্ধীর পরামর্শ (১৯২১): ভেঙ্কাইয়া প্রথমে গেরুয়া (লাল) এবং সবুজ রঙের একটি পতাকার নকশা করেন। মহাত্মা গান্ধী এতে ভারতের অন্যান্য ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রতীক হিসেবে ‘সাদা’ রং এবং স্বনির্ভরতার প্রতীক হিসেবে ‘চরকা’ যুক্ত করার পরামর্শ দেন।
  • স্বরাজ পতাকা: ১৯৩১ সালে করাচি অধিবেশনে এই ত্রিবর্ণরঞ্জিত পতাকাটি ‘স্বরাজ পতাকা’ হিসেবে গৃহীত হয়।
  • চূড়ান্ত রূপ (১৯৪৭): স্বাধীনতার ঠিক আগে, ১৯৪৭ সালের ২২ জুলাই রাজেন্দ্র প্রসাদের নেতৃত্বে একটি কমিটি পতাকার বর্তমান রূপটি অনুমোদন করে। এখানে চরকার পরিবর্তে সারনাথের ধর্মচক্র থেকে ‘অশোকচক্র’ গ্রহণ করা হয়, যা উন্নয়ন ও গতির প্রতীক।

৩. পতাকার রঙের গূঢ় অর্থ

ভারতের জাতীয় পতাকার প্রতিটি রং ও প্রতীকের সুনির্দিষ্ট অর্থ রয়েছে:

  • গেরুয়া (Saffron): সাহস ও নিঃস্বার্থ ত্যাগের প্রতীক।
  • সাদা (White): শান্তি, সত্য এবং পবিত্রতার প্রতীক।
  • সবুজ (Green): বিশ্বাস, উর্বরতা ও দেশের সমৃদ্ধির প্রতীক।
  • অশোকচক্র (Ashoka Chakra): ২৪টি স্পোক বিশিষ্ট এই নীল চক্রটি নিরন্তর প্রগতি এবং ২৪ ঘণ্টার কর্তব্যের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

৪. পতাকা তৈরির আইনি বাধ্যবাধকতা

ভারতের পতাকা কোড (Flag Code of India) অনুযায়ী, জাতীয় পতাকা অবশ্যই ‘খাদি’ (হাতে বোনা সুতি বা রেশম) কাপড়ে তৈরি হতে হবে। এই পতাকা তৈরির একচেটিয়া অধিকার রয়েছে ‘খাদি উন্নয়ন ও গ্রাম শিল্প কমিশন’-এর হাতে। কর্ণাটকের ধারওয়াড় জেলায় অবস্থিত ‘কর্ণাটক খাদি গ্রামোদ্যোগ সংযুক্ত সংঘ’ হলো ভারতের একমাত্র অনুমোদিত জাতীয় পতাকা উৎপাদনকারী ইউনিট।


বিডিএস পর্যবেক্ষণ: পিংগালি ভেঙ্কাইয়া তাঁর সারাজীবন দেশের জন্য উৎসর্গ করলেও দীর্ঘকাল তিনি প্রচারের আড়ালে ছিলেন। ২০০৯ সালে ভারত সরকার তাঁর সম্মানে একটি ডাকটিকিট প্রকাশ করে এবং ২০২১ সালে তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ভারতরত্ন দেওয়ার দাবিও জোরালো হয়।


তথ্যসূত্র (Source):

  • ইন্ডিয়া টুডে (India Today): পিংগালি ভেঙ্কাইয়ার জীবনী ও পতাকার বিবর্তন।
  • দ্য হিন্দু (The Hindu): ভারতীয় জাতীয় পতাকার শতবর্ষ ও নকশার ইতিহাস।
  • টাইমস অফ ইন্ডিয়া (Times of India): খাদি এবং ইন্ডিয়ান ফ্ল্যাগ কোড সংক্রান্ত নিয়মাবলী।
  • উইকিপিডিয়া (Wikipedia): Flag of India & Pingali Venkayya.

নিউজ ডেস্ক

April 13, 2026

শেয়ার করুন

লিখেছেন: [BDS Bulbul Ahmed]

ক্যাটাগরি: আন্তর্জাতিক ও ভূ-রাজনীতি

সময়: ১৩ এপ্রিল ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবরোধ ঘোষণার পাল্টা জবাব দিতে ইরান এবার বেছে নিয়েছে ‘গণিত’ আর ‘মনস্তত্ত্ব’। গত রাতে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ একটি অদ্ভুত সমীকরণ টুইট করেছেন, যা নিয়ে এখন বিশ্বজুড়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। দেখতে জটিল মনে হলেও এটি আসলে আমেরিকানদের জন্য এক ভয়াবহ অর্থনৈতিক সতর্কবার্তা।

১. সমীকরণের ব্যবচ্ছেদ: গালিবাফ আসলে কী বুঝিয়েছেন?

গালিবাফের আবিষ্কৃত সমীকরণটি ছিল:

$$ΔO_{BSOH} > 0 ⇒ f(f(O)) > f(O)$$

বাস্তবে গণিত বা রসায়নে এর অস্তিত্ব না থাকলেও, রাজনৈতিকভাবে এর ব্যাখ্যা অত্যন্ত গভীর:

  • ΔO_BSOH > 0: এখানে ΔO মানে তেলের দামের পরিবর্তন। আর BSOH মানে ‘Blockade of Strait of Hormuz’ বা হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ। পুরোটার অর্থ হলো—অবরোধ দিলেই তেলের দাম হবে পজিটিভ (+), অর্থাৎ দাম হু হু করে বাড়বে।
  • f(f(O)) > f(O): এটি একটি ‘চেইন রিঅ্যাকশন’-এর সংকেত। f(O) হলো তেলের দাম বাড়ার সরাসরি প্রভাব (যেমন বেশি দামে পেট্রোল কেনা)। কিন্তু f(f(O)) হলো সেই তেলের ওপর নির্ভরশীল সবকিছুর দাম (পরিবহন, খাদ্যদ্রব্য, বিদ্যুৎ) বেড়ে যাওয়া। গালিবাফ বুঝিয়েছেন, দ্বিতীয় স্তরের এই প্রভাব হবে প্রথম স্তরের চেয়েও ভয়াবহ।

২. “এখনকার $4-$5 দাম উপভোগ করুন!”

আমেরিকার ফিলিং স্টেশনগুলোর ছবি পোস্ট করে গালিবাফ সরাসরি মার্কিনিদের উদ্দেশ্য করে লিখেছেন, বর্তমানের এই ৫ ডলারের তেলকেই পরে আপনাদের সস্তা মনে হবে। অর্থাৎ, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে যে ধাক্কা লাগবে, তা আমেরিকার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা তছনছ করে দেবে।

৩. ইরানের ‘দশে দশ’ মিডিয়া ওয়ার

এবারের যুদ্ধ কেবল মিসাইল বা ড্রোন দিয়ে লড়া হচ্ছে না; বরং লেগো অ্যানিমেশন, ফানি মিম আর গাণিতিক টুইট দিয়ে ইরান সরাসরি আমেরিকান জনগণের মগজে আঘাত করছে। গালিবাফের এই টুইট প্রমাণ করে যে, ইরানের মিডিয়া টিম মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধে (Psychological Warfare) কতটা দক্ষ হয়ে উঠেছে।


বিডিএস পর্যবেক্ষণ: গালিবাফের এই সমীকরণ মূলত মার্কিনিদের মনে ‘মুদ্রাস্ফীতির আতঙ্ক’ ছড়িয়ে দেওয়ার একটি চেষ্টা। ট্রাম্প যখন অবরোধের হুমকি দিচ্ছেন, ইরান তখন তেলের দামের মাধ্যমে আমেরিকার অভ্যন্তরীণ ভোটব্যাংকে আঘাত করার কৌশল নিয়েছে। যুদ্ধের এই ডিজিটাল রূপ সত্যিই অভূতপূর্ব।


এক নজরে সমীকরণের অর্থ:

অংশরাজনৈতিক অর্থ
ΔO_BSOHহরমুজ প্রণালিতে অবরোধের ফলে তেলের দামের পরিবর্তন।
> 0দাম বৃদ্ধি পাওয়া (পজিটিভ পরিবর্তন)।
f(O)সরাসরি তেলের দাম বৃদ্ধি।
f(f(O))তেলের দাম বাড়ার প্রভাবে নিত্যপণ্যের দামের চক্রাকার বৃদ্ধি।

উপসংহার: অর্থনীতি কি যুদ্ধের নতুন হাতিয়ার?

পারমাণবিক আলোচনার টেবিলে যখন অচলাবস্থা, তখন গালিবাফের এই টুইট বুঝিয়ে দিচ্ছে যে ইরানও সহজে ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নয়। তেলের এই দামের লড়াই শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পকে পিছু হটতে বাধ্য করবে কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

আপনার মতামত: আপনি কি মনে করেন গালিবাফের এই গাণিতিক হুঁশিয়ারি ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর কোনো চাপ তৈরি করতে পারবে? কমেন্টে আপনার যুক্তি জানান।

প্রতিবেদক:  বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: পালসবাংলাদেশ ওয়েবসাইটে।

৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ